পড়শী মূল রচনাবলী স্পৃহা ফাউন্ডেশন – “সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা”

স্পৃহা ফাউন্ডেশন – “সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা”

Post Views: 314

“সবার জন্য স্বাস্থ্য সেবা” এমনই এক অদম্য স্পৃহা নিয়েই আজ থেকে দেড় যুগ আগে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটেল শহরে যাত্রা শুরু করে স্পৃহা ফাউন্ডেশন। বাংলাদেশের সকল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে স্বাস্থ্য সেবার মত একটি মৌলিক অধিকার পৌছে দেয়ার শুরুটা হয়েছিল প্রতিষ্ঠাতা তাজীন শাদীদ এর একটি একান্ত অভিজ্ঞতা থেকেই।

মাত্র আঠারো বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান বাংলাদেশের তাজীন শাদীদ। ইউনিভার্সিটি অব নর্থ টেক্সাস থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স রিসার্চার হিসেবে যোগ দেন।

কিন্তু একদিন হঠাৎ করেই তাঁর জীবনের গতিপথ বদলে যায়। তাজীন শাদীদের মা ক্যানসারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পথে নানা জটিলতা, অনিশ্চয়তা ও ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয় তাঁদের পরিবারকে। সেই অভিজ্ঞতা তাঁকে একটি কঠিন প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায় – যদি একটি শিক্ষিত ও তুলনামূলকভাবে সুবিধাপ্রাপ্ত পরিবারকে এত সংগ্রাম করতে হয়, তবে বাংলাদেশের দরিদ্র ও প্রান্তিক মানুষের বাস্তবতা কতটা কঠিন?

প্রশ্নটি তাঁকে তাড়িয়ে ফিরেছিল। আর সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই তিনি মাইক্রোসফটে অর্জিত মানবকেন্দ্রিক ডিজাইন (Human-Centered Design) বিষয়ে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ২০০৭ সালে ঢাকার একটি স্বাস্থ্যসেবাবঞ্চিত এলাকায় একটি ছোট মোবাইল ক্লিনিক চালু করেন। লক্ষ্য ছিল একটাই— যারা স্বাস্থ্যসেবা থেকে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত, তাদের দোরগোড়ায় মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়া।

কয়েকজন সহকর্মী, মাইক্রোসফটে কর্মরত বাংলাদেশি পেশাজীবী এবং একদল স্বেচ্ছাসেবককে সঙ্গে নিয়ে শুরু হওয়া সেই উদ্যোগই পরে রূপ নেয় স্পৃহা ফাউন্ডেশনে। ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা আজ যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক 501(c)(3) অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে নিবন্ধিত উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। এক যুগেরও বেশি সময়ে স্পৃহা দশ লক্ষাধিক মানুষের জীবনে পৌঁছেছে এবং বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর, কমিউনিটি-কেন্দ্রিক স্বাস্থ্যসেবা মডেল গড়ে তুলছে।

স্পৃহার গল্প তাই শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের গল্প নয়। এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের দায়িত্ববোধ, শিকড়ের প্রতি টান এবং দূরদেশে বসেও দেশের মানুষের জন্য কিছু করার অদম্য ইচ্ছার গল্প।

মোবাইল ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্য প্রযুক্তির যাত্রা

2026.07 02 10 Spreeha 3

প্রথম দিকে স্পৃহার কাজ ছিল সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। তবে মাঠপর্যায়ে কাজ করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বুঝতে পারে, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা শুধু চিকিৎসকের ঘাটতি নয়। রোগীরা প্রায়ই মানসম্মত চিকিৎসা, নিরাপদ ওষুধ, নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা এবং ধারাবাহিক স্বাস্থ্যতথ্যের অভাবে ভোগেন। এই বাস্তবতা থেকেই স্পৃহার নতুন পথচলা শুরু।

আজ স্পৃহা এমন একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলছে, যেখানে একজন রোগী একই প্ল্যাটফর্মে চিকিৎসক, ওষুধ, ডায়াগনস্টিক সেবা এবং ডিজিটাল স্বাস্থ্যরেকর্ডের সুবিধা পান। বর্তমানে বাংলাদেশের একাধিক জেলায় তাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থানীয় কমিউনিটি স্বাস্থ্য উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এসব কেন্দ্র শুধু অসুস্থতার চিকিৎসাই নয়, বরং মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনা এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপরও গুরুত্ব দেয়।
গত কয়েক বছরে স্পৃহা স্বাস্থ্য প্রযুক্তিকে তাদের কাজের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। ডিজিটাল স্বাস্থ্যরেকর্ড, ইলেকট্রনিক প্রেসক্রিপশন, টেলিমেডিসিন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক ক্লিনিক্যাল সহায়তা ব্যবস্থার মাধ্যমে তারা এমন একটি হেলথ ইকোসিস্টেম তৈরি করতে চায়, যেখানে রোগীদের চিকিৎসা আরও নিরাপদ, দ্রুত এবং কার্যকর হয়।

মানুষের কাছে পৌঁছানোর আরেক নাম: কমিউনিটি হেলথ ক্যাম্প

বাংলাদেশের বহু মানুষ এখনও নিয়মিত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে পারেন না। কর্মব্যস্ততা, দূরত্ব, আর্থিক সীমাবদ্ধতা কিংবা সচেতনতার অভাব তাদের স্বাস্থ্যসেবা থেকে দূরে রাখে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্পৃহা নিয়মিত কমিউনিটি হেলথ ক্যাম্প আয়োজন করে। এসব ক্যাম্প এ শিবিরে সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবা, ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম এবং বিভিন্ন স্ক্রিনিং সেবা দেওয়া হয়। স্পৃহার দর্শন খুবই সরল—মানুষ স্বাস্থ্যসেবার কাছে না এলে, স্বাস্থ্যসেবাকেই মানুষের কাছে যেতে হবে।

দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগঃ ভিশন কেয়ার প্রোগ্রাম

2026.07 02 10 Spreeha 2

স্পৃহার সবচেয়ে প্রভাবশালী কর্মসূচিগুলোর একটি হলো তাদের ভিশন কেয়ার প্রোগ্রাম। বাংলাদেশে এখনও অসংখ্য মানুষ প্রতিরোধযোগ্য বা চিকিৎসাযোগ্য চক্ষুরোগে ভোগেন। সময়মতো শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার অভাবে অনেকেই অন্ধত্বের ঝুঁকিতে থাকেন। এই সমস্যার সমাধানে স্পৃহা বিভিন্ন পার্টনার হাসপাতালের সহযোগিতায় বিনামূল্যে চোখের পরীক্ষা, চশমা বিতরণ এবং ছানি অপারেশনের ব্যবস্থা করছে।

এ পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ মানুষ এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেবা পেয়েছেন। আর ছানি অপারেশন করেছেন পঁয়তাল্লিশ হাজার মানুষ। একজন প্রবীণ মানুষ যখন আবার নিজের পরিবারের মুখ দেখতে পারেন, কিংবা একজন শিশু যখন প্রথমবারের মতো পরিষ্কারভাবে ব্ল্যাকবোর্ড দেখতে পারে, তখন সেই পরিবর্তনের প্রভাব কোনো পরিসংখ্যান দিয়ে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা যায় না। হাজারো ছানি অপারেশন বদলে দিয়েছে হাজারো পরিবারের জীবনযাত্রা।

সরকারের সঙ্গে অংশীদারত্বে জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন

2026.07 02 10 Spreeha 5

স্পৃহার কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো সরকারি ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়। বাংলাদেশ সরকারের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI)-এর অংশ হিসেবে স্পৃহার বিভিন্ন কেন্দ্র নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে নারী ও শিশুরা নিজেদের এলাকার কাছেই প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারছেন।

একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিজেদের উদ্ভাবিত ডিজিটাল স্বাস্থ্য প্ল্যাটফর্ম “স্নেহ” এর পাইলট কার্যক্রমও পরিচালনা করছে। এই প্রযুক্তি স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবস্থাপনা, রোগীসেবা এবং চিকিৎসকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

স্পৃহার বিশ্বাস, দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন তখনই সম্ভব যখন সামাজিক উদ্যোগ ও সরকারি ব্যবস্থা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

স্বাস্থ্যব্যবস্থার উপেক্ষিত স্তরে কাজ

2026.07 02 10 Spreeha 4

বাংলাদেশে অসংখ্য মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রথম দরজা হলো পাড়ার ফার্মেসি। কিন্তু অনেক সময় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাবে ভুল পরামর্শ, অপ্রয়োজনীয় ওষুধ ব্যবহার এবং অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার দেখা যায়। এই বাস্তবতা পরিবর্তনের জন্য স্পৃহা ফার্মেসি পরিবর্ধন কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা, দায়িত্বশীল ওষুধ ব্যবহার এবং মানসম্মত রেফারেল ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় ফার্মেসিগুলোকে আরও কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা সহযোগীতে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করছে। কারণ স্পৃহার অভিজ্ঞতা বলছে, শুধু হাসপাতাল নয়— পুরো স্বাস্থ্যসেবা শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করলেই টেকসই পরিবর্তন সম্ভব।

প্রবাসীদের সংগঠন, প্রবাসেও কাজ

2026.07 02 10 Spreeha 1

স্পৃহার শিকড় বাংলাদেশে হলেও এর শক্তি ছড়িয়ে আছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। বিশেষ করে সিয়াটল এবং ডালাসে স্পৃহার স্থানীয় চ্যাপ্টারগুলো দীর্ঘদিন ধরে কমিউনিটি-ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। স্থানীয় ফুড ড্রাইভ, শীতবস্ত্র বিতরণ, পরিবার সহায়তা কর্মসূচি এবং বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা নিজ নিজ কমিউনিটিতেও ইতিবাচক প্রভাব রাখছে। একই সঙ্গে এসব চ্যাপ্টার বাংলাদেশে পরিচালিত স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য তহবিল সংগ্রহ, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নতুন স্বেচ্ছাসেবকদের সম্পৃক্ত করার কাজ করে। এই কারণেই স্পৃহা শুধু বাংলাদেশের জন্য কাজ করা একটি প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি বৈশ্বিক বাংলাদেশি কমিউনিটি।

আস্থা, জবাবদিহিতা এবং স্বচ্ছতা

যে কোনো অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানুষের আস্থা। স্পৃহা নিয়মিত বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে তাদের কার্যক্রম, প্রভাব, আর্থিক তথ্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত অলাভজনক সংস্থা হিসেবে তাদের আর্থিক নথিপত্রও জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এই স্বচ্ছতাই প্রবাসী বাংলাদেশি, আন্তর্জাতিক ডোনার এবং অংশীদারদের কাছে স্পৃহাকে একটি বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আপনি কীভাবে যুক্ত হতে পারেন?

স্পৃহার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য চিকিৎসক, প্রযুক্তিবিদ বা বড় অঙ্কের দাতা হওয়া জরুরি নয়। আপনি স্বেচ্ছাসেবক হতে পারেন, স্থানীয় চ্যাপ্টারের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন, অনলাইন প্রচারণায় অংশ নিতে পারেন, তহবিল সংগ্রহ কার্যক্রম আয়োজন করতে পারেন কিংবা নিয়মিত অনুদানের মাধ্যমে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, হেলথ ক্যাম্প বা চক্ষুস্বাস্থ্য কর্মসূচির পাশে দাঁড়াতে পারেন। কারণ পরিবর্তন সবসময় বড় কিছু দিয়ে শুরু হয় না। অনেক সময় তা শুরু হয় একজন মানুষের কয়েক ঘণ্টা সময় দেওয়া, একটি পরিচয় করিয়ে দেওয়া কিংবা একটি ছোট অনুদান থেকে।

শেষ কথা

তাজীন শাদীদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে শুরু হওয়া একটি উদ্যোগ আজ হাজারো মানুষ, স্বেচ্ছাসেবক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং প্রবাসী বাংলাদেশির সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। ২০০৭ সালের একটি ছোট মোবাইল ক্লিনিক থেকে শুরু হওয়া যাত্রা আজ কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্বাস্থ্য প্রযুক্তি, চক্ষু সেবা, ফার্মেসি পরিবর্ধন এবং সরকারি অংশীদারত্বভিত্তিক জনস্বাস্থ্য উদ্যোগে বিস্তৃত। হয়তো এ কারণেই স্পৃহার গল্প আলাদা।

এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে প্রবাস জীবন মানেই শিকড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া নয়। বরং পৃথিবীর অন্য প্রান্তে বসেও নিজের দেশের মানুষের জীবনে অর্থবহ পরিবর্তন আনা সম্ভব। আর সেই কারণেই স্পৃহা শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়—এটি দায়িত্ব, আস্থা এবং সম্মিলিত মানবিকতার একটি গল্প।

স্পৃহার সঙ্গে যুক্ত হতে চান?

 

৭ জুলাই, ২০২৬


ঢাকা, বাংলাদেশ

একজন উন্নয়ন কর্মী। স্পৃহা ফাউন্ডেশনের ‘হেড অফ গ্রোথ’। দীর্ঘকাল ধরে তিনি জনস্বাস্থ্য ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে অলাভজনক খাতের বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রজেক্টে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন।


Previous
Next

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

প্রকাশিত সকল লেখা ও মতামতের দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখকের,
এর জন্য ‘পড়শী’ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।