বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির দুর্দিন! কী করণীয়

মাছুম বিল্লাহ
May 22, 2026
17 views
31 mins read

বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের চরম দুর্দিন চলছে! এক সময় দেশে শত শত প্রেক্ষাগৃহ ছিল, আজ সেখানে কার্যকর হলের সংখ্যা নেমে এসেছে হাতে গোনা পর্যায়ে, দেশের প্রায় ২৯টি জেলা এখন সম্পূর্ন হলশূন্য। এ পরিবর্তন কেবল পরিসংখ্যান নয়, একটি সাংস্কৃতিক অবক্ষয়ের স্পষ্ট লক্ষণ। এক সময়ে যেখানে শত শত প্রেক্ষাগৃহ ছিল, সেখানে এখন সক্রিয় আছে প্রায় ৬০টি। আমাদের স্কুল জীবনে হলে গিয়ে সিনেমা দেখার যে বিরাট আকর্ষণ এবং চরম এক বিনোদনের বিষয় ছিল সেটি বিশ^বিদ্যালয় জীবনে এসেও ভাটা পড়েনি। নি¤œআয়ের মানুষেরও বিনোদনের প্রধান মাধ্যম ছিল হলে গিয়ে সিনেমা দেখা। প্রেক্ষাগৃহগুলো মানুষ আর উত্তেজনায় গম গম করতো। ব্যবসা সফল বহু ছবি ছাড়াও প্রতিমাসে নতুন নতুন ছবি মুক্তি পেতো, পত্রিকার পাতা, রেডিও-র বিজ্ঞাপনে সেগুলো বিরাট এক অংশজুড়ে থাকতো। ছবির গল্প , কাহিনী ও অভিনয় প্রায় একই ধাচের ছিল কিন্তু মানুষের বিনোদনের মাধ্যম যেহেতু খুব একটা ছিলনা তাই সিনেমাই ছিল ভরসা। তখনই আমাদের চিন্তা হতো যে, এই ধরনের সিনেমা আর কতদিন টিকবে? শুক্রবার বিটিভিতে একটি ছবি প্রচারিত হতো, অনেক ঘটা করে সেটা দেখার জন্য প্রচুর সময় ব্যয় করতাম। কিন্তু অজ¯্র বিজ্ঞাপনের ভীড়ে যেমন প্রচুর সময় লেগে যেত, তেমনি একই কাহিনী যা সিনেমা দেখার কয়েক মিনিটের মধ্যেই বুঝে যেতাম সিনেমা কোনদিকে গড়াচ্ছে।  সিনেমা জগতের শিল্পী কলাকুশলী নির্মাতা পরিচালকদের জানিনা তখন এ ধরনের চিন্তা উদয় হতো কিনা যে, গ্লোবাল ভিলেজের যুগে আমাদের গৎবাদা সিনেমার গল্প আর কতদিন টিকবে। আমরা এই জগতের মানুষ নই, তারপরেও এ ধরনের চিন্তা মাথায় আসতো। সেটিই বাস্তবে রূপ নিয়েছে। আমাদের সিনেমার জগত দখল করেছে ভারতীয় হিন্দী ও বাংলা সিনেমা।

In the modern era, films are made attractive through a combination of technological advancements, diverse storytelling, and innovative production methods that our film industry seriously lacks.  অতি সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজের কন্যাকে নিয়ে একটি সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখেছেন। বিষয়টির উপর লেখক গবেষক ও চল্িচচত্র নির্মাতা অনার্য মুর্শিদ এভাবে  আলোকপাত করেছেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন নিজের মেয়েকে নিয়ে প্রেক্ষগৃহে গিয়ে সিনেমা দেখেন, এটি নিছক একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত নয়, এটি একটি সাংস্কৃতিক বার্তাও বটে। রাষ্ট্রের একজন সর্বোচ্চ নির্বাহী এভাবে হলে সিনেমা দেখতে যাওয়া দর্শকদের জন্য হলে ফিরে যাওয়ার এক নীরব আহ্বান।” বিষয়টির সাথে আমিও একমত পোষণ করছি।

বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন ও বিতরণের সুরাহার জন্য বহু বছর ধরে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। ঢাকাই সিনেমার সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ। এই শিল্পে শো-বক্স অফিসে লাভজনক চলচ্চিত্রের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। নির্মাতা লেখক এবং অভিনেতাদের কিছু নতুন নৈপুন্যপূর্ন কাজ উপস্থাপন করা সত্ত্বেও বেশিরভাগ চলচ্চিত্রের কাহিনী, স্ক্রীনপ্লে, এবং অভিনয়ের মান নি¤œমানের, কারণ শিল্পের উন্নয়ন ও মান বৃদ্ধির জন্য পর্যাপ্ত বিনিয়োগের অভাব রয়েছে। প্রয়োজনীয় বাজেট, প্রযুক্তি ও দক্ষতার ঘাটতি রয়েছে। নতুন পরিচালক ও নির্মাতাদের অভাব রয়েছে। যারা আধুনিক দর্শকদের আকৃষ্ট করতে সক্ষম তাদের সংখ্যা নিতান্তই কম।পুরনো ধারণার ওপর নির্ভরশীলতা এবং সৃজনশীলতার অভাব গুণমানের অবনতি ঘটিয়েছে এই জগতের। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্্র, আমাজন, প্রাইম ভিডিও ইত্যাদি সমসমায়িক দর্শকদের সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা বদলে দিয়েছে। দর্শকরা এখন হলে গিয়ে সিনেমা দেখার পরিবর্তে বাসায় বসে দেখাই বেশি পছন্দ করছে। অধিকাংশ চলচ্চিত্রের গুণমান নি¤œমানের এবং পুনরাবৃত্তি বিষয়বস্থ নিয়েই নির্মিত হচেছ সিনেমাগুলো। তাই দর্শকরা আকর্ষণ হারাচেছ আর এই শিল্পের উপার্জনকে প্রভাবিত করছে। এখন ব্যস্ত জীবনযাপনে অনেকের নির্ভরযোগ্য বিনোদন অনুসঙ্গ হয়ে উঠেছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো। দর্শকসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের কন্টেন্ট-এ বৈচিত্রের সমাহার, আকর্ষণীয় চমক আর নতুনত্বের সম্ভার ঘটাতে বেশ সচেষ্ট। প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে দর্শক বাড়ােনর লক্ষ্যে কাজ করছে প্রতিটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। এসব কারণে কন্টেন্ট তৈরির কাজে নিয়োজিতদের মধ্যেও এক ধরনের গা ঝাড়া দেওয়া মনোভাবে সৃষ্টি হয়েছে।

তামিল তেলেগু ভাষার সিনোমগুলো বাংলাদেশে বেশ জনপ্রিয়। সম্প্রতি তাদের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। তামিল, তেলেগু, মালয়লাম ও কন্নড়-এই চারটি ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে দক্ষিন ভারতীয় সিনেমা।  শিবাজি থেকে শুরু করে রজনীকান্ত, কমল হাসান এ প্রজন্মের আল্লু অর্জুন, বিজয় থালাপাতি। বেশ ফ্যানবেজ তৈরি করেছেন বাংলাদেশে। দক্ষিণী সিনেমা আমাদের দেশে জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে। সেগুলো হলো- গল্প, অভিনয়, অ্যাকশন আর তারকাদের লাইফস্টাইল। দক্ষিণ ভারতের সিনেমার গল্প বেশ শক্ত হয়। বিভিন্ন মাধ্যমে এ সিনেমাগুলো আমাদের দেশের দর্শকরা দেখেন। ভিন্ন ভাষার সিনেমা হলেও এর সঙ্গে রিলেট করতে পারেন দর্শকরা। তাই এই সিনেমাগুলো আমাদের দেশে বেশ জনপ্রিয়। রাজনৈতিক, সামাজিক, রোমান্স, থ্রিলার, কমেডি, অ্যাকশন, ড্রামা- যে ঘরণার সিনেমাই হোক না কেন, দর্শক খুব সহজেই গল্পে ঢুকে যেতে পারে। সিনেমা জীবনের প্রতিচ্ছবি। এই সিনেমাগুলো দেখলে তাই মনে হয়। বাংলাদেশেও তেমন সিনেমা তৈরি করা প্রয়োজন। অতি সম্প্রতি দেখলাম ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। একরাতের সিনেমার মধ্যে পলিচালক তুলে এনেছেন অনেক কিছূ। একজন মন্ত্রী কত সুবিধা ভোগ করেন, তার মন্ত্রীত্ব চলে গেলে সাধারন মানুষও তার সাথে কি ধরনের আচরণ করে, বিদেশী এক প্রফেসর তার মৃত সন্তানকে নিয়ে দেশের সমাধিস্থ করার জন্য নিয়ে আসেন, বিদেশী বিয়ে করে তার জীবনে যে খুব একটা সুখের দাম্পত্য জীবন উপহার হিসেবে আসেনি সেটিরও কিছুটা ছোয়া এখানে আছে।

প্রসব বেদনায় কাতরানো একজন নারী ডাক্তারের অভাবে চিৎকার করছেন আর তার স্বামী পুরুষ ডাক্তারকে তার স্ত্রীর কাছে যেতে দিবেন না। পরে অধ্যাপক ও তার সঙ্গী সার্থী সবাই মিলে জোর করে সন্তান সম্ভবা নারীর হাজব্যান্ডকে আটকে রেখে পুরুষ ডাক্তারকে দিয়ে সন্তান প্রসব করায়। সন্তান ও নারীকে নিয়ে দ্রতু হাসপাতাল নেওয়ার ব্যবস্থা নেই তাই অধ্যাপক মন্ত্রীত্ব হারানো মন্ত্রীকে হেলিকপ্টার পাঠাতে বলেন। হেলিকপ্টার এসে তাদের নিয়ে যায়। এখানে মেলোড্রাম্যাটিক কিছু নেই, যৌনতা নেই, বংলা সিনেমার সেই কোমড় দোলানো নাচ নেই, শরীর দেখানো নেই অথচ হলে টিকেট পাওয়া যাচ্ছেনা। হল ভর্তি। এটি বিরাট শিক্ষা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির জন্য। মানুষের রুচির পরিবর্তন হয়েছে, মানুষের স্ট্যাটাস পরিবর্তন হয়েছে, পরিবর্তন এসেছে তাদের জীবন প্রবাহে যার সাথে বাংলা সিনেমা নির্মানকারীদের  সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। বাংলা সিনোমকে ভারতীয় সিনেমার সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে হবে। তাই এই ধরনের নির্মান প্রয়োজন। এর আগে ‘হাওয়া’ সিনেমায় বঙ্গোপসাগরে জেলেদের চ্যালেঞ্জিং লাইফ, তার মধ্যে আনন্দ পাবার চেষ্টা, প্রৃকতির সাথে সংগ্রাম ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে। এ সিনেমাটিও দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে এবং বোধ করি ব্যবসা সফলও। তার মানে দেশে অল্প অল্প হলেও মানসম্মত ফিল্ম তৈরি হচ্ছে যেগুলো এ যুগের মানুষ দেখছে। নিশ্চয়ই এগুলোর জন্য শিল্পী ও কলা-কুশলীরা প্রচুর পরিশ্রম করেছেন। তাদের অভিনয় দেখলেই বুঝা যায়।

আমরা জানি দক্ষিন ভারতের নায়করা একটি চরিত্রের জন্য বেশ পরিশ্রম করেন। সেটা পর্দায় তাদের দেখলেই বোঝা যায়। প্রতিটি চরিত্রে তারা বেশ প্রানবন্ত থাকেন। স্বতংস্ফূর্তভাবে সাবলীল অভিনয় করেন তারা। চরিত্রে এমনভাবে ঢুকে যান তাতে মনে হয় বাস্তব কোনো একটি চরিত্রকে আমরা পর্দায় প্রত্যক্ষ করছি। আর দর্শকরা সেটাকে লুফে নেয়। আমাদের সিনেমার শিল্পীদেরও এগুলো নিয়ে ভাবতে হবে এবং শিক্ষা গ্রহন করতে হবে। আমি বলবো অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে, মঙ্গলের দিকে আগাচ্ছে। অতি সম্প্রতি বনলতা এ্ক্্রপ্রেস সিনেমা দেখে তাই মনে হলো। তামিল সিনেমায় অ্যাকশন মানেই ফ্যান্টাসি। একটা সময় দক্ষিণী সিনেমায় ধুন্ধমার মারপিট দেখা যেত। এখন তার আমূল পরিবর্তন এসেছে। বাস্তবতার সঙ্গে এর মিল না থাকলেও আমাদের দর্শক সহজেই বুঁদ হয়ে যায় এসব অ্যাকশনে।

কিছুদিন আগে অ্যাকশন দৃশ্যে হুবহু বানিয়ে আলোচনায় ছিলেন মাদারীপুরের ছয় তরুণ। লজিস্টিক সাপোর্ট থাকার পরও আমাদের দেশের নির্মাতারা বড় পর্দায় এসব অ্যাকশন দেখাতে পারেন না।অন্যদিকে শুধু মোবাইল আর কিছু অ্যাপস ব্যবহার করেই হুবহু তামিল সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্য বানিয়ে ফেলছেন অনেকে যা নিয়ে রীতিমতো আলোচনা শুরু হয়েছে নেট দুনিয়ায়। এখান থেকেই দক্ষিণ ভারতের সিনেমার অ্যাকশনের জনপ্রিয়তা অনুমান করা যায়। দেশীয় সংষ্কৃতি, ঐতিহ্য, মূল্যবোধ, নৈতিকতা, দেশপ্রেম, সমাজমনস্কতা, ইতিহাস, রাজনীতি এগুলো হতে পারে সিনেমার উপজীব্য। ভারতীয় সিনেমা আরআরআর-এর আয় ১,৩১৬,৩০৫ কোটি রুটি। এই অ্যাকশন ড্রামা ফিল্মটিও এসএস রাজামৌলির নির্দেশনার এক আসমান্য উদাহরণ। অভাবনীয় অভিনয়শৈলী দিয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন এনটিরাও জুনিয়র, রামচরণ, অজয় দেবগন এবং আলিয়া ভাট। এর গল্প নিজেদের লক্ষ্যে অটুট থাকা দুই ভারতীয় বিপ্লবীকে নিয়ে। তাদের গভীর বন্ধুত্ব ও ব্রিটিশ সাম্যাজ্যের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রাম এক অনবদ্য সংমিশ্যন এই মুভি।

আমাদের স্মরণে আছে ভারতের সর্বকালের সবচেয়ে ব্যবসাসফল সিনেমার তালিকা কয়েক বছর ধরেই অপরিবর্তিত ছিল। বদল ঘটেছে ২০২৫ সালে আদিত্য ধরের ’ধুরন্ধর’ মুক্তির পর। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুক্তির পর সিনেমাটি এক হাজার কোটি রুপির বেশি ব্যবসা করেছে, ফলে বদল এসেছে ভারতের বেশি আয় করা শীর্ষ ১০ ছবির তালিকাতেও। বাংলাদেশী ছবি নির্মাতা, প্রযোজক, পরিচালক ও কলা কুশলীদের এগুলো থেকে গভীরভাবে শিক্ষা নিতে হবে। ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি একটি মারাত্মক শক্তিশালী মাধ্যম। একটি ব্যবস্থা, নীতি, কৌশল, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ন কোন মেসেজ অত্যন্ত সহজে কোটি কোটি মানুষের কাছে সফলভাবে পৌঁছানের একটি মোক্ষম অস্ত্র যা আমাদের দেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি সফল করতে পারেনি, পারেনি সরকার। আমাদের এফডিসি এখন খাঁ খাঁ করছে, অথচ এক সময় অত্যন্ত রমরমা ছিল। বিশ^বিদ্যালয় জীবনে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে দিনভর বিভিন্ন ছবির শ্যুটিং দেখেছি, নায়ক নায়িকাদের অভিনয়, কথোপকথন এবং তাদের এক নজর দেখার জন্য আকুলতা নিয়ে অপেক্ষা। কর্মজীবনে ঐ একই এফডিসিতে গিয়েছি, তখন থেকেই শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির অধঃপতন। টিভি চ্যানেলের কাছে ভাড়া দেয়া হয়েছে বিভিন্ন স্টুডিওগুলো।

আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচাতে হলে সরকারকে যেমন এগিয়ে আসতে হবে, তেমনি এই জগতের মেধাবী, উদ্যম ও সৃজনশীলদের গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে গলা টিপে হত্যা করে বিদেশি ফিল্মের প্রতি ভালবাসা দেখানো এবং অবাধে চলতে দেয়া মানে নিজেদের পায়ে কুঠার মারা। দেশে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম স্টাডিজ বা মিডিয়াবিষয়ক বিভাগ থাকলেও সেগুলো অবকাঠামো, কারিগরি সুবিধা এবং গবেষণার পরিবেশ অত্যন্ত সীমিত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এসব বিষয়ের দিকে মনোযোগ দিলে আমরাও সৃজনশীল এবং নতুন জগতের সাথে তাল মিলিয়ে উপযুক্ সিনেমা তৈরি করতে পারবো যেগুলো শুধুমাত্র আমাদের কৃষ্টি কালচারই বহির্বিস্বে প্রচার করবে না, আমাদের জন্য বৈদেশিক মুদ্রাও নিয়ে আসবে।


মাছুম বিল্লাহ | ঢাকা, বাংলাদেশ

শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও গবেষক এবং প্রেসিডেন্ট, ইংলিশ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইট্যাব)।
সাবেক অধ্যাপক- ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, সিলেট, কুমিল্লা ও মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, রাজউক কলেজ, শিক্ষা বিশেষজ্ঞ- ব্র্যাক শিক্ষা, কান্ট্রি ডিরেক্টর-ভ্যাব বাংলাদেশ।


Leave a Reply

Your email address will not be published.

Previous Story

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা ও সমাধান!

Next Story

জাদুর বাক্সের আগ্রাসনের যুগে একটি পত্রিকার বাঁচামরা

Latest from অর্থচিত্র