প্রেক্ষাগৃহের রুপালী সময় : একে একে নিভে যাওয়া আলো

ওমর কায়সার
May 17, 2026
10 views
31 mins read

চট্টগ্রামের শহরটা একসময় শুধু বন্দর, পাহাড় আর সমুদ্রের জন্যই বিখ্যাত ছিল না— ছিল তার সিনেমা হলগুলোর জন্যও। সন্ধ্যা নামলেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে আলো জ্বলে উঠত, আর সেই আলো যেন মানুষকে টেনে নিয়ে যেত এক অদ্ভুত মায়াবী জগতে। আজ সেই আলোগুলো একে একে নিভে গেছে। ২০২৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রামে সিনেমা প্যালেস ও আলমাস সিনেমা হল মুমূর্ষু অবস্থায় নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করছিল। এই দুটোর মধ্যে এ বছর আলমাস সিনেমা হলের পতন হলো। এখন নতুন স্থাপনা উঠবে। উন্নয়নের বলী এই সিনেমাহলটির ধ্বংসের ভেতর দিয়ে চট্টগ্রামের একটি ঐতিহ্যেরই যেন অবসান হলো। দামপাড়া আলমাস সিনেমার মোড় এখন শুধু মানুষের কথা থাকবে হয়তো। কিন্তু বাস্তবে আর দেখা যাবে না। এখন সেদিকে চোখ পড়লেই দেখা যায় ভাঙা ইট পাথর, লোহা আর ধুলোর ধ্বংসস্তূপ। কার্যকারণে প্রতিদিন আমাকে এই পথ দিয়ে নিজ কার্যালয়ে যেতে হয়। আর চোখে পড়ে আলমাস সিনেমার ধ্বংসস্তূপ। চোখ ভিজে আসে। এখন আমাদের স্মৃতির ভেতরেই জেগে আছে রঙ্গম, খুরশিদ মহল, আলমাস, দিনার, নূপুর, জলসা, লায়ন, বনানী, উজালা, উপহার — আরও কত নাম।

একটা সময় ছিল, সিনেমা মানেই ছিল উৎসব। শুক্রবার নতুন ছবি মুক্তি পাবে— এই একটা দিনকে ঘিরেই যেন সপ্তাহজুড়ে উত্তেজনা জমে থাকত। টিকিটের জন্য লাইন, পোস্টারের সামনে ভিড়, নায়ক-নায়িকার ছবি দেখে গল্প কল্পনা করা— সব মিলিয়ে এক ধরনের সামাজিক অভিজ্ঞতা। পরিবার, বন্ধু, প্রেম— সবকিছুরই এক মিলনস্থল ছিল এই সিনেমা হলগুলো।

চট্টগ্রামের সিনেমা ইতিহাসে রঙ্গম আর খুরশিদ মহলের কথা আলাদা করে বলতেই হয়। শহরের বুকে কয়েকশ গজের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকা এই দুটি হল কখনো খালি যেত না। একটিতে ছবি শেষ হলে অন্যটিতে ঢুকে পড়ার পরিকল্পনাও করত অনেকে। রঙ্গমের পুরোনো স্থাপত্য, খুরশিদ মহলের ব্যস্ততা— এই দুইয়ের ভেতরেই লুকিয়ে ছিল এক সময়ের শহুরে জীবনের স্পন্দন।

তারপর এলো আলমাস সিনেমা। পাকিস্তান আমলে নির্মিত এই হল ছিল আধুনিকতার প্রতীক। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, পরিপাটি আসন, আর এক ধরনের আভিজাত্য— যা সেই সময়ের দর্শকদের জন্য ছিল একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা। আলমাসের ভেতরে ছিল আরেকটি অংশ— দিনার হল। সেখানে নিয়মিত ইংরেজি ছবি চলত। যারা একটু ভিন্নধর্মী সিনেমা দেখতে চাইতেন, তাদের জন্য দিনার ছিল এক বিশেষ জায়গা।

কিন্তু সময়ের নির্মম চাকা থেমে থাকে না। একে একে বন্ধ হয়ে গেছে এই সব হল। সর্বশেষ বলি হয়ে গেল আলমাস। শহরের বুক থেকে মুছে গেল এক আধুনিকতার স্মারক, এক সময়ের গর্ব।

একসময়ের চট্টগ্রামের বিখ্যাত আলমাস সিনেমা হলের অন্তিমদশা।

এখনো কোনোভাবে টিকে আছে ‘সিনেমা প্যালেস’। তবে তার অবস্থা করুণ, প্রায় মৃতপ্রায়। অথচ এই হলই আমার জীবনের প্রথম সিনেমা দেখার জায়গা। ছবির নাম ছিল ‘সুতরাং’। কবরী আর সুভাষ দত্তের সেই ছবির দৃশ্যগুলো এখনো চোখে ভাসে। অন্ধকার হলঘরে বসে পর্দার দিকে তাকিয়ে থাকা ছোট্ট আমি— সেই বিস্ময়, সেই মুগ্ধতা আজও ভুলতে পারিনি।

স্মৃতির খাতায় আরও কত ছবি জমে আছে। প্রতি শুক্রবার নতুন ছবি শুরু হতো— আমাদের উত্তেজনার সীমা থাকত না। ‘উজালা’ সিনেমা হলে ‘অবুঝ মন’ নামে একটি ছবি টানা দেড় বছর চলেছিল— এ যেন এক রেকর্ড। একই ছবি বারবার দেখতে যেত মানুষ, যেন গল্পটা শেষ হতে দিতে চাইত না।

তাহলে কেন হারিয়ে গেল এই সিনেমা হলগুলো? কারণ অনেক। টেলিভিশনের আগমন, পরে স্যাটেলাইট চ্যানেল, তারপর ইন্টারনেট আর স্মার্টফোন— সব মিলিয়ে মানুষের বিনোদনের ধরন বদলে গেছে। হলগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, নিরাপত্তা সংকট, মানসম্মত ছবির ঘাটতি— সবকিছু মিলে ধীরে ধীরে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। আর মালিকদের কাছে জমির মূল্য হয়ে উঠেছে সিনেমার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তবু প্রশ্নটা থেকে যায়— সবকিছু কি সত্যিই শেষ হয়ে গেছে?

মনে পড়ে, শুক্রবার এলেই আমরা বন্ধুরা মিলে পরিকল্পনা করতাম— কে কোথায় বসবে, আগে টিকিট কে কাটবে, বিরতিতে কী খাওয়া হবে। কখনো আবার পরিবারের সবাই মিলে সঞ্চয় করা টাকায় একদিন সিনেমা দেখতে যাওয়া—সেই আনন্দের কোনো তুলনা হয় না।

আজ শহরে নতুন করে দু-একটা সিনেপ্লেক্স গড়ে উঠছে। আধুনিক, ঝকঝকে, আরামদায়ক। কিন্তু সেই পুরোনো দিনের গন্ধ কি সেখানে আছে? হয়তো নেই। তবু কোথাও একটা আশা জেগে থাকে— হয়তো নতুন প্রজন্ম আবার সিনেমা হলে ফিরবে, আবার আলো জ্বলবে, আবার পর্দায় ভেসে উঠবে গল্প, আর আমরা আবার একসঙ্গে বসে হাসব, কাঁদব।

হয়তো সেই হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো পুরোপুরি ফিরে আসবে না। কিন্তু স্মৃতির ভেতর তারা অমর— চট্টগ্রামের সিনেমা হলগুলোর মতোই, নিভে গিয়েও যে আলো ছড়িয়ে যায় অনেক দূর পর্যন্ত।

যদি আমরা সিনেমা হলগুলো হারিয়ে যাওয়ার কারণ ছিল সিনেমা হলের বিকল্প তৈরি হয়ে যাওয়া। বিকাশমান প্রযুক্তির দ্রুত উল্লম্ফনে মানুষ ঘরে বসেই সিনেমা দেখার পথ তৈরি হলো। অনেকে এই যুক্তি মানেন না। তারা বলেন, সারা পৃথিবীতে এই ব্যবস্থা তৈরি হয়েছে। তাই বলে পাশের দেশ ভারতে তো সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতো বন্ধ হয়ে যায়নি।

যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের সিনেমার পরিবর্তন হয়নি। তারা মানুষের চাহিদা বুঝতে পারেনি। সিনেমাহলের যুগের শেষ দিকে এমন সব বাংলা চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে যেগুলো রুচি আর মানের দিক থেকে খুবই নিম্নমানের বলে অনেকেই মত পোষণ করেছেন। সিনেমাগুলো এমন পরিবেশ তৈরি করল, যেখানে পরিবার পরিজন নিয়ে যাওয়া যেত না। তা ছাড়া সিনেমাহল গুলোও যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে পারল না। সিনেমা দেখার তিক্ত অভিজ্ঞতার  কথা বর্ণনা করলেন চলচ্চিত্র বিষয়ের লেখক ও গবেষক আনোয়ার হোসেন পিন্টু। তিনি বললেন, ‘গুদাম ঘরে বসে কি সিনেমা দেখা যায়? ভাঙা চেয়ারে ছারপোকার কামড় খেতে খেতে গুমোট পরিবেশে দরদর করে ঘামতে ঘামতে সিনেমা দেখা যায় না। প্রজেকশনও ভালো নয়। পর্দাটা একেবারে অন্ধকার। আয়নাবাজি দেখতে গিয়ে হলের ভেতর আধঘণ্টা টিকে ছিলাম। তারপর ঘেমে-নেয়ে বেরিয়ে এসেছি।’ প্রায় অর্ধশতাব্দী কালের পুরোনো যে সিনেমা হলের দুরবস্থার কথা তিনি জানালেন, সেই আলমাস একসময় দেশের অন্যতম সেরা প্রেক্ষাগৃহ ছিল। এখানে সিনেমা দেখার সুখকর স্মৃতির কথা জানালেন আনোয়ার হোসেন। ১৯৬৭ সালে এই প্রেক্ষাগৃহ উদ্বোধনীর দিন প্রদর্শিত হয়েছিল ক্লিওপেট্রা। পুরো পরিবার মিলে ছবিটি দেখেছিলেন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত সেই হলে ঢুকলেই মিষ্টি একটা গন্ধ পেতেন দর্শকেরা। অথচ সেই অত্যাধুনিক হলটিকে বর্তমান গুদাম ঘরের সঙ্গে তুলনা করতে হচ্ছে। শুধু তো আলমাস সিনেমা নয়, টিকে থাকা একমাত্র হলের অবস্থা এ রকমই।

এ অবস্থায় চট্টগ্রামের সব শ্রেণির দর্শকের একটাই অভিমত— সিনেমা হলে আর কাজ হবে না। সিনেপ্লেক্স না হলে আর চলছে না।

সম্প্রতি দর্শকপ্রিয় ও জনপ্রিয় ধারার সিনেমা তৈরি হচ্ছে আবার, সঙ্গে সঙ্গে সিনেপ্লেক্সের দাবিটাও জোরালো হচ্ছে। আয়নাবাজি মুক্তি পাওয়ার পর দর্শক হলে ভিড় জমিয়েছে। টিকিটের জন্য লাইন ধরেছে। এর আগে মনপুরা ও শিকারি দেখেছে দর্শক। এ দেশের সাধারণ মানুষ সিনেমাপাগল। কারণ আর কোনো বিনোদনের ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের জন্য নেই। ভালো ছবি হলেই দর্শকের আগ্রহ তৈরি হয়। কিন্তু প্রেক্ষাগৃহের দুরবস্থায় সেই আগ্রহ পরক্ষণে উবে যায়।

চট্টগ্রামের মোমিন রোডের বাসিন্দা গৃহবধূ রোকসানা বন্যা সেই কথাই বললেন, ‘বেশ কয়েক বছর আগে আয়নাবাজি দেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু সিনেমা হলের যা অবস্থা শুনলাম, তাতেই আগ্রহটা হারিয়ে গেল।’

অনেকের অবস্থা এ রকম। নন্দনকাননের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী তানভির আহমেদের কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হলো ক্ষোভ—‘আমরা অনেক দিক থেকে পিছিয়ে আছি। একমাত্র টিকে থাকা সিনেমা প্যালেসের সংস্কার করলে অনেক ভালো হয়। পাশাপাশি সিনেপ্লেক্সের জন্য একটি প্রস্তাবও রাখলেন তিনি। বললেন, ‘ডিসি পাহাড়ের শীর্ষে সরকারি কর্মকর্তাদের বাসভবন সরিয়ে সেখানে সরকারি উদ্যোগে সিনেপ্লেক্স তৈরি করা হোক, আধুনিক মিলনায়তন করা হোক। সেই মিলনায়তনে সারা বছর অনুষ্ঠান চলুক। আর নিচের পার্ক সাধারণ মানুষের হাঁটাহাঁটি আর বিশ্রামের জন্য খোলা থাক।’

মানুষের আশা ছিল সিনেপ্লেক্স হলে হয়তো দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়বে। সেটাও তো হলো না। চট্টগ্রামে প্রথম সিনেপ্লেক্স স্থাপিত হয় বিপ্লব উদ্যানের পাশে ফিনলে স্কয়ারে। এটির নাম সিলভার স্ক্রিন। কিন্তু সেটিও এখন দর্শকের সাড়া পেল না। সম্প্রতি দ্বিতীয় আরেকটি সিনেপ্লেক্স চালু হলো চকবাজারের বালি আর্কেড বিপণি কেন্দ্রে। এটির নাম স্টার সিনেপ্লেক্স।

সিনেমা হল কিংবা সিনেপ্লেক্স নিয়ে আফসোস বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া শিক্ষার্থী আর তরুণদের মুখে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র মোশাররফ বলেন, ‘বন্ধুরা মিলে দল বেঁধে সিনেমা দেখতে যেতে পারি না ভালো সিনেমা হল নেই বলে। সিনেপ্লেক্সে টিকিটের দাম বেশি।’

প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীর হারিছের মুখেও একই কথা, ‘চট্টগ্রামে সিনেমার প্রচুর দর্শক রয়েছে। তাঁদের কথা মাথায় রেখে দ্রুত একটি বড় সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করা উচিত। যাতে কম খরচে সবাই সিনেমা দেখতে পারে।’

কথা হলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের চলচ্চিত্র-বিষয়ক শিক্ষক ও চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্রের পরিচালক শৈবাল দাশের সঙ্গে। সিনেপ্লেক্সের প্রয়োজনীয়তার কথাটি তাঁর কাছ থেকে অন্যভাবে এল। আগের দিনের ধাঁচে বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহের প্রয়োজন আছে বলে তিনি মনে করেন না। কেননা তিনি মনে করেন যুগটা এখন সিনেপ্লেক্সের। ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও পরিবর্তনের কারণে আগেকার যুগের মতো বড় আয়তনের সিনেমা হলের এখন আর কোনো প্রয়োজন নেই। এখন প্রয়োজন আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন উন্নতমানের মাল্টি সিনেপ্লেক্স, যেখানে কয়েকটি প্রেক্ষাগৃহ থাকবে এবং একই সঙ্গে কয়েকটি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে।’ তিনি আক্ষেপ করে বললেন, ‘চট্টগ্রাম শহরে পাঁচতারকা মানের হোটেল আছে। উন্নত মানের আধুনিক শপিং মলও আছে। কিন্তু পর্যাপ্ত সিনেপ্লেক্স নেই। এ যুগে সিনেপ্লেক্স ছাড়া আধুনিক শপিং মল অচল। একটা আরেকটার বিকল্প।’ চট্টগ্রাম শহরে যে কটি আধুনিক শপিং মল রয়েছে, সেগুলোর ছাদে খুব সহজেই সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করা যায় বলে তিনি জানান।

শৈবাল বললেন, ‘বাংলাদেশের প্রথম এবং বৃহত্তর সিনেপ্লেক্সের মালিক চট্টগ্রামের লোক। কিন্তু খুব দুঃখের বিষয় তিনি নিজের শহরে কোনো উদ্যোগ নেননি।’ চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ছে। সরকারি অনুদান দিয়ে সিনেমা বানিয়ে, বছর বছর পুরস্কারসহ কত উদ্যোগ দেখছি। কিন্তু কাজের কাজ যেটি তার দিকে কারও নজর নেই। সিনেমা দেখার উপযুক্ত পরিবেশ আমরা তৈরি করতে পারছি না। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ নগরে পর্যাপ্ত সিনেপ্লেক্স নেই, সেখানে সারা দেশের অবস্থা কী, সেটি অনায়াসে কল্পনা করা যায়। কিন্তু সিনেমাশিল্পের পেশাদারির সঙ্গে এই অবস্থা একেবারেই বেমানান। দুর্বল বিপণনব্যবস্থায় কোনো শিল্পই তো মাথা তুলে দাঁড়াত পারে না। সিনেমার বিপণন মানে এর প্রদর্শনের ভালো ব্যবস্থা। আর বর্তমানে সিনেমার ভালো এবং দর্শক বান্ধব প্রদর্শন হতে পারে উন্নতমানের সিনেপ্লেক্স। সেটি যুগের দাবি। যদি সেই দাবি আমরা পূরণ করতে না পারি, তবে আমরা কেবল পিছিয়েই থাকব।

শিশু আর তরুণদের সর্বনাশের জন্য মাদক আর ইন্টারনেটের নানা ফাঁদ ছড়িয়ে আছে চারপাশে। সেই ফাঁদ থেকে তাদের দূরে রাখতে হবে। সিনেপ্লেক্সের মতো সুস্থ বিনোদনের বিকল্প পথ যতই তৈরি হবে ততই মরণনেশার পথ সংকুচিত হবে।


ওমর কায়সার | চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

কবি ও সাংবাদিক।


Leave a Reply

Your email address will not be published.

Previous Story

শতবর্ষে পুডভকিনের ‘মাদার’

Next Story

বাংলা সিনেমার বিবর্তন ও কিছু কথা

Latest from রূপালি ফিতার গল্প

চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল-এর সাথে পড়শীর একান্ত সাক্ষাৎকার

তানভীর মোকাম্মেল কাহিনী ও প্রামাণ্যচিত্র মিলিয়ে মোট চব্বিশটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তানভীর ... সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ড. জাকিয়া আফরিন।

রূপালী পর্দার বিবর্তন

লুমিয়ের ভ্রাতৃদ্বয় প্যারিসে বাণিজ্যিকভাবে বায়োস্কোপ প্রদর্শনী শুরু করেন ১৮৯৫ সালের ২৮শে ডিসেম্বর। ... লিখেছেন কুবলেশ্বর ত্রিপুরা।

উচিৎ সাজা

এই শহরে এক সিনেমা হল ছিলো প্রায় ২০টির মতো। ভাঙাভাঙির পর আজ এসে দাঁড়িয়েছে একটিতে। ... লিখেছেন অনোয়ার হোসেন পিন্টু।

শতবর্ষে পুডভকিনের ‘মাদার’

চলচ্চিত্রের প্রথম তিন দশকে এমন কিছু কালজয়ী চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছিল, যেগুলো সর্বকালের সেরা চলচ্চিত্রের মর্যাদা পেয়ে গেছে। ... লিখেছেন শৈবাল চৌধুরী।