পড়শী সমসাময়িক বিষয় গ্রীষ্মের ছুটি: আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের আনন্দমুখর গ্রীষ্মকাল

গ্রীষ্মের ছুটি: আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের আনন্দমুখর গ্রীষ্মকাল

Post Views: 8
10 min read

আমেরিকার গ্রীষ্মকাল সবসময়ই এক বিশেষ আবহ নিয়ে আসে। উজ্জ্বল রোদ, দীর্ঘ দিনের আলো এবং ছুটির আমেজ মিলিয়ে এই সময়টি হয়ে ওঠে পরিবার ও কমিউনিটির সঙ্গে নতুনভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ। বিশেষ করে নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য গ্রীষ্মের ছুটি একদিকে যেমন বিনোদনের সময়, অন্যদিকে তেমনি এটি হয়ে ওঠে সাংস্কৃতিক বন্ধন ও পারিবারিক মিলনের এক অনন্য পর্ব।

গ্রীষ্মের অবকাশকে অনেক বাংলাদেশি পরিবার শুধু বিনোদনের সময় হিসেবে নয়, বরং পেশাগত ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ হিসেবেও ব্যবহার করেন। প্রতি বছরই দেখা যায়, অনেকে বিভিন্ন স্টেটসহ দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত দেশীয় সম্মেলন, যেমন বঙ্গসম্মেলন বা ফোবানা’র মত অথবা কর্পোরেট কনফারেন্স বা পেশাগত সমাবেশে যোগ দিতে ভ্রমণে বের হন। এসব সফরে তারা গন্তব্যস্থলের আকর্ষণীয় স্থান, ঐতিহাসিক নিদর্শন এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও ঘুরে দেখেন। ফলে গ্রীষ্মের ছুটি হয়ে ওঠে কাজ, অভিজ্ঞতা ও ভ্রমণের এক সমন্বিত আনন্দযাত্রা।

তবে গ্রীষ্মের ছুটিতে বাংলাদেশি পরিবারগুলোর সবচেয়ে জনপ্রিয় আয়োজন হলো পারিবারিক আউটিং। নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড এবং ওয়েস্টচেস্টার অথবা কানেক্টিকাট ও পেনসিলভানিয়ার বিভিন্ন ন্যাশনাল-পার্কে অথবা লেক বা সমুদ্র সৈকতের সন্নিকটে সপ্তাহান্তে দেখা যায় বড় বড় পরিবার একত্রিত হয়ে পিকনিক করছে। বাংলাদেশী বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন অথবা পেশাজীবি এসোসিয়েশনগুলো এই ধরণের বাৎসরিক পিকনিকের আয়োজন করে থাকেন তাদের সদস্যদের মধ্যে সখ্যতা এবং বন্ধুত্ত দৃঢ় করার অভিপ্রায়ে। সুস্বাদু দেশী খাবার এবং আমেরিকান স্টাইলে বারবিকিউ করা তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি মুখরচরক খাবার ও ঘরোয়া খাবার, আড্ডা, খেলাধুলা এবং বাচ্চাদের দৌড়ঝাঁপ—সব মিলিয়ে পার্কগুলো যেন ছোট্ট বাংলাদেশে পরিণত হয়। একইভাবে সমুদ্রসৈকতও হয়ে ওঠে বাংলাদেশিদের প্রিয় গন্তব্য। লং বিচ, জোন্স বিচ বা রবার্ট মোজেস বিচে সাঁতার, রোদ পোহানো এবং বাচ্চাদের স্যান্ডক্যাসেল বানানো গ্রীষ্মের আনন্দকে আরও রঙিন করে তোলে।

গ্রীষ্মকাল বাংলাদেশি কমিউনিটির সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেরও ব্যস্ত সময়। বিভিন্ন সংগঠন আয়োজন করে বাংলা মেলা, বইমেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফুড ফেস্টিভ্যাল এবং কমিউনিটি অ্যাওয়ার্ড নাইট– যেমন লং আইল্যান্ডের আইজেনহাওয়ার পার্কে প্রতিবছর আয়োজিত হয় বাংলাদেশি–আমেরিকান নাইট, যা এখন কমিউনিটির অন্যতম জনপ্রিয় গ্রীষ্মকালীন মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। লেকের পাড়ে পড়ন্ত বিকেলের মৃদু বাতাস, চারপাশের সবুজ গাছপালা এবং খোলা আকাশের নিচে শত শত বাংলাদেশির সমাগম— সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে এক প্রাণবন্ত ওপেন-এয়ার কনসার্ট। এখানে ঝালমুড়ি, ছোলাভাজা, চটপটি থেকে শুরু করে কাচ্চি বিরিয়ানি, চিকেন বিরিয়ানি, দেশি চা, মেঙ্গো লাচ্ছি ও আইসক্রিমসহ নানা মুখরোচক খাবারের আয়োজন থাকে। গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় এই আয়োজন শুধু বিনোদনই নয়, বরং কমিউনিটির সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। এসব অনুষ্ঠানে গান, নাচ, কবিতা ও নাটকের সমন্বয়ে তৈরি হয় প্রাণবন্ত পরিবেশ, যা নতুন প্রজন্মকে বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত রাখে।

এসবের পাশাপাশি অনেক পরিবার গ্রীষ্মের ছুটিতে দেশ-বিদেশে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে। অনেকে গ্রীষ্মের ছুটিতে সপরিবারে বাংলাদেশে ভ্রমণ করেন। তবে উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত অধিকাংশ বাংলাদেশি গ্রীষ্মের পরিবর্তে শীতকালকে বাংলাদেশ ভ্রমণের জন্য বেশি উপযোগী মনে করেন। ডিসেম্বর বা জানুয়ারির দিকে দেশে গেলে আবহাওয়া আরামদায়ক থাকে, বিভিন্ন উৎসব ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগও বেশি থাকে। ফলে শীতকালীন বাংলাদেশ ভ্রমণ তাদের জন্য হয়ে ওঠে আরও স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় অভিজ্ঞতা।

স্থানীয়ভাবে আমেরিকার অনেক দর্শনীয় স্থানে পরিবার ও বন্ধু-বান্ধবসহ বাংলাদেশিরা ভ্রমণ করেন, যেমন নায়াগ্রা ফলস, ওয়াশিংটন ডিসি, অরল্যান্ডোর ওয়াল্ট-ডিজনি’র থিম পার্ক বা ওয়েস্ট কোস্টের উপকূলের বিভিন্ন শহর— এসব জায়গায় ভ্রমণ পরিবারকে আরও কাছাকাছি আনে।

বাচ্চাদের জন্য গ্রীষ্মকাল মানে নতুন কিছু শেখার সুযোগ। বিভিন্ন সামার ক্যাম্পে অংশ নিয়ে তারা খেলাধুলা, শিল্পকলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করে। অন্যদিকে অনেক বাংলাদেশি পরিবার ঘরোয়া শখে সময় দেন—বাগান করা, সবজি চাষ বা আউটডোর কুকিং— এসবই গ্রীষ্মের দিনগুলোকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। টমেটো, মরিচ, লাউ বা ধনেপাতার সবুজে বাড়ির উঠোন যেন গ্রামবাংলার স্মৃতি ফিরিয়ে আনে।

গ্রীষ্মের দীর্ঘ দিন স্বাস্থ্য সচেতনতারও সুযোগ তৈরি করে। হাঁটা, দৌড়, সাইকেল চালানো বা পার্কে সকালের ব্যায়াম এখন বাংলাদেশিদের একটি জনপ্রিয় অভ্যাস। পাশাপাশি মসজিদ ও কমিউনিটি সেন্টারগুলোতে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডও সক্রিয় থাকে। যুব নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, কুরআন ক্লাস এবং কমিউনিটি সার্ভিসের মতো আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল ও সমাজমুখী হতে সাহায্য করে।

অনেকেই গ্রীষ্মের ছুটিতে দূরের গন্তব্যে না গিয়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টার ফ্লাইট দূরত্বে অবস্থিত জায়গাগুলোতে কয়েক দিনের জন্য ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন। ইস্ট কোস্ট থেকে বাহামাস, পুয়ের্তো রিকো, ফ্লোরিডার বিভিন্ন শহর, কানাডার আকর্ষণীয় নগরী কিংবা সাম্প্রতিক সময়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা ক্রুজ ভ্রমণের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক ক্যারিবিয়ান গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগও অনেকেই গ্রহণ করেন। পার্ল হারবার, সেন্ট মার্টিন, মেক্সিকো, বাহামাস, ডমিনিকান রিপাবলিক, কলম্বিয়া—এসব জায়গায় ভ্রমণ উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের মধ্যে বিশেষ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

আমেরিকার পঞ্চাশটি অঙ্গরাজ্যে ভ্রমণের জন্য গন্তব্যের কোনো অভাব নেই। সময় ও সামর্থ অনুযায়ী হাওয়াই, ভ্যানকুভার, গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, অ্যান্টিলোপ ক্যানিয়ন, কলোরাডো স্প্রিংস, ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্ক কিংবা সান ডিয়েগো থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস বা লেগুনা বিচ পর্যন্ত উপকূলীয় শহরগুলোতে ভ্রমণ করা যেমন মনোমুগ্ধকর, তেমনি আনন্দদায়ক। বিশেষ করে ক্যালিফোর্নিয়ার সিনিক কোস্টাল ড্রাইভ ভ্রমণকারীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা। সান ফ্রান্সিস্কো, মন্টেরে, কারমেল-বাই-দ্য-সি—এ সব উপকূলীয় শহরের সৌন্দর্য চোখজুড়ানো এবং প্রাণভরানো।

ছোটদের বিনোদনের জন্য যেমন রয়েছে ফ্লোরিডা ও ক্যালিফোর্নিয়ার ডিজনিল্যান্ড, তেমনি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ওয়েস্ট কোস্টে লাস ভেগাস ও রেনো এবং ইস্ট কোস্টে আটলান্টিক সিটি বা মোহিগান সান বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত। এসব স্থানে ক্যাসিনোর পাশাপাশি রয়েছে টক শো, স্ট্যান্ড-আপ কমেডি, বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের লাইভ কনসার্ট, জাদু প্রদর্শনী, ক্যাবারে নৃত্য, নাইটক্লাব এবং ব্র্যান্ডনেম পণ্যের জন্য বিলাসবহুল শপিংয়ের সুযোগ। যদিও এসব বিনোদনে বাংলাদেশিরা সাধারণত খুব বেশি আগ্রহী নন, তবুও অনেকেই অতিরঞ্জন না করে শুধুমাত্র ভ্রমণ অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে এসব জায়গায় ঘুরে দেখেন। ফলে গ্রীষ্মের ছুটি তাদের জন্য হয়ে ওঠে বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতায় ভরপুর এক আনন্দময় সময়।

অধুনা ফেইসবুক বা অন্নান্য কিছু সোশ্যাল মিডিয়াতে নজর দিলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে গ্রীষ্মের ছুটিতে ইউরোপ ভ্রমণ উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন গন্তব্যস্থানের মধ্যে গ্রিসের সান্তোরিনি, ইতালির উপকূলীয় শহরগুলো, রোম, ভেনিস, মিলান, লন্ডন, প্যারিস, এথেন্স, আমস্টারডাম, বার্লিন, প্রাগ, ইস্তাম্বুল, ভিয়েনা, বার্সেলোনা এবং আরও অনেক শহর বিশেষভাবে বাংলাদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করে। এসব শহরের ঐতিহাসিক স্থাপনা, শিল্প-সংস্কৃতি, সমুদ্র উপকূল এবং মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা এনে দেয়।

এছাড়া অনেকেই এখন আরও দূরের গন্তব্যেও ভ্রমণের আগ্রহ দেখাচ্ছেন। নিউ জিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, হংকং, ইন্দোনেশিয়ার বালি, জাপান এবং চীনের বড় বড় শহরগুলোতে ভ্রমণ উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের মধ্যে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এসব ভ্রমণ শুধু বিনোদন নয়, বরং নতুন সংস্কৃতি, নতুন পরিবেশ এবং বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও তৈরি করে।

সংখ্যায় খুব বেশি না হলেও উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের মধ্যে গ্রীষ্মের ছুটিতে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের আগ্রহ ধীরে ধীরে বাড়ছে। কেপ টাউন, সেরেনগেটি ন্যাশনাল পার্ক, মাসাই মারা, পিরামিডস অব গিজা কিংবা মরক্কোর বিভিন্ন শহর— এসব গন্তব্যে তারা প্রকৃতির বৈচিত্র্য ও ইতিহাসের অনন্য রূপ প্রত্যক্ষ করেন। আফ্রিকা ভ্রমণের প্রধান আকর্ষণ হলো বন্যপ্রাণী দেখা এবং মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্যের অভিজ্ঞতা অর্জন করা। সাফারি রাইড এ অভিজ্ঞতার অন্যতম অংশ, যেখানে বিস্তীর্ণ প্রান্তরে মুক্তভাবে বিচরণরত বন্য পশু দেখা যায়। এসব ভ্রমণ বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য হয়ে ওঠে রোমাঞ্চকর ও স্মরণীয় এক অভিজ্ঞতা।
মধ্যপ্রাচ্যের গন্তব্যগুলোর মধ্যেও উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের ভ্রমণ আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে উমরাহ ও হজ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় যাত্রা করেন অনেকেই। পাশাপাশি দুবাই, বাহরাইন, কায়রো, জর্ডান, আবুধাবি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরেও ভ্রমণ করেন তারা। ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এসব দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনা, আধুনিক নগরজীবন এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ঘুরে দেখার সুযোগও গ্রহণ করেন বাংলাদেশি পর্যটকরা।

মধ্যপ্রাচ্যে ভ্রমণের সময় বাংলাদেশি পর্যটকরা মরুভূমির অনন্য অভিজ্ঞতাও উপভোগ করেন। উটের পিঠে চড়া, মরুভূমিতে সাফারি, বালিয়াড়ির ওপর সূর্যাস্ত দেখা—এসব অভিজ্ঞতা তাদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের কিছু বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, আধুনিক নগরায়ন এবং ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির সমন্বয়ও তারা স্বচক্ষে দেখার সুযোগ পান। ফলে ধর্মীয় ভ্রমণের পাশাপাশি এসব সফর হয়ে ওঠে বৈচিত্র্যময় ও স্মরণীয় অভিজ্ঞতায় ভরপুর।

সব মিলিয়ে গ্রীষ্মের ছুটি আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য শুধু বিনোদনের সময় নয়; এটি পরিবার, সংস্কৃতি, কমিউনিটি ও ব্যক্তিগত উন্নতির এক সুন্দর সমন্বয় তৈরি করে। একই সঙ্গে ভ্রমণ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ হওয়ার সুযোগও এনে দেয়। সঠিক পরিকল্পনা, সময় ব্যবস্থাপনা এবং সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে গ্রীষ্মকাল হয়ে উঠতে পারে আনন্দ, সুস্থতা এবং স্মৃতিতে ভরা এক অনন্য সময়, যা বছরের অন্য কোনো ঋতুতে পাওয়া কঠিন।

১ আগস্ট, ২০২৬

লং আইল্যান্ড, নিউইয়র্ক

পেশাগতভাবে একজন ফাইনান্সিয়াল অ্যাডভাইজর। নেশায় লেখক, সম্পাদক, রোটারিয়ান, ফটোগ্রাফার এবং ভ্রমণবিলাসী।


Previous
Next

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

প্রকাশিত সকল লেখা ও মতামতের দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখকের,
এর জন্য ‘পড়শী’ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।