পড়শী চুপ কথা ছিন্ন জিহ্বার পদাবলী

ছিন্ন জিহ্বার পদাবলী

Post Views: 75

(তৃতীয় এবং শেষ পর্ব)

একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুগে এসে ডাক ও খনার বচনের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। আজকের দিনে কৃষকের হাতে রয়েছে ট্রাক্টর, উন্নত রাসায়নিক সার, স্যাটেলাইট নিয়ন্ত্রিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং জিন-পরিবর্তিত বীজ। তাহলে কি খনার বচন আজ মূল্যহীন? খনা বলেছিলেন, ‘ঘন সরিষা পাতলা মশুর।’ আজও কৃষিবিজ্ঞান বলে, মশুর ডাল পাতলা করে না বুনলে গাছে হাওয়া লাগে না এবং ফলন কমে যায়। খনার এই মৌলিক কৃষিজ্ঞান আজও শতভাগ সত্যি। তবে বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রকৃতির নিজস্ব ছন্দ আজ নষ্ট হয়ে গেছে। এখন আষাঢ়-শ্রাবণে বৃষ্টি না হয়ে আশ্বিন মাসে বন্যা হয়। প্রকৃতির এই খামখেয়ালিপনার কারণে খনার অনেক সময়ভিত্তিক বচন এখন আর পুরোপুরি মেলে না। এছাড়া আধুনিক কৃষিতে যন্ত্রের দাপটে এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির পতনের কারণে এই মৌখিক সাহিত্য দ্রুত বিলুপ্ত হচ্ছে। নতুন প্রজন্মের কৃষকরা এখন আর মুখে মুখে বচন মনে রাখে না, তারা স্মার্টফোনে কৃষিতথ্য দেখে। ফলে স্মৃতি-আশ্রিত এই অমূল্য সম্পদ আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে।

প্রাচীন বাংলার অর্থনীতি পুরোপুরি কয়েকটি নির্দিষ্ট ফসলের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এর মধ্যে ধান, কলা, বাঁশ, পান ও সুপারি ছিল প্রধান। ডাক ও খনার বচনে এই ফসলগুলো রোপণ, পরিচর্যা এবং মাটি নির্বাচনের সুস্পষ্ট বৈজ্ঞানিক মাপকাঠি দেওয়া হয়েছে। আধুনিক বোটানি বা উদ্ভিদবিজ্ঞানের সঙ্গে এই বচনগুলোর অদ্ভুত মিল দেখা যায়।

বাঙালির প্রধান খাদ্য ভাত। তাই ধান চাষ নিয়ে খনার বচনে সবচেয়ে বেশি নির্দেশনা পাওয়া যায়। কোন মাসে বীজ বুনলে বা বৃষ্টি হলে ধানের কী অবস্থা হবে, তার নিখুঁত ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিলেন খনা।

‘চৈতে খরা বৈশাখে খরা। জ্যৈষ্ঠেতে ছাঁটকা আষাঢ়েতে ভরা। শস্যের ভারে ভাঙে ধরা।’

এটি ধান চাষের আবহাওয়া বিষয়ক একটি মাস্টারপিস। খনা বলছেন, চৈত্র ও বৈশাখ মাসে রোদ বা খরা থাকা ভাল। জ্যৈষ্ঠ মাসে হালকা বৃষ্টি (ছাঁটকা) প্রয়োজন। আর আষাঢ় মাসে মাঠ জলে ভরে গেলে (ভরা) ধানের ফলন এত ভাল হবে যে, শস্যের ভারে পৃথিবী (ধরা) ভেঙে পড়বে। আষাঢ় মাসে বৃষ্টির জলে ধানের চারা বাড়ে, এটি আধুনিক কৃষিরও মূল কথা।

‘আউশ ধানে চাষ লাগে তিন মাস।’

আউশ ধান হল বাংলার একটি দ্রুত ফলনশীল ধান। খনা নির্দিষ্ট করে বলে দিয়েছেন, আউশ ধান বুনলে তা পাকতে ও ঘরে তুলতে ঠিক তিন মাস বা ৯০ দিন সময় লাগে। কৃষকের সময় ব্যবস্থাপনার জন্য এই বচনটি অত্যন্ত জরুরি ছিল।
কলাগাছ এবং বাঁশঝাড় প্রাচীন গ্রামবাংলার অপরিহার্য অঙ্গ ছিল। ঘর তৈরি থেকে শুরু করে খাবার সব কিছুতেই এদের প্রয়োজন হত।

‘সাত হাত তিন বিঘত, কলা রুবে ঝোপে ঝাড়।’

কলাগাছ কীভাবে লাগাতে হবে, তার নিখুঁত জ্যামিতিক মাপ এখানে দেওয়া হয়েছে। একটি কলাগাছ থেকে আরেকটি কলাগাছের দূরত্ব হতে হবে সাত হাত তিন বিঘত (প্রায় ১২-১৩ ফুট)। যদি এর চেয়ে ঘন করে গাছ লাগানো হয়, তবে গাছের শেকড় ছড়াতে পারবে না। মাটি থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে না। ফলে কলার কাঁদি ছোট হবে বা গাছ মারা যাবে।

‘ডাক দিয়ে বলে মিহিরের স্ত্রী, কলা রুয়ে না কাটবি পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত।’

খনা নিজেকে মিহিরের স্ত্রী বলে পরিচয় দিচ্ছেন। তিনি কৃষকদের সতর্ক করছেন, কলার পাতা যেন না কাটা হয়। উদ্ভিদবিজ্ঞানের ভাষায়, পাতা হল গাছের রান্নাঘর। পাতা কেটে ফেললে সালোকসংশ্লেষ কমে যায়। ফলে ফলের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

‘কাঁচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস।’

বাঁশ যখন কচি বা কাঁচা থাকে, তখন তাকে ইচ্ছেমতো বাঁকানো যায়। কিন্তু পেকে শক্ত হয়ে গেলে তা বাঁকাতে গেলেই ঠাস করে ভেঙে যায়। এটি শুধু কৃষিনীতি নয়, এটি একটি দুর্দান্ত শিশু-মনস্তাত্ত্বিক প্রবাদও বটে। অর্থাৎ, শিশুদের ছোটবেলাতেই শাসন করে সঠিক পথে আনতে হয়, বড় হলে তারা আর অবাধ্যতা ছাড়ে না।

‘বিনা চাষে পান।’

পান বরজে চাষ করা হয়। পানের জন্য নরম, স্যাঁতস্যাঁতে এবং ছায়াযুক্ত মাটির প্রয়োজন। জমিতে লাঙল দিয়ে চাষ করলে পানের লতা ভালভাবে বাড়তে পারে না। তাই পানের জমিতে চাষ দেওয়া নিষিদ্ধ।

‘সুপারি গাছে গোবর দে, ফলন বেশি করে নে।’

সুপারি গাছে নাইট্রোজেন জাতীয় সারের বেশি প্রয়োজন হয়। আর গরুর গোবর হল প্রাকৃতিক নাইট্রোজেনের সবচেয়ে বড় উৎস। রাসায়নিক সার আবিষ্কারের বহু আগে খনা এই জৈব সারের গুরুত্ব বুঝিয়েছিলেন।

খনার বচন নিয়ে আলোচনা করলে খনার জিভ কেটে ফেলার প্রসঙ্গটি আসবেই। সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটি কেবল একটি সাধারণ লোককাহিনি নয়; এর পেছনে লুকিয়ে আছে গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক সংঘাত।

প্রাচীন ও মধ্যযুগের সমাজ ছিল চরম পিতৃতান্ত্রিক। সেই সমাজে একজন নারীর স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করার অধিকার ছিল না। বরাহমিহির ছিলেন রাজসভার পণ্ডিত। আর তাঁর পুত্রবধূ খনা ছিলেন সাধারণ মানুষের ঘরের বউ। খনা যখন তাঁর প্রজ্ঞা ও জ্যোতিষবিদ্যায় শ্বশুরকে ছাপিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন পুরুষতান্ত্রিক সমাজের ইগো বা অহঙ্কারে আঘাত লাগে। খনার জিভ কেটে ফেলার অর্থ হল নারীর কণ্ঠস্বরকে চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়া। সমাজ এটা বোঝাতে চেয়েছিল যে, বুদ্ধি ও জ্ঞানের জগতে নারীর কোনও প্রকাশ্য অধিকার নেই।

বরাহমিহিরের জ্ঞান ছিল সংস্কৃত ভাষায় লেখা পুঁথি বা শাস্ত্রীয় জ্ঞান। এটি ছিল উচ্চবিত্ত ও ব্রাহ্মণদের সম্পত্তি। সাধারণ কৃষক সংস্কৃত পুঁথি বুঝত না। অন্যদিকে খনার জ্ঞান ছিল প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি লোকায়ত জ্ঞান। খনা সাধারণ কৃষকের মুখের ভাষায় (প্রাকৃত বাংলায়) কথা বলতেন। খনার জনপ্রিয়তা এতই বেড়ে গিয়েছিল যে, রাজসভার পণ্ডিতদের অস্তিত্ব সংকটে পড়েছিল। তাই জিভ কাটার রূপকের আড়ালে আসলে শাস্ত্রীয় উচ্চবিত্ত সমাজ লোকায়ত গ্রামীণ জ্ঞানকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল। খনার জিভ কাটা এই শ্রেণি-সংগ্রামের এক মর্মান্তিক প্রতীক।

কী খেতে হবে, কখন খেতে হবে এবং কোন দিনে কী করা যাবে না এ নিয়ে ডাক ও খনার প্রচুর বচন রয়েছে। এগুলোর মধ্যে তৎকালীন স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও জ্যোতিষের মিশ্রণ দেখা যায়।

‘ভরা পেটে ফল, খালি পেটে জল।’

এটি পরিপাকতন্ত্র বা হজমশক্তির জন্য দারুণ নিয়ম। ভরপেট ভাত খাওয়ার পর ফল খেলে ফলের অ্যাসিড হজমে সাহায্য করে। আর সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জল খেলে শরীরের টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। আধুনিক ডায়াটেশিয়ানরাও এই একই কথা বলেন।

‘সকালে শোয় সকালে ওঠে, তার কড়ি না বৈদ্যে লোটে।’

যে মানুষ রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমোয় এবং ভোরে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠে, তার শরীর সুস্থ থাকে। তাকে কোনওদিন বৈদ্য বা ডাক্তারের কাছে টাকা (কড়ি) খরচ করতে হয় না। ইংরেজিতে ‘Early to bed and early to rise…’ প্রবাদটির সঙ্গে এর হুবহু মিল রয়েছে।

‘শনি মঙ্গল বারে, ক্ষৌরকর্ম যেবা করে। তার আয়ু ক্ষয় হয়, খনা এই কথা কয়।’

প্রাচীন সমাজে শনি ও মঙ্গলবারকে অশুভ বা দেবতা রুষ্ট হওয়ার দিন মনে করা হত। তাই এই দিনগুলোতে চুল, দাড়ি বা নখ কাটা (ক্ষৌরকর্ম) নিষিদ্ধ ছিল। এর পেছনে মূলত ধর্মীয় ভয় দেখিয়ে মানুষকে শৃঙ্খলার মধ্যে রাখার একটি মনস্তাত্ত্বিক চেষ্টা কাজ করত।

ডাক ও খনার বচনে প্রসূতি মায়ের স্বাস্থ্য এবং গর্ভস্থ সন্তান ছেলে না মেয়ে হবে তা নিয়ে বেশ কিছু গাণিতিক ও জ্যোতিষীয় বচন রয়েছে।

‘বিজোড়ে কন্যা জোড়ে পুত্র, খনা বলে এই সূত্র।’

সেকালে আল্ট্রাসাউন্ড বা সনোগ্রাফি মেশিন ছিল না। গর্ভবতী মায়ের বয়স এবং গর্ভধারণের মাসের একটি বিশেষ গাণিতিক যোগফল বের করা হত। সেই যোগফল জোড় সংখ্যা হলে পুত্র এবং বিজোড় সংখ্যা হলে কন্যা সন্তান হবে বলে খনা সূত্র দিয়েছিলেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি হয়ত শতভাগ নির্ভুল নয়, কিন্তু প্রাচীন যুগে মানুষের গাণিতিক ও জ্যোতিষীয় কৌতূহলের এটি এক অনন্য দলিল।

একুশ শতকে এসে কৃষিব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন ঘটেছে। এখন কৃষকের হাতে আছে উচ্চ ফলনশীল বীজ, রাসায়নিক সার এবং কৃত্রিম সেচ ব্যবস্থা। তাই খনার অনেক সময়ভিত্তিক বচন আজ আর হুবহু খাটে না। বিশ্ব উষ্ণায়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রকৃতির স্বাভাবিক ছন্দ নষ্ট হয়ে গেছে। আষাঢ়-শ্রাবণে বৃষ্টির বদলে খরা দেখা দিচ্ছে। ফলে খনার আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনেক ক্ষেত্রেই এখন আর মিলছে না। তবুও, ‘খোল মাটি দিলে গাছে, ফলন বাড়ে তার কাছে’— এই ধরনের জৈব কৃষির মৌলিক জ্ঞান আধুনিক যুগে এসে আরও বেশি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। রাসায়নিক সারের কুফল থেকে বাঁচতে মানুষ আজ আবার খনার দেখানো প্রাকৃতিক কৃষিতেই ফিরে যেতে চাইছে।

‘ডাক ও খনার বচন’ কেবল কয়েকটি ছড়া বা প্রবাদ নয়। এগুলো হল প্রাচীন ও মধ্যযুগের কৃষিভিত্তিক বাঙালি সমাজের অলিখিত সংবিধান। হাজার হাজার বছর ধরে সাধারণ খেটে-খাওয়া মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে লড়াই করে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে, বচনগুলো তারই জীবন্ত দলিল। ডাকের বচনে আমরা পেয়েছি সমাজতত্ত্ব, স্বাস্থ্যবিধি এবং মানবচরিত্রের গভীর বিশ্লেষণ। অন্যদিকে খনার বচনে পেয়েছি নিখুঁত কৃষিবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিজ্ঞান, মৃত্তিকা বিজ্ঞান এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস। উচ্চবিত্তের পুঁথিগত জ্ঞানের বিরুদ্ধে লোকায়ত গ্রামীণ জ্ঞানের যে লড়াই খনা করেছিলেন, তা আজও বিস্ময়কর। খনার জিভ কেটে হয়ত সাময়িকভাবে নারীর কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করা হয়েছিল, কিন্তু তাঁর প্রজ্ঞাকে বাংলার সমাজ থেকে মুছে ফেলা যায়নি। আধুনিক যন্ত্রসভ্যতার দাপটে স্মৃতি-আশ্রিত এই মৌখিক সাহিত্য আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে। নতুন প্রজন্মের কৃষকরা আজ স্মার্টফোনে আবহাওয়ার খবর দেখেন। ফলে এই বচনগুলো তাদের কাছে প্রায় অপরিচিত। তাই প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি করে এই অমূল্য সম্পদ সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। এগুলো শুধু কৃষির পাঠ নয়, এগুলো বাঙালির শেকড়ের এবং আত্মপরিচয়ের ইতিহাস।

তথ্যসূত্র ও গ্রন্থপঞ্জি

১. সেন, দীনেশচন্দ্র (১৯৯৩)। বঙ্গভাষা ও সাহিত্য। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স।
২. শহীদুল্লাহ, মুহম্মদ (১৯৫৩)। বাঙ্গালা সাহিত্যের কথা (১ম খণ্ড)। ঢাকা: রেনেসাঁস প্রিন্টার্স।
৩. নওয়াজ, আলি (১৯৮৯)। খনার বচন, কৃষি ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি। ঢাকা: বাংলা একাডেমি।
৪. সেন, সুকুমার (১৯৯৩)। বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস (১ম খণ্ড)। কলকাতা: আনন্দ পাবলিশার্স।
৫. ভট্টাচার্য, পি. এম. (১৯১০)। বৃহৎ খনার বচন। কলকাতা: বেঙ্গল মেডিকেল লাইব্রেরি।
৬. দাস, শ্রীজ্ঞানেন্দ্র মোহন (১৯৩৭)। বাঙ্গালা ভাষার অভিধান। এলাহাবাদ: ইন্ডিয়ান প্রেস লিমিটেড।
৭. চক্রবর্তী, বরুণকুমার (২০০১)। বঙ্গীয় লোকসংস্কৃতি কোষ। কলকাতা: অপর্ণা বুক ডিস্ট্রিবিউটার্স।
৮. ইসলাম, সিরাজুল (প্রধান সম্পাদক) (২০১২)। বাংলাপিডিয়া: জাতীয় জ্ঞানকোষ। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।

২২ এপ্রিল, ২০২৬


সাঁকরাইল (হাওড়া), পশ্চিম বাংলা, ভারত

সাংবাদিক, লেখক, প্রাবন্ধিক, বাচিক শিল্পী।


Previous
Next

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

প্রকাশিত সকল লেখা ও মতামতের দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখকের,
এর জন্য ‘পড়শী’ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।