বাড়িটা

Post Views: 25

এখানে যে নতুন বাড়িটা দেখছেন, তার সাথে আমার তেমন কোন সম্পর্ক নেই।
কিন্তু, বাড়িটার নিচে চাপা পরে থাকা মাটিটার সাথে সখ্যতা আমার বেশ পুরোনো।
বহুকাল আগে ওই মাটিটার ওপর আরেকটা ছোট্ট বাড়ি ছিলো
সাদাসিধে, জীর্ণ ওই বাড়িটায় ছিল আমার বাস।

দেয়াল জুড়ে বৃষ্টির নোনা দাগ, যত্রতত্র টিকটিকির বিচরণ অবাধ
কার্নিশ জুড়ে ধূলার রাজত্বে ছিল মাকড়সার সংসার।
শুকিয়ে যাওয়া নদীর মতো চিকন ফাটল দেয়ালের গায়
ভেন্টিলেটর এর চৌকোনা রন্ধ্র দিয়ে শীত বা গ্রীষ্মের নিঃশব্দ অভিযান।
শব্দ করা জানালার কপাটে নারকেল পাতার মিছিলে রোদের উৎপাত
কমে আসা বিকেলের আলোতে ছায়াদের ভৌতিক মার্চপাস্ট।

ওদের সবার সাথে হতো কথা প্রতিদিন কতবার –
জানাতাম নিজের নিষিদ্ধ গোপন ইচ্ছের সমাহার!
অথচ, ওদেরকে না বলে শুরু হলো একদিন অসম প্রেম আমার –
সকল পিছুডাক করে উপেক্ষা জিতে যাবার দৌড়ে লেখালাম নাম।

দূরের কোন এক বাড়ির জানালায় বসে অনেকদিন পর বিভ্রান্ত পথিকের মতো
ঝাপসা চোখে জানলাম, জিতে যাওয়া আমি হারিয়েছি স্মৃতিগুলো কবিতার খাতায়।

৭ জুলাই, ২০২৬


পোর্টল্যান্ড, ওরেগান, যুক্তরাষ্ট্র

প্রকৌশলী, কবি, লেখক এবং সংগঠক। দ্বিতীয় প্রজন্মের বাঙালি শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত “সৃজন পাঠশালা”র কাজে তার অবসর কাটে।


Previous
Next

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

প্রকাশিত সকল লেখা ও মতামতের দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখকের,
এর জন্য ‘পড়শী’ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।