জাদুর বাক্সের আগ্রাসনের যুগে একটি পত্রিকার বাঁচামরা

মিনার মনসুর
May 23, 2026
159 views
29 mins read

১.

সময় বদলে গেছে। এখন প্রায় প্রত্যেকের হাতেই একটি করে জাদুর বাক্স। সামাজিক মাধ্যমে একেক জনের একাধিক আইডি। এখন সবাই লেখক, সবাই সাংবাদিক। যেমন ইচ্ছে লেখা যায়, যা ইচ্ছে পোস্ট করা যায়। যাকে ইচ্ছে বেআব্রু করে দেওয়া যায় মহাউল্লাসে। সাধুকে শয়তান, শয়তানকে সাধু বানানো যায় মুহূর্তে। এ যেন এক যথেচ্ছাচার প্রকল্প। ব্যক্তিগত রাগ-অনুরাগ-বিরাগের সীমা ছাড়িয়ে ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগত ঘৃণাবিদ্বেষ প্রকাশের অপার স্বাধীনতা! বানান-বাক্য, শুদ্ধ-অশুদ্ধ, নীতি-নৈতিকতা কিংবা যুক্তি-প্রমাণের কোনো তোয়াক্কা নেই। নেই সম্পাদকের নির্দয় খড়্গের ভয়। মান-অপমানে যায় আসে না কিছুই।

মান বিচারের একমাত্র মাপকাঠি হলো ‘ভিউ’ আর ‘লাইক’। যার ভিউ যত বেশি তিনি তত বেশি সেলিব্রেটি। যার লাইক যত বেশি তিনি তত বড় লেখক বা সাংবাদিক। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অঢেল অর্থ এবং অপরাপর অশুভ ‘কানেকশন’। সব দেখেশুনে মনে হতে পারে যে লেখক-সাংবাদিক হওয়া আর পত্রিকা প্রকাশ করা এখন অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় সহজ। ইচ্ছে করলেই যে কেউ যেমন লেখক বা সাংবাদিক বনে যেতে পারেন, তেমনি প্রকাশ করতে পারেন পত্রিকা; এমনকি খুলে বসতে পারেন নিজস্ব মিডিয়া হাউসও!

আসলে কি ব্যাপারটা তাই?

খুব বেশি পেছনে যাওয়ার দরকার নেই। বিস্ময়কর এ প্রযুক্তিবিপ্লবের অল্পকাল আগে সত্তরের বা আশির দশকে যারা লিটল ম্যাগাজিন বা ছোটোকাগজ বের করতেন তারা জানেন এটি কী কঠিন একটি কাজ। কঠোর নিষ্ঠা ও অধ্যবসায় ছাড়া এক্ষেত্রে সাফল্যের সম্ভাবনা ছিল শূন্য। শুধু ভাষা বা সাহিত্যের ওপর যৎকিঞ্চিৎ দখল থাকলেই চলতো না, উদীয়মান লেখক বা সম্পাদক হিসেবে তাদের বুঝতে হতো প্রতিটি শব্দের ওজন; তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া। তখন মুদ্রণ কাজ হতো লেটার প্রেসে। কম্পোজ হতো সিসার টাইপে। তাদের টাইপ চিনতে হতো। চিনতে হতো কালি ও কাগজের ভালোমন্দ। বুঝতে হতো মেকআপ ও রঙের ব্যবহার। আসলে লিটলম্যাগ ছিল ভবিষ্যৎ লেখক-সম্পাদকদের জন্য একটি প্রশিক্ষণাগার।

এর পরের ধাপটিই ছিল সংবাদপত্র। কিন্তু সবাই সেখানে পৌঁছাতে পারতেন না। খোঁজ নিলে দেখা যাবে যে অনেক নামি-দামি লেখক-সম্পাদকের উত্থান হয়েছে এই লিটল ম্যাগাজিনের হাত ধরে। প্রসঙ্গত বলে রাখি, আমি নিজেও দীর্ঘদিন লিটল ম্যাগাজিন ও পত্রিকা প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। লেটার প্রেস থেকে ফটোকম্পোজ, কম্পিউটার কম্পোজ ও অফসেট মুদ্রণের জগতে উত্তরণের ব্যাপারটি আমাদের রীতিমতো স্বপ্নাবিষ্ট করে রেখেছিল। কিন্তু এখন এআই যখন বিস্ময়কর গতিতে সম্ভব-অসম্ভবের সব সীমারেখা গুঁড়িয়ে দিচ্ছে, তখন আমরা বিস্মিত হওয়ার বোধটুকুও হারাতে বসেছি। আমাদের অবস্থা এখন দ্রুতগামী ট্রেনের যাত্রীর মতো।

বাহ্যত মনে হতে পারে যে প্রযুক্তির এ অভাবনীয় বিপ্লব সংবাদপত্রের কাজটি খুব সহজ করে দিয়েছে। সেই বিশাল প্রেস আর বিপুল জনবলের গুরুভার থেকে মুক্ত হয়ে সে এখন টগবগে ঘোড়ার মতো বা দ্রুতগামী ট্রেনের মতো ছুটতে পারে। মুহূর্তে পৌঁছে যেতে পারে পাঠকের কাছে। হয়ে উঠতে পারে আরও আকর্ষণীয়। আরও নির্ভুল। কিন্তু বাস্তবে যা হয়েছে তা অনেকটা শাঁখের করাতের মতো। সন্দেহ নেই যে প্রযুক্তি সংবাদপত্র জগতে মহাবিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে; কিন্তু একই সঙ্গে তাকে নিক্ষিপ্ত করেছে অভূতপূর্ব এক সংকটে। সেই সংকট নিয়ে বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য কোনো গবেষণা আমার চোখে পড়েনি।

তবে বহু বছর ধরে সংশ্লিষ্টতার সূত্রে জানি যে মুদ্রিত-অমুদ্রিত কোনো সংবাদমাধ্যমই ভালো নেই। আমার জানা মতে, বনেদি কমপক্ষে তিনটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পথে। বাদবাকি অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই ধুঁকছে বহুদিন ধরে। স্বনামধন্য সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকাগুলোর অবস্থাও খুব একটা ভিন্ন নয়। প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে শত ফুল ফুটছে; কিন্তু তাদের জন্মমৃত্যুর মধ্যে ব্যবধান কমে যাচ্ছে। দ্রুত বর্ধমান আগাছার নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে শস্যের যৎকিঞ্চিৎ সম্ভাবনাটুকুও। তার চেয়েও গুরুতর বিপদটি হলো, দ্রুত পাঠকপ্রিয়তা অর্জনের লক্ষ্যে ভিউ আর লাইকের পেছনে ছুটতে গিয়ে অনেকেই পতিত হচ্ছে অপসাংবাদিকতার অতল অন্ধকারে।

বর্তমান বাস্তবতায় ভালো একটি পত্রিকা (দৈনিক, সাপ্তাহিক বা মাসিক যাই হোক না কেন) হয়ে ওঠার পেছনে চ্যালেঞ্জ অনেক। প্রথম চ্যালেঞ্জটি হলো নিয়মিত অর্থের জোগান। দ্বিতীয়টি হলো নীতিগত স্বচ্ছতা। এ দুটি পরস্পর যুক্ত। অর্থের জোগানদাতা বা দাতাদের সঙ্গে পত্রিকার অনুসৃত নীতির অমিল থাকলে সংঘাত অনিবার্য। পরিণতি পত্রিকার অকালমৃত্যু। আবার নীতি যাই হোক, দাতারা যদি পত্রিকাটিকে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চায় সেক্ষেত্রেও বিপর্যয় অনিবার্য। তৃতীয় চ্যালেঞ্জটি হলো পত্রিকার জন্য উপযুক্ত একটি আঙ্গিক বা উপস্থাপন কৌশল খুঁজে নেওয়া।

এখানে মনে রাখতে হবে যে বর্তমানে শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর কমপক্ষে ৫০ শতাংশ মুদ্রিত পত্রিকা পড়েন না। মুদ্রিত পত্রিকার পাঠক এখন মূলত পঞ্চাশোর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সীমিত হয়ে পড়েছে। নানা জরিপে দেখা গেছে, বয়স ও লিঙ্গনির্বিশেষে সবার চোখই এখন স্মার্টফোনের স্ক্রিনে আবদ্ধ। যারা এখনো মুদ্রিত পত্রিকা পড়েন তারাও যত দ্রুত সম্ভব ফোনের স্ত্রিনে ফিরে আসেন। ফলে সময় ও মনোনিবেশ– উভয় দিক থেকেই মুদ্রিত পত্রিকার প্রতি উপেক্ষার পাল্লা ক্রমেই ভারী হচ্ছে।

অন্যদিকে, তরুণদের সবকিছুই এখন মূলত স্ক্রিননির্ভর। সেক্ষেত্রে সহজ সিদ্ধান্তটি হতে পারে  যে অনলাইন পত্রিকাই উত্তম। কিন্তু অনলাইন পত্রিকা হলেই যে পাঠক তা লুফে নেবে– বাস্তব অভিজ্ঞতা কিন্তু তা বলে না। ব্যাপক প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও ঢাকায় অনেক অনলাইন পত্রিকা টিকে থাকতে পারেনি। বনেদি যে অনলাইন পত্রিকাটি এখনো টিকে আছে তার অবস্থাও যে খুব স্বস্তিকর তা বলা যাবে না। অতএব, অনলাইন পত্রিকার সঙ্গে অডিও-ভিডিও উপস্থাপনাসহ হালনাগাদ আরও কী কী বিষয় যুক্ত করা সম্ভব সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে গুরুত্বের সঙ্গে।

চতুর্থ চ্যালেঞ্জটি হলো কারা পত্রিকাটির সম্ভাব্য পাঠক সেটি নির্ধারণ করা এবং তার আলোকে পত্রিকার বিষয়ভিত্তিক অগ্রাধিকারগুলো চিহ্নিত করা। ধরা যাক, উদারপন্থি তরুণদেরই সম্ভাব্য পাঠক হিসেবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাদের পছন্দ-অপছন্দ, সংকট ও সম্ভাবনা এবং স্বপ্ন ও সংগ্রামকে পত্রিকার পাতায় যথাযথভাবে তুলে ধরতে হবে। পঞ্চম চ্যালেঞ্জ হলো দক্ষ ও নিবেদিত ছোট একটি টিম তৈরি করা– যারা পত্রিকার পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্যানেলভুক্ত লেখক/ প্রতিবেদকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করবেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের কাজে লাগাবেন।

নীতিনির্ধারকদের মনে রাখতে হবে যে লেখকদের নিয়মিত সম্মানী দেওয়ার বিষয়টি খুবই তাৎপর্যবহ। এটি এমন একটি বার্তা যা নীরবে পত্রিকার ভাবমূর্তির ব্যারোমিটার হিসেবে কাজ করে। বিনা পারিশ্রমিকে লিখতে আগ্রহী লেখকদের লেখা দিয়ে দীর্ঘকাল একটি পত্রিকা প্রকাশ করা সম্ভব হলেও তা অচিরেই পত্রিকাটিকে রক্তশূন্য করে ফেলে এবং তার ভাবমূর্তি তলানিতে এসে ঠেকে।

সর্বশেষ কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জটি হলো মার্কেটিং। অন্যভাবে বলা যায়, পত্রিকার ভাবমূর্তি তৈরি ও বাজারজাতকরণ। পত্রিকাটিকে তার পাঠক ও বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপনের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে। কার্যকর উপস্থাপনা যেমন পত্রিকাটির ধারাবাহিক সাফল্য ও দীর্ঘযাত্রা নিশ্চিত করতে পারে, তেমনি অকার্যকর উপস্থাপনার কারণে সব সম্ভাবনা সত্ত্বেও পত্রিকাটি মুখ থুবড়ে পড়তে পারে অকালে।     

২.

পুনশ্চ: পড়শী বিষয়ে কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা

জাদুর বাক্সের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসনের এই যুগে একটি পত্রিকার বাঁচামরা নিয়ে এত কথা বলার পর পড়শী নিয়ে আলাদাভাবে কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না। তবু পত্রিকাটির সম্পাদক/ সম্পাদকমণ্ডলীর অনুরোধে কিছু কথা বলতে হলো। তাতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে পুনরুক্তির আশঙ্কা সত্ত্বেও বক্তব্যের অকপট ভাবটি অক্ষতই রাখা হলো। এতে পাঠকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটলে তার দায় নিশ্চিতভাবে সম্পাদকের ওপরই বর্তাবে!

ফোকাস: ফোকাস আরও সুনির্দিষ্ট করতে হবে; যার লক্ষ্য হবে পড়শী বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর কোন্ অংশটিকে তার সম্ভাব্য পাঠক হিসেবে পেতে চায় তা স্পষ্ট করা। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়– ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ এবং পৃথিবীর নানা প্রান্তে বসবাসরত বাঙালি জনগোষ্ঠী; আদর্শিক দিক থেকে উদারপন্থি সেক্যুলার ও কট্টর ইসলামপন্থি/ হিন্দুত্ববাদী; বয়সের বিবেচনায় বলা যায় তরুণ, প্রবীণ ইত্যাদি। সেভাবেই বিষয়বস্তুকে পুনর্বিন্যাস করা।

নীতিগত অবস্থান (যা সম্পাদকীয় নীতি হিসেবে বিবেচিত) স্পষ্ট করা:

(ক) মোটা দাগে এটা স্পষ্ট করতে হবে যে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পড়শী কোন্ কোন্ বিষয়কে সমর্থন করে এবং কোন্ কোন্ বিষয়কে সমর্থন করে না। যেমন– মুক্তিযুদ্ধ, ধর্মনিরপেক্ষতা, নারী অধিকার প্রভৃতি।

(খ) সম্পাদকীয় নীতির পরিপন্থি লেখা প্রকাশে বিরত থাকা।

আঙ্গিক: মাসিক প্রকাশনার ক্ষেত্রে উন্মুক্ত বা পত্রিকাধর্মী ফরমেটের চেয়ে ম্যাগাজিন ফরমেট (ডিমাই ১/৪) অধিক দৃষ্টিনন্দন ও কার্যকর। তবে প্রচ্ছদের পরিবর্তে প্রতি সংখ্যার হাইলাইট বা মূল আকর্ষণগুলো সেখানে দৃষ্টিগ্রাহ্যভাবে প্রকাশ বা প্রদর্শন করা যেতে পারে– যাতে ক্লিক করা মাত্র বিষয়গুলো পাঠকদের নজর কাড়ে। উপস্থাপন কৌশলের ক্ষেত্রে কেবল অডিও/ ভিডিওই নয়, সম্ভব হলে অত্যাধুনিক অন্যান্য উদ্ভাবনও কাজে লাগানো যেতে পারে।

যা আছে, যা যুক্ত হতে পারে:

যা আছে:

  • রাজনীতি
  • সমসাময়িক বিষয়
  • নিয়মিত কলাম
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • অর্থচিত্র
  • বিশ্বসংলাপ

যা যুক্ত হতে পারে:

সুবিদিত যে দেশের ভেতরে ও বাইরে তরুণ জনগোষ্ঠীর প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। তাদের বড় অংশই নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ব্যাপকভাবে উদ্বিগ্ন। তাদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও ক্যারিয়ার। আদর্শের চেয়ে বাস্তবতাকেই তারা অধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এ বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখে তরুণদের জন্য একটি বিশেষ প্যাকেজ যুক্ত করা যেতে পারে– যাতে নিচের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে:

  • বিদেশে শিক্ষা, বৃত্তি, কর্মসংস্থান;
  • তরুণদের স্বপ্ন ও সংগ্রাম (দেশে-বিদেশে সফল তরুণদের আত্মপ্রতিষ্ঠার গল্প যা তারা নিজেরাই লিখবে)
  • তরুণরা কী পড়বে, কেন পড়বে, কোথায় পড়বে?
  • তরুণরা কী করবে, কীভাবে করবে?
  • প্রযুক্তি ও তারুণ্যের দ্বৈরথ/ মেলবন্ধন
  • তরুণদের আসল শত্রু কে: প্রযুক্তি না প্রস্তুতি?

এ ছাড়াও নারীদের জন্য অন্তত একটি কলাম নিবেদিত রাখা যেতে পারে– যা এক বা একাধিক নারী লেখক নিয়মিত লিখবেন। সম্ভব হলে দেশে দেশে যুগে যুগে নারীর স্বপ্ন ও সংগ্রাম নামে পৃথক একটি বিভাগও সংযোজন করা যেতে পারে।

নিয়মিত বিভাগ হিসেবে আরও যা থাকতে পারে:

  • ভ্রমণ
  • শিল্প-সাহিত্য
  • ইতিহাস-ঐতিহ্য-সংস্কৃতি
  • যুদ্ধ ও শান্তি
  • স্মরণ
  • সাক্ষাৎকার
  • আত্মস্মৃতি/আত্মজীবনী – ধারাবাহিক  
  • চিরায়ত – এখানে কালজয়ী কোনো বই, ছবি, চিত্রকর্ম বা সংগীত বিষয়ে লেখা থাকতে পারে

মিনার মনসুর | ঢাকা, বাংলাদেশ

একুশে পদক প্রাপ্ত কবি ও প্রাবন্ধিক।


Leave a Reply

Your email address will not be published.

Previous Story

বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির দুর্দিন! কী করণীয়

Next Story

পার্শিয়ানরা টিকে থাকবে

Latest from পড়শীর আরশি

অনলাইন পত্রিকা “পড়শী” : প্রবাসে এক চিলতে বাংলাদেশ

অনলাইন পত্রিকা "পড়শী" এপ্রিল ২০২৬ এর সংখ্যাটি পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। ... পড়শী'র অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লিখেছেন মাকসুদা মাহতাব।

পার্শিয়ানরা টিকে থাকবে

একটা সুপার পাওয়ার তার সমস্ত শক্তি নিয়ে এবং তার সহযোগী রাষ্ট্রগুলির শক্তি নিয়ে যখন ছোট একটি দেশকে ... ইরানে বর্তমান মার্কিন আগ্রাসন নিয়ে লিখেছেন ড.

পড়শীর আরশি

এক সময় ফেসবুক, ট্যুইটার (এখন এক্স), ইনস্টাগ্র্যাম কিছুই ছিলনা। অত্যন্ত সীমিত পরিসরে মডারেটর... - লিখেছেন বিভাগীয় সঞ্চালক আলোকময় বিশ্বাস।