পড়শী মূল রচনাবলী জুলাইয়ের ইয়ান্তেলোভেন

জুলাইয়ের ইয়ান্তেলোভেন

Post Views: 10
12 min read

২০২৪ সালের আগস্ট মাস একটু দেরিতে এসেছিল। প্রথম পাঁচটি দিন ঘুমিয়ে ছিল জুলাইয়ের পেটের ভেতর। আগস্টের পাঁচ দিন পেটে নিয়ে জুলাই স্ফীত হয়েছিল ছত্রিশ দিনে, এবং জন্ম দিয়েছিল এক নতুন বাংলাদেশ। কী সেই নতুন বাংলাদেশ? কেমন ছিল এর স্বরূপ? আজ দুই বছর পরে সেই বাংলাদেশের সঠিক মুখাবয়বটি ভালো করে চিনে নেবার সময় এসেছে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন যখন নাহিদ ইসলামের ঘোষণায় এক দফার আন্দোলনে পৌঁছে গেল এবং সেই ঘোষণা অনুযায়ী পতন ঘটলো ১৭ বছরের এক দানবীয় অপশক্তির, মানুষ ভাবলো এটাই জুলাই। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছিল, এরপর কী? আবার তারাই স্বগতোক্তির মত বলেছিল, যা খুশি তাই হোক, অন্তত রাক্ষসী হাসিনার কাছ থেকে তো দেশ মুক্ত হয়েছে। অধিকাংশ মানুষ ভেবেছিল হাসিনার পতনই জুলাইয়ের চূড়ান্ত আকাঙ্খা। কিছুদিন পরে হাসিনা-ব্যবস্থার সুবিধাভোগীরা এইটুকুও বলতে নারাজ। তারা বলতে লাগলো, জুলাই ছিল চাকরিতে কোটা সংস্কারের আন্দোলন, ব্যস এর বেশি কিছু নয়। আমেরিকানরা টাকা দিয়ে এনজিওগুলোকে মাঠে নামিয়েছে হাসিনার পতন ঘটানোর জন্য। টাকা, ক্ষমতা, বুলেট সবই তো হাসিনার ছিল। সে কী পেরেছিল মানুষকে নিবৃত্ত করতে? পারেনি। সারা দেশের মানুষ একটি আকাঙ্খা বুকে ধারণ করে চব্বিশের জুলাইয়ে নেমে এসেছিল রাজপথে। এমন স্বতস্ফুর্ত জনস্রোত টাকা কেন, কোনো কিছু দিয়েই তৈরি করা যায় না। ছেলেকে পুলিশ গাড়িতে তুলছে, মা তার পিঠ চাপড়ে দিচ্ছে, টাকা দিয়ে কোনো মাকে এই উচ্চতায় তোলা যায় না। হাজার হাজার মা রাস্তায় নেমে এসে পুলিশের গুলি উপেক্ষা করে সন্তানতুল্য ছাত্র-ছাত্রীদের মুখে পানি, ফলের রস, নুডুলস তুলে দিচ্ছে। কেউ টাকা দিয়ে এমন একটা দৃশ্য আবার তৈরি করতে পারবে?

সকলেই একটি আকাঙ্খা নিয়ে হাসিনার পতন ঘটাতে নেমে এসেছিল। আর যেন কেউ এই দেশে হাসিনা হতে না পারে। মানুষ অর্ধশতাব্দী ধরে গড়ে ওঠা হাসিনা-ব্যবস্থা থেকে মুক্তি লাভের আকাঙ্খা বুকে ধারণ করে, মৃত্যুকে তুচ্ছজ্ঞান করে, নেমে এসেছিল রাজপথে। শুধু শেখ হাসিনার পতন নয়, জুলাই একটি বৃহত্তর আকাঙ্খার নাম। সেই আকাঙ্খাটিই আমাদের ভালো করে বুঝতে হবে।

ছত্রিশ দিনের জুলাই ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে যে নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্খা তৈরি করেছে, সেই বাংলাদেশ শুধু হাসিনামুক্ত বাংলাদেশ নয়, সেই বাংলাদেশ সকল ধরনের বৈষম্যমুক্ত একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। যেখানে মানুষ মূল্যায়িত হবে তার মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে। দেশের প্রধানমন্ত্রী হবার জন্য জন্মাতে হবে না জিয়া বা মুজিব পরিবারে। কৃষক, শ্রমিকের সন্তান, যদি তার মেধা থাকে, যোগ্যতা থাকে, নেতৃত্ব দেবার ক্ষমতা থাকে, সেই হবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এই বাংলাদেশেরই বিভাষ রচনা করেছে জুলাই। একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্নই জুলাই। জুলাই বিপ্লবের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন “বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন” নামের মধ্যেই নিহিত আছে ১৮ কোটি মানুষের স্বপ্নাকাঙ্খা।

একটি সমাজের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা কখনো অনৈতিক হয় না। ব্যক্তিগতভাবে মানুষ অসৎ হয়, কোনো কোনো সমাজের সকল নেতৃত্ব অসৎ মানুষদের কাছে চলে যায়, এইসব অসৎ ব্যক্তিদের প্রভাবে সমাজ কলুষিত হয়, তখন দেখে মনে হয়, এই সমাজ নষ্ট হয়ে গেছে কিন্তু সেই নষ্ট সমাজের ভেতরে লুকোনো একটি যৌথ আকাঙ্খা বা স্বপ্ন থাকে যা কখনোই নষ্ট নয়। সেই আকাঙ্খাটি একটি সুন্দর, শুদ্ধ এবং নৈতিক সমাজের। যেখানে কেউ কারো চেয়ে বড়ো নয়, কেউ কারো চেয়ে ছোটো নয়।

পৃথিবীতে একটি দেশ আছে, সে-দেশের মানুষ এমন একটি সামাজিক আইন মেনে চলেন, যা তাকে অহঙ্কারমুক্ত রাখে। আইনটি হচ্ছে, “আমি কারো চেয়ে বড়ো নই”। সেই দেশটির নাম হচ্ছে নরওয়ে। এটি কোনো রাষ্ট্রীয় আইন নয় কিন্তু এই সামাজিক প্রথা দেশটির সকলেই মেনে চলে। কীভাবে একটি দেশের সকল মানুষ এই মহৎ চিন্তাকে গ্রহণ করলো? কোত্থেকে এলো এই আইন? বিষয়টি খুব আগ্রহোদ্দীপক। আসুন একটু জেনে নিই।

ডেনিশ-নরওয়েজিয়ান লেখক এক্সেল সেন্ডেমোজে একটি উপন্যাস লেখেন। উপন্যাসের নাম, অ্যান ফ্লিক্টনিং ক্রাইসার সিট স্পোর। এর ইংরেজি হলো A Fugitive Crosses his tracks. এর বাংলা করলে দাঁড়ায় “একজন পলাতক নিজেকে অতিক্রম করে”। উপন্যাসটি ১৯৩৩ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

এই উপন্যাসে একটি ছোট্ট শহরের গল্প আছে। শহরটির নাম ইয়ান্তে। এই শহরের মানুষেরা খুব দুষ্টু, তারা সর্বদা কলহে লিপ্ত থাকে। ইয়ান্তে শহরের মানুষকে সভ্য করার জন্য একটি আইন হলো, সেই আইনের নাম ইয়ান্তেলোভেন, মানে ইয়ান্তের আইন। সেই আইনে ১০টি ধারা ছিল। সবগুলো ধারার সারমর্ম করলে দাঁড়ায়, তুমি নিজেকে অন্য কারো চেয়ে বড়ো ভাবতে পারবে না। অনেকেরই হয়ত ইয়ান্তেলোভেনের ১০টি ধারাই জানার আগ্রহ হতে পারে, তাই এখানে ধারাগুলো উল্লেখ করছি:

১. ভাববেন না যে আপনি বিশেষ কিছু।
২. ভাববেন না যে আপনি আমাদের মতো ভালো।
৩. ভাববেন না যে আপনি আমাদের চেয়ে বেশি বুদ্ধিমান।
৪. কল্পনা করবেন না যে আপনি আমাদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
৫. ভাববেন না যে আপনি আমাদের চেয়ে বেশি জানেন।
৬. ভাববেন না যে আপনি আমাদের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
৭. ভাববেন না যে আপনি কোনো কিছুতেই বেশি পারদর্শী বা ভালো।
৮. আমাদের দেখে হাসবেন না (বা আমাদের উপহাস করবেন না)।
৯. ভাববেন না যে কেউ আপনার পরোয়া করে।
১০. ভাববেন না যে আপনি আমাদের কিছু শেখাতে পারবেন।

এরপরে আরো একটি, ১১তম, অনানুষ্ঠানিক ধারা, প্রশ্নের আকারে ইয়ান্তেলোভেনে আছে, সেটি হচ্ছে: আপনি কি ভাবেন আমরা আপনার সম্পর্কে কিছুই জানি না?

ইয়ান্তেলোভেন নিয়ে অধিকার কর্মীরা এই সমালোচনা করতে পারেন যে, মানুষের চিন্তা বা স্বাধীন ভাবনা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কি কোনো আইন হতে পারে? আমার বিবেচনায় সেই আইন যদি বৃহত্তর সমাজের কল্যাণের জন্য হয় তাহলে হতে পারে।

এখন সমস্যা হলো, আইন করলে তো আইনভঙ্গের জন্য শাস্তির বিধানও থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে কেউ যে আইন ভঙ্গ করেছে তা প্রমাণও করতে হবে। আমি গোপনে কী ভাবছি তা রাষ্ট্র কীভাবে প্রমাণ করবে? যদি আমি আমার সেই ভাবনা প্রকাশ করি তখনই মানুষ জানবে এবং তা প্রমাণ করা যাবে। মানুষের মনের গোপন ভাবনা প্রমাণ করা সম্ভব নয়, আর সে কারণেই ইয়ান্তেলোভেন রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত কোনো আইন নয়। কিন্তু নরওয়ের মানুষ উপন্যাসের এই আইনকে তাদের অন্তরে জায়গা দিয়েছে, ইয়ান্তেলোভেনকে সামাজিক প্রথার সর্বোচ্চ আসনে বসিয়েছে।

কেউ যদি দৈবাৎ এমন কোনো আচরণ করে যে সে অন্যদের চেয়ে বেশি জানে বা বেশি গুরুত্বপূর্ণ তাহলে সমাজ তাকে ভালো চোখে দেখে না। ফলে দেশটিতে কে সরকার প্রধান আর কে ট্যাক্সিচালক কিংবা গতর খাটা শ্রমিক তা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। যখন তারা পাশাপাশি দাঁড়ায়, কোনো রেস্টুরেন্টে বসে বা কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে যায়, সকলেই সমান মর্যাদা পায় এবং সকলেই সকলের দিকে সমান মর্যাদার দৃষ্টিতে তাকায়। আচরণে তো বৈষম্য প্রকাশ করেই না, মনে মনেও নরওয়েজিয়ানরা নিজেকে কখনো পাশের জনের চেয়ে উন্নত কেউ ভাবে না। দীর্ঘদিনের চর্চা এবং এই প্রথাকে হৃদয় দিয়ে গ্রহণ করার মানষিকতা থেকেই তারা এই জায়গাটিতে পৌঁছাতে পেরেছে।

নরওয়ের মানুষেরা নিজেদের ব্যক্তিগত সাফল্যের কথা কখনো প্রচার করে না, কারণ এতে করে তার মধ্যে অহঙ্কার তৈরি হতে পারে, শুধু তাই না, তিনি যে নিজেকে অন্যদের চেয়ে আলাদা ভাবছেন এটা সবাই মনে করতে পারে, যা তার জন্য ভীষণ অপমানজনক। ইয়ান্তেলোভেনের প্রভাব দিন দিন বেড়েই চলেছে, শুধু নরওয়ে নয়, সুইডেন এবং ডেনমার্কেও এখন ইয়ান্তেলোভেনের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে।

আমি যখন ১৯৯৯ সালে স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় বেড়াতে যাই, তখন ওদেরকে বলতে শুনেছি, ইউরোপে উন্নয়নের ঢেউ উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়। অর্থাৎ উত্তর ইউরোপের দেশগুলো, যেমন নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড এইসব অঞ্চল থেকে দক্ষিণের ইতালি, গ্রিস অব্দি উন্নয়নের ঢেউ প্রবাহিত হয়। শুধু উন্নয়ন নয় আমি মনে করি সভ্যতার ঢেউও উত্তর থেকে দক্ষিণমুখী প্রবাহিত হয়। ইয়ান্তেলোভেনের মত অতি গুরুত্বপূর্ণ, মানবিক একটি প্রথা বা সামাজিক আইন উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু অব্দি ছড়িয়ে পড়লে পৃথিবীর সভ্যতা এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে যাবে।

জুলাই প্রসঙ্গে আমি কেন ইয়ান্তেলোভেনকে টেনে আনলাম। কারণ, জুলাইয়েও ইয়ান্তেলোভেনের মত কিছু সামাজিক কোড তৈরি হয়েছে। আমাদের মধ্যে একজন এক্সেল সেন্ডেমোজে নেই বলে সেই আকাঙ্খাগুলো নিয়ে কোনো মহৎ উপন্যাস এখনো রচিত হয়নি, তবে হবে না যে তা বলা যায় না। হয়ত খুব শিগগিরই তা হবে।

উপন্যাস রচিত না হলেও ২০২৪ এর বর্ষা বিপ্লবের উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে ছাত্রদের উপুর্যুপরি অনুরোধে যিনি ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে দেশের হাল ধরেন সেই ড. ইউনূস জুলাইয়ের আকাঙ্খাকে একটি গ্রন্থে ধরে ফেলেছেন দায়িত্ব গ্রহণের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই। উত্তাল জুলাইয়ে সারা দেশের পথে, দেয়ালে লিখিত ছাত্র-জনতার আকাঙ্খার প্রতিফলন, গ্রাফিতিগুলোর ছবি তুলে একটি গ্রন্থে সন্নিবেশ করেন। জুলাইয়ের রাজপথে উচ্চারিত ছাত্র-জনতার স্লোগানগুলো, গ্রাফিতিগুলো, ছাত্র-জনতার সংলাপগুলো বিশ্লেষণ করলেই আমরা জুলাইয়ের আকাঙ্খা পেয়ে যাই। সেগুলোই আসলে আমাদের জুলাইয়ের ইয়ান্তেলোভেন।

মানুষের সম্মিলিত আকাঙ্খার তালিকা থেকেই আমরা তৈরি করতে পারি জুলাইয়ের ইয়ান্তেলোভেন। সেগুলো হচ্ছে:

১. তুমি যত উঁচু পদেই থাকো অন্যকে ছোটো করে কথা বলতে পারবে না।
২. পেশা, ধর্ম, বর্ণ, বংশ, পোশাক ইত্যাদির কারণে কোনো মানুষকে তুমি তোমার চেয়ে ছোটো ভাবতে পারবে না।
৩. তুমি যত উঁচু পদেই থাকো না কেন অন্যায় করলে তুমি অপমানিত হবে।
৪. অপরাধীর কোনো ক্ষমা নেই সে যেই হোক তাকে শাস্তি পেতে হবে।
৫. দল, জাত, ধর্ম, বয়স, সম্পর্ক নয়, মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে মেধা ও যোগ্যতা।
৬. তুমি যত শক্তিশালীই হও না কেন অন্যের ওপর জুলুম করতে পারবে না, যদি করো তোমাকে শাস্তি পেতে হবে।
৭. রাষ্ট্রের বা রাজনৈতিক দলের সর্বোচ্চ আসন কোনো বিশেষ পরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে না, সবচেয়ে যোগ্য মানুষই সেই পদ গ্রহণ করবে।
৮. যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকবে তারা অন্যায় করলে বিনা বাঁধায় মানুষ প্রতিবাদ করবে। প্রতিবাদকারীদের দমন করার জন্য রাষ্ট্র শক্তি প্রয়োগ করতে পারবে না।
৯. এমন একটি ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠা হবে, যেখানে মজলুম সম্মানিত হবে জুলুমকারী অপমানিত হবে।
১০. অন্যায়কারী যত শক্তিশালীই হোক মানুষ নির্দ্বিধায় তার চোখে চোখ রেখে সেই অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে পারবে।

জুলাই সনদ এই আকাঙ্খাগুলো পুরোপুরি ধারণ করে না। সেজন্য দরকার একটি নতুন সংবিধান এবং সাংস্কৃতিক বিপ্লব। তারপরেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়েই অর্ধশতাব্দী ধরে রচিত হাসিনা-ব্যবস্থা থেকে বের হওয়ার শুভ সূচনাটা করতে হবে। যে দশটি আকাঙ্খার কথা এই রচনায় উল্লেখ করেছি এর বাইরেও আরো অনেক কিছু আছে, একটি চলমান রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে আমাদের এইসব অর্জন করতে হবে। ২০২৪ এর জুলাইয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের যাত্রা শুরু হয়েছে মাত্র, ভ্রমণটা অনেক দীর্ঘ হবে, আমাদের ধৈর্য্য ও বিচক্ষণতার সাথে বহুদূর হেঁটে যাবার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

২৪ জুলাই, ২০২৬

হলিসউড, নিউইয়র্ক

কবি, লেখক এবং সমাজ সচেতন বুদ্ধিজীবী। কবিতা, প্রবন্ধ মিলিয়ে প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা একশ-এর কাছাকাছি।


Previous
Next

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

প্রকাশিত সকল লেখা ও মতামতের দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখকের,
এর জন্য ‘পড়শী’ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।