পড়শী সমসাময়িক বিষয় রবীন্দ্রনাথের শ্রাবণ

রবীন্দ্রনাথের শ্রাবণ

Post Views: 12
11 min read

১।
কবিগুরু প্রয়াত হয়েছেন শ্রাবণে অর্থাৎ বর্ষায়; যে বর্ষা তাঁর জীবনের অনেকটা জুড়ে ছিল। শুধু তাঁর নয়, বাঙালি মধ্যবিত্ত শ্রেণীকেও তিনি প্রভাবিত করেছিলেন তাঁর অনন্ত সৃষ্টিসম্ভার দিয়ে, যেগুলো রচিত হয়েছিল বর্ষাকে নিয়ে।
এ কথা সুবিদিত যে, রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতায় বর্ষা বড় একটি জায়গা দখল করে আছে। তিনি বর্ষা ও বসন্ত ঋতু ভালোবাসতেন বলে এ দু ঋতু নিয়ে প্রচুর গান-কবিতা লিখেছেন।

রবীন্দ্রনাথের জীবনীকার ও কবি এডওয়ার্ড থম্পসনের একটি উক্তি এমন, ‘Rain was to Tagore what the night was to the European Romantics. It released his imagination and gave a voice to his deepest longings for the unseen lover.’

আষাঢ় ও শ্রাবণ দু মাস বর্ষা ঋতু হলেও আষাঢ় ও শ্রাবণের রূপ একই ধরনের নয়, ভিন্ন। আষাঢ়ে ভারী বৃষ্টিপাত হয়। একনাগাড়ে সপ্তাহ-দশদিনও হয়। এতে মাঠঘাট ডুবে যায়, খাল-নদী প্লাবিত হয়ে উপচে পড়ে। নদী ভাসিয়ে নিয়ে যায় ক্ষেতের ফসল, বাড়িঘর, গবাদিপশু। অন্যদিকে শ্রাবণের বৃষ্টি হলো হালকা। ঝিরিঝিরি। এখন হলো তো একটুপর বন্ধও হয়ে গেল। মাঝেমধ্যে রোদ-বৃষ্টির লুকোচুরি খেলাও দেখতে পাওয়া যায়।

এই শ্রাবণ নিয়ে কবিগুরুর বেশকিছু লেখা আছে যেখানে বর্ষার কথা বলতে গিয়ে শ্রাবণের কথাই উঠে এসেছে। শ্রাবণের সে ধারা আষাঢ়ের মতো দুর্ধষ নয়, দু কূলপ্লাবী নয়। সে ধারা যেন প্রার্থনার মতো শান্ত-সৌম্য, ধীর। সে ধারায় তিনি ঈশ্বরের অস্তিত্ব অনুভব করেন। যেমন, ‘গীতিমাল্য’-এ লিখেছেন-

‘শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে
তোমারি সুরটি আমার মুখের ‘পরে, বুকের ‘পরে ॥
পুরবের আলোর সাথে পড়ুক প্রাতে দুই নয়ানে—
নিশীথের অন্ধকারে গভীর ধারে পড়ুক প্রাণে।
নিশিদিন এই জীবনের সুখের ‘পরে দুখের ‘পরে
শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে।
যে শাখায় ফুল ফোটে না, ফল ধরে না একেবারে,
তোমার ওই বাদল-বায়ে দিক জাগায়ে সেই শাখারে।
যা-কিছু জীর্ণ আমার, দীর্ণ আমার, জীবনহারা,
তাহারি স্তরে স্তরে পড়ুক ঝরে সুরের ধারা।
নিশিদিন এই জীবনের তৃষার ‘পরে, ভুখের ‘পরে
শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে ॥’

(গীতিমাল্য)

শান্তিনিকেতন
২৫ ফাল্গুন ১৩২০

‘যা-কিছু জীর্ণ আমার, দীর্ণ আমার, জীবনহারা,
তাহারি স্তরে স্তরে পড়ুক ঝরে সুরের ধারা।
নিশিদিন এই জীবনের তৃষার ‘পরে, ভুখের ‘পরে
শ্রাবণের ধারার মতো পড়ুক ঝরে, পড়ুক ঝরে ॥’

শ্রাবণের ধারা নিয়ে এ লেখা লিখেছেন কিন্তু তাঁর আরেক প্রিয় ঋতু ফাল্গুনে।

তাঁর আরেকটি গান ‘শ্রাবণ-বিদায়’। সেখানে তিনি আভাস দিয়েছেন শ্রাবণের পরে শরতের আগমনকে।
‘শরৎ বলে, যাক-না সময় ভয় কিবা তার-কাটবে বেলা আকাশমাঝে বিনা কাজে অসময়ের খেলা খেলে।’

‘শ্রাবণ তুমি বাতাসে কার আভাস পেলে।
পথে তারি সকল বারি দিলে ঢেলে।
কেয়া কাঁদে, যায় যায় যায়।
কদম ঝরে, হায় হায় হায়।
পুব হাওয়া কয়, ওর তো সময় নাই বাকি আর।
শরৎ বলে, যাক-না সময় ভয় কিবা তার-কাটবে বেলা আকাশমাঝে বিনা কাজে অসময়ের খেলা খেলে।
কালো মেঘের আর কি আছে দিন
ও যে হল সাথিহীন।
পুব হাওয়া কয়, কালোর এবার যাওয়াই ভালো,
শরৎ বলে, গেঁথে দেব কালোয় আলো। সাজবে বাদল আকাশমাঝে
সোনার সাজে
কালিমা ওর মুছে ফেলে।’

অথবা-

‘শ্রাবণ সে যায় চলে পান্থ,
কৃশতনু ক্লান্ত,
উড়ে পড়ে উত্তরী-প্রান্ত
উত্তর-পবনে।
যূথীগুলি সকরুণ গন্ধে
আজি তারে বন্দে,
নীপবন মর্মর ছন্দে
জাগে তার স্তবনে।
শ্যামঘন তমালের কুঞ্জে
পল্লবপুঞ্জে।’

(নটরাজ)

‘আর্তস্বর’ কবিতায় শ্রাবণের অন্য এক রূপ এঁকেছেন তিনি যা ‘গীতিমাল্য’-এর কবিতাটির মতো নয়-

‘শ্রাবণে গভীর নিশি দিগ্বিদিক আছে মিশি মেঘেতে মেঘেতে ঘন বাঁধা,
কোথা শশী কোথা তারা মেঘারণ্যে পথহারা। আঁধারে আঁধারে সব আঁধা।
জ্বলন্ত বিদ্যুৎ-অহি ক্ষণে ক্ষণে রহি রহি অন্ধকারে করিছে দংশন।
কুম্ভকর্ণ অন্ধকার নিদ্রা টুটি বার বার উঠিতেছে করিয়া গর্জন।
শূন্যে যেন স্থান নাই, পরিপূর্ণ সব ঠাঁই, সুকঠিন আঁধার চাপিয়া।
ঝড় বহে মনে হয়, ও যেন রে ঝড় নয়, অন্ধকার দুলিছে কাঁপিয়া।
মাঝে মাঝে থরহর কোথা হতে মরমর
কেঁদে কেঁদে উঠিছে অরণ্য।
নিশীথসমুদ্র-মাঝে জলজন্তুসম রাজে, নিশাচর যেন রে অগণ্য।
কে যেন রে মুহুর্মুহু নিশ্বাস ফেলিছে হু হু,
হু হু করে কেঁদে কেঁদে ওঠে,
সুদূর অরণ্যতলে ডালপালা পায়ে দ’লে
আর্তনাদ করে যেন ছোটে।
এ অনন্ত অন্ধকারে কে রে সে, খুঁজিছে কারে, তন্ন তন্ন আকাশ গহ্বর।
তারে নাহি দেখে কেহ শুধু শিহরায় দেহ
শুনি তার তীব্র কণ্ঠস্বর।
তুই কি রে নিশীথিনী অন্ধকারে অনাথিনী হারাইলি জগতেরে তোর?
অনন্ত আকাশ-‘পরি আলোড়িয়া
অন্ধকার ঘোর। ছুটিস রে হাহা করি,
তাই কি রে থেকে থেকে নাম ধরে ডেকে ডেকে
জগতেরে করিস আহ্বান।
শুনি আজি তোর স্বর শিহরিত কলেবর
কাঁদিয়া উঠিছে কার প্রাণ।
কে আজি রে তোর সাথে ধরি তোর হাতে হাতে
খুঁজিতে চাহিছে যেন কারে।
মহাশূন্যে দাঁড়াইয়ে প্রান্ত হতে প্রান্তে গিয়ে
কে চাহে কাঁদিতে অন্ধকারে!
আঁধারেতে আঁখি ফুটে ঝটিকার ‘পরে ছুটে তীক্ষ্ণশিখা বিদ্যুৎ মাড়ায়ে,
হু হু করি নিশ্বাসিয়া চলে যাবে উদাসিয়া কেশপাশ আকাশে ছড়ায়ে।
উলঙ্গিনী উন্মাদিনী ঝটিকার কণ্ঠ জিনি
তীব্র কণ্ঠে ডাকিবে তাহারে,
সে বিলাপ কেঁপে কেঁপে বেড়াবে আকাশ ব্যেপে
ধ্বনিয়া অনন্ত অন্ধকারে।
ছিঁড়ি ছিঁড়ি কেশপাশ কভু কান্না কভু হাস প্রাণ ভরে করিবে চীৎকার,
বজ্র-আলিঙ্গন দিয়ে বুকে তোরে জড়াইয়ে
ছুটিতে গিয়েছে সাধ তার।’

(ছবি ও গান)

অন্যদিকে ‘কণিকা’য় অন্তর্ভুক্ত ‘সুখদুঃখ’-এ বলছেন-

‘শ্রাবণের মোটা ফোঁটা বাজিল যূথীরে-কহিল,
মরিনু হায় কার মৃত্যুতীরে! বৃষ্টি কহে,
শুভ আমি নামি মর্তমাঝে,
কারে সুখরূপে লাগে কারে দুঃখ বাজে।’

‘স্ফুলিঙ্গ’-এর ২৩০ ছত্রে লিখেছেন-

‘শ্রাবণের কালো ছায়া
নেমে আসে তমালের বনে
যেন দিকললনার
গলিত-কাজল-বরিষনে।’

নোবেলজয়ী আইরিশ কবি ডব্লিউ বি ইয়েটস কবিগুরুর বর্ষার কবিতা নিয়ে বলেছেন-
“These verses show a world where the mood of the clouds and the falling rain are intimately tied to the movements of the human heart, where nature and romance are inseparable.”

রবীন্দ্রনাথের বর্ষা নিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন, ব্রিটিশ লেখক ও সমালোচক উইন্ডহাম লিউইস–
‘Tagore’s rain is not the wet, cold downpour of the English autumn, but a romantic mystery, a veil drawn across the face of the world through which the soul speaks to the Infinite.’

২।
গান- কবিতায় শুধু শ্রাবণের প্রসঙ্গ আছে তা নয়। তাঁর গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধে শ্রাবণের কথা উঠে এসেছে বহুবার।গল্পগুচ্ছের ‘একরাত্রি’, গল্পে চরম দুর্যোগঘন মুহূর্তের বর্ণনা, ‘এমন সময় শ্রাবণের এক রাতে প্রচণ্ড ঝড় ও প্লাবন আসিল… সেই উত্তাল জলরাশি ও অন্ধকারের মধ্যে সুরবালা ও আমি একখণ্ড শুষ্ক উচ্চ ভূমির ওপর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রইলাম।’

‘ক্ষুধিত পাষাণ’ গল্পে শ্রাবণ এসেছে এভাবে, ‘শ্রাবণ মাসে মেঘলা রাতে যেমন শুষ্ক নদীর বুক বেয়ে আকস্মিক জলচ্ছ্বাস ছুটে আসে, তেমনি সেই নির্জন প্রসাদে অতীতের স্মৃতিরা জেগে উঠত।’

‘মেঘ ও রৌদ্র’ গল্পে গ্রাম্য প্রকৃতি এবং শশী ও গিরিবালার সম্পর্কের দোলাচল বোঝাতে শ্রাবণের মেঘলা দিন ও টানা বৃষ্টির পরিবেশ উঠে এসেছে এভাবে, ‘শ্রাবণের বরষাধারার মতো মনটা যেন এক অনিশ্চিত বেদনায় ভরিয়া উঠিতেছিল’।

শেষের কবিতায় শিলংয়ের বর্ষা এবং অমিত-লাবণ্যের অনুভূতির তীব্রতা প্রকাশের প্রসঙ্গে শ্রাবণের মেঘ ও প্রকৃতির রূপক এসেছে এভাবে, ‘শ্রাবণের মেঘের মতো যে অনুভূতি মনকে ঘিরে ধরে, তা কেবল ঝরে পড়ার জন্যই অপেক্ষা করে।”

যোগাযোগে কুমুদিনীর জীবনের মানসিক ভাবান্তর প্রকাশের সময় শ্রাবণ সন্ধ্যার ঘন মেঘ ও নীরবতার উল্লেখ রয়েছে।’বাইরে তখন শ্রাবণের অঝোর ধারা… কুমুর মনের মধ্যে যেন সেই শ্রাবণ সন্ধ্যার মেঘলা ছায়া নেমে এসেছিল।’

কালিদাসের ‘মেঘদূত’ ও বর্ষা ঋতুর মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে শ্রাবণের মেঘের রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন-
‘আষাঢ়ে যে মেঘের সূচনা, শ্রাবণে তা পূর্ণতায় পৌঁছায়। শ্রাবণের বারিধারা কেবল বাইরের প্রকৃতিকেই ভেজায় না,
মানুষের অন্তরের বিরহকেও গভীর করে তোলে।” (বিচিত্র প্রবন্ধ)

পদ্মার বুকে নৌকায় বসে শিলাইদহ ও পটাসরের বর্ষার রূপ বর্ণনা করতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ অজস্র চিঠিতে শ্রাবণের প্রকৃতির জীবন্ত বিবরণ দিয়েছেন-
‘আজ সকাল থেকেই শ্রাবণের আকাশ মেঘে ঢাকা। পদ্মার জল ঘোলা হয়ে ধেয়ে চলেছে, আর চারপাশের গ্রামগুলো যেন বৃষ্টির ধোঁয়ায় আবছা হয়ে এসেছে…’ (ছিন্নপত্রাবলী, শিলাইদহ থেকে লিখিত পত্র)

আসলে রবীন্দ্রনাথের কাছে শ্রাবণ শুধু একটি মাস ছিল না; এটি ছিল তাঁর নির্জনতার সময়, মগ্ন হওয়ার সময়। তাঁর উপন্যাস ও গল্পে শ্রাবণের মেঘলা দিন কিংবা ঝড়ের রাত চরিত্রগুলোর ভেতরের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও অনুভূতির চরম মুহূর্ত, যেমন—‘একরাত্রি’ গল্পের প্লাবনের রাত, তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়েছে। কালিদাসের ‘মেঘদূত’-এর প্রতি রবীন্দ্রনাথের যে অনুরাগ, তারও গভীর প্রতিফলন ঘটেছিল শ্রাবণের প্রকৃতি ভাবনায়।

শ্রাবণকে ঘিরে তিনি গড়ে তুলেছিলেন বিশেষ সাংস্কৃতিক চর্চা। শান্তিনিকেতনে বর্ষাবন্দনা, ‘বৃক্ষরোপণ উৎসব’ এবং ‘হলকর্ষণ উৎসব’-এর মতো অনুষ্ঠানগুলো শ্রাবণের প্রকৃতিকে উদযাপনের জন্যই সৃষ্টি। ১৯৩৯ সালে তিনি শ্রাবণের গানগুলো নিয়ে রচনা করেন বিখ্যাত গীতিনাট্য ‘শ্রাবণগাথা’।

এই শ্রাবণ মাস রবীন্দ্রনাথের ব্যক্তিগত জীবনে এক চরম বিষাদময় সমাপ্তিও টেনেছিল। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২শে শ্রাবণ (৭ আগস্ট, ১৯৪১) বিশ্বকবি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। যে শ্রাবণের মেঘ ও অঝোর ধারাকে তিনি আজীবন সুর ও শব্দে বন্দনা করেছেন, সেই শ্রাবণেই তিনি অনন্তের পথে পাড়ি দেন।

তাই এই শ্রাবণটি আমাদের একাধারে বিষাদ ও শোকের। এ মাসে বাঙালি জাতির দুই শ্রেষ্ঠ সন্তান কবিগুরু ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রয়াত হয়েছেন। তাই শ্রাবণ যখন আসে তখন আশ্চর্য শোক ও বিষণ্নতা নিয়ে আসে আমাদের জন্য। শ্রাবণের যে ধারার মতো পড়ুক ঝরে পড়ুক ঝরে- বলেছেন কবিগুরু সে ঝরে পড়া বাঙালির দীর্ঘ শোকের অশ্রুবিন্দু কিনা তা ভেবে ভ্রম হয়।

৪ আগস্ট, ২০২৬

চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ

সহযোগী সম্পাদক, দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ এবং কলাম লেখক, কবি, ছড়াকার, গল্পকার, টেলিভিশন উপস্থাপক ও গ্রন্থনাকারী, সাংস্কৃতিক সংগঠক।


Previous
Next

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

প্রকাশিত সকল লেখা ও মতামতের দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখকের,
এর জন্য ‘পড়শী’ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।