অনলাইন পত্রিকা “পড়শী” এপ্রিল ২০২৬ এর সংখ্যাটি পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে।
যে সময়টিতে সোশ্যাল মিডিয়া, কম্পিউটার/ ল্যাপটপে বাংলা লেখা ছিল অত্যন্ত জটিল এবং প্রাথমিক পর্যায়ে, ঠিক ওই সময়কালেই ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়া থেকে মুদ্রিত মাসিক হিসেবে পড়শী তার পথচলা শুরু করেছিল। পুরোনো সেই সংখ্যাগুলো পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়নি। জানিনা হবে কিনা। তবে অসম্ভব আকাঙ্ক্ষা আছে সেগুলো পড়ার, সেই সময়গুলোকে জানার এবং ধারন করার।
শেকড়ের টান আর প্রবাসের ব্যস্ততার মাঝে “পড়শী” পত্রিকাটি যেন এক টুকরো বাংলাদেশ। প্রবাসীদের নিজস্ব সম্পাদনায় পরিচালিত প্রবাসী এবং দেশে বসবাসরত বাংলাদেশী লেখকদের এই উদ্যোগটি বাংলা সংবাদপত্রের জগতে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠুক, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ এবং শুদ্ধ সংস্কৃতি চর্চায় তাদের এই যাত্রা অব্যাহত থাকুক, এটাই প্রত্যাশা।
সবশেষে, আশা করছি বিদেশের মাটিতে থেকেও নিজ দেশের ভাষা, সংস্কৃতি এবং চেতনাকে লালন করার জন্য “পড়শী”একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হয়ে থাকবে। প্রবাসে বাংলা সাহিত্যের চর্চা অব্যাহত রাখতে পত্রিকাটির বিশেষ কলামগুলো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাবে। আন্তরিক ভাবে “পড়শী”র উত্তোরোত্তর উন্নতি কামনা করছি।
১ মে, ২০২৬

মাকসুদা মাহতাব | ঢাকা, বাংলাদেশ
আগামী এডুকেশন ফাউন্ডেশন-এর হিসাব বিভাগে কাজ করছি। সময় পেলেই অনলাইন এবং অফলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করতে ভালো লাগে।
