পড়শী পড়শীর আরশি পড়শী: ফিরে আসার গল্প

পড়শী: ফিরে আসার গল্প

Post Views: 52
11 min read

“পড়শী” আবার ফিরে এসেছে। বৈশাখ ১৪৩৩ / এপ্রিল ২০২৬

একটি পত্রিকা ফিরে আসা, শুনতে যতটা সহজ, বাস্তবে ব্যাপারটি ততটা সহজ নয়। বিশেষ করে যে পত্রিকা একসময় মুদ্রিত কাগজে প্রবাসী বাঙালির নিত্যসঙ্গী ছিল, দীর্ঘ বিরতির পর আবার ডিজিটাল পর্দায় ফিরে আসে, তার প্রত্যাবর্তনের সঙ্গে কেবল নস্টালজিয়া জড়িত থাকে না; থাকে স্মৃতি, প্রত্যাশা, দায় এবং নতুন সময়ের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার কঠিন পরীক্ষা।
“পড়শী” নিজেকে বলছে “বিশ্ববাঙালির মুখপত্র।”
বাক্যটি সুন্দর। একই সঙ্গে উচ্চাভিলাষীও। আর এই একটি বাক্যই “পড়শী”-কে বিচার করার জন্য যথেষ্ট বড় একটি আয়না তৈরি করে দেয়। “বিশ্ববাঙালি” শব্দটির ভেতরেই একটি বড় দায়িত্ব আছে, শব্দটি বলা সহজ, কিন্তু সব বিশ্ববাঙালি একরকম নয়।
ঢাকার বাঙালি এবং নিউইয়র্কের বাঙালির অভিজ্ঞতা এক নয়। কলকাতার বাঙালি, টরন্টোর বাঙালি, লন্ডনের বাঙালি, দুবাইয়ের বাঙালি, সিডনির বাঙালি, সাংহাইয়ের বাঙালি সবার অভিজ্ঞতা, রাজনৈতিক অবস্থান, ভাষার ব্যবহার, প্রজন্মগত পরিচয় এবং সাংস্কৃতিক চর্চা আলাদা।
দ্বিতীয় প্রজন্মের বাঙালির বাংলা শেখার সংকট যেমন একটি বিষয়, তেমনি প্রথম প্রজন্মের অভিবাসীর পরিচয় সংকটও একটি বিষয়।
সুতরাং “বিশ্ববাঙালির মুখপত্র” হতে হলে “বিশ্ববাঙালি” কে আরও বিস্তৃতভাবে সংজ্ঞায়িত করতে হবে।

শুরুটা যেখানে- স্মৃতি থেকে পুনর্জন্ম

“পড়শী”-র গল্প আসলে ২০২৬ সালে শুরু হয়নি।
সম্পাদকীয় পরিচিতি অনুযায়ী, এর আত্মপ্রকাশ হয়েছিল চলমান শতাব্দীর শুরুতে। ২০০১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রকাশিত মুদ্রিত মাসিক হিসেবে এটি উত্তর আমেরিকার বাঙালি পাঠকদের কাছে পরিচিতি তৈরি করেছিল। তারপর থেমে যাওয়া।
“পড়শী”-র পুনর্জন্মের সবচেয়ে বড় পুঁজি তাই সম্ভবত তার পুরোনো পাঠক। ২০২৬ সালের বৈশাখে, অর্থাৎ এপ্রিল থেকে, নতুন আঙ্গিকে অনলাইনে ফিরে আসা সেই অর্থে নিছক একটি নতুন ওয়েবসাইট চালু করা নয়। এটি পুরোনো একটি সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের চেষ্টা। এখানে “পুনর্জন্ম” শব্দটি যথার্থ।
কিন্তু একই সঙ্গে একটি কঠিন বাস্তবতাও মনে রাখতে হবে- পুরোনো পাঠকের স্মৃতি নতুন পাঠক তৈরি করে না।
পুরোনো “পড়শী”-কে যারা চিনতেন, তাঁরা ফিরে আসবেন। কিন্তু ২০২৬-এর ডিজিটাল প্রজন্মকে ধরে রাখতে হলে শুধু অতীতের গৌরব যথেষ্ট নয়। তাদের জন্য নতুন ভাষা, নতুন বিষয়, নতুন উপস্থাপনা এবং নতুন সম্পাদকীয় পরিকল্পনা প্রয়োজন। সুতরাং “পড়শী”-র সামনে প্রথম চ্যালেঞ্জ “নস্টালজিয়াকে পুঁজি করে শুরু করা, কিন্তু নস্টালজিয়ায় আটকে না যাওয়া।”

এপ্রিলের সম্পাদকীয়: পত্রিকাটি আসলে কী হতে চায়?

ডঃ সাবির মজুমদারের এপ্রিলের সম্পাদকীয়টি “পড়শী”-র ইশতেহার হিসেবে পড়া যায়।
সেখানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি আছে। “পড়শী” হতে চায় বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা বাংলা ভাষাভাষীদের একটি উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক পরিসর। মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু বিভাজন নয়। ধর্ম, বর্ণ ও জাতিগত পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানবিক মিলনভূমি তৈরি হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, তবে শালীনতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে। ব্যক্তি বা গোষ্ঠীগত আক্রমণ, বিদ্বেষ ও অশালীনতার স্থান থাকবে না। এগুলো নিঃসন্দেহে একটি সুস্থ গণমাধ্যমের আকাঙ্ক্ষা।
বিশেষ করে প্রবাসী বাঙালির জগতে, যেখানে রাজনীতি, দলাদলি, আঞ্চলিকতা, মতাদর্শ ও সাংস্কৃতিক পরিচয় প্রায়ই সামাজিক সম্পর্কের সঙ্গে জড়িয়ে যায়, সেখানে সংলাপের একটি বাংলা প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার চিন্তা প্রশংসনীয়।
কিন্তু এখানেই “পড়শী”-র জন্য প্রথম বড় পরীক্ষাটি শুরু।
ঘোষণা আর বাস্তবতার মধ্যে দূরত্ব কতটুকু?
কারণ “মতভিন্নতার প্রতি সম্মান” একটি সুন্দর সম্পাদকীয় নীতি, কিন্তু সেটি সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠা করতে হলে শুধু নিজের পছন্দের মতামত প্রকাশ করলেই হবে না, অপছন্দের মতামতের জন্যও জায়গা রাখতে হবে।
“পড়শী”-র ভবিষ্যৎ সাফল্যের অন্যতম মাপকাঠি হবে এখানেই।

আগস্ট সংখ্যা “পড়শী”-র কিছু রচনাবলির সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনাঃ

  • আগস্টের সম্পাদকীয়: রাজনীতির কঠিন দরজায় প্রবেশ
    এহসান নাজিমের আগস্টের সম্পাদকীয় “ঘটনাবহুল আগস্ট”-এর ধারণা দিয়ে শুরু হয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, রাজনৈতিক বিভাজন এবং গণতন্ত্রের সংকটের দিকে যায়।
    এই লেখার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এটি অস্বস্তিকর বাস্তবতাকে এড়িয়ে যায়নি। তবে যে পত্রিকা নিজেকে “বিশ্ববাঙালির মুখপত্র” বলে, তার রাজনৈতিক লেখায় কি আরও বহুমাত্রিকতা দেখা যাবে? অর্থাৎ—
    একটি মতের স্বাধীনতা নয়, মতের সহাবস্থানই হবে আসল পরীক্ষা।

 

  • ড. বদিউল আলম মজুমদারের সাক্ষাৎকার:
    ‘পড়শী’র সঙ্গে ড. বদিউল আলম মজুমদারের দীর্ঘ সাক্ষাৎকারটি মূলত একজন নাগরিক সমাজকর্মীর ব্যক্তিজীবন, দেশপ্রেম, দীর্ঘ সামাজিক-রাজনৈতিক সক্রিয়তা এবং ‘সুজন- সুশাসনের জন্য নাগরিক’-এর কর্মকাণ্ডকে কেন্দ্র করে নির্মিত। ‘পড়শী’র সঙ্গে ড. বদিউল আলম মজুমদারের একান্ত সাক্ষাৎকারটি যেন একসঙ্গে জীবনের গল্প, দেশপ্রেমের স্মৃতিকথা এবং বাংলাদেশের রাজনীতির আয়না। সাক্ষাৎকারটির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো-ব্যক্তিগত জীবন ও জাতীয় রাজনীতিকে একই সূত্রে এনে তাঁর চিন্তা ও কর্মপদ্ধতির বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে। বিদেশের নিরাপদ ও প্রতিষ্ঠিত জীবন ছেড়ে পরিবারসহ দেশে ফিরে আসা, সাধারণ মানুষকে নিজের শিক্ষক হিসেবে আবিষ্কার করা, স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে কাজ করা এবং মানুষের ক্ষমতায়নের গল্পগুলো সাক্ষাৎকারে মানবিক আবহ তৈরি করেছে। রাজনীতি, নির্বাচন, সুশাসন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, রাজনৈতিক দল ও ক্ষমতাসীনদের সমালোচনায়- যেখানে ড. বদিউল আলম মজুমদার নিজেকে অনেকটা ‘স্থায়ী বিরোধী কণ্ঠ’ হিসেবেই তুলে ধরেছেন।
    তবে সাক্ষাৎকারটির একটি সীমাবদ্ধতাও চোখে পড়ে। অনেক প্রশ্নের উত্তরে ড. বদিউল আলম মজুমদার দীর্ঘ সময় ধরে নিজের অবস্থান ও অর্জনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ফলে কিছু ক্ষেত্রে সাক্ষাৎকারের বদলে আত্মপক্ষসমর্থন বা নিজের কর্মের মূল্যায়নের প্রবণতা বেশি দৃশ্যমান হয়েছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনা, বিভিন্ন সরকারের সঙ্গে সুজনের সম্পর্ক এবং তাঁর নিজের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতার দাবি নিয়ে আরও অনুসন্ধানী ও পাল্টা প্রশ্ন থাকলে সাক্ষাৎকারটি আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও সাংবাদিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে শক্তিশালী হতে পারত।
    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, সাক্ষাৎকারে বেশ কিছু রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক দাবি রয়েছে। এগুলোর সঙ্গে প্রাসঙ্গিক নথি, পরিসংখ্যান বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যুক্ত করা হলে পাঠকের জন্য তথ্য ও মতামতের পার্থক্য আরও পরিষ্কার হতো।
    তবে সব মিলিয়ে বলা যায়, সাক্ষাৎকারটি পাঠযোগ্য, তথ্যবহুল এবং ব্যক্তিত্বটিকে কাছ থেকে দেখার একটি ভালো জানালা। ‘পড়শী’র পক্ষ থেকেও প্রশ্নগুলো মোটামুটি ধারাবাহিক এবং জীবনী থেকে শুরু করে নাগরিক আন্দোলন, নির্বাচন, গণতন্ত্র ও বর্তমান রাজনীতি পর্যন্ত আলোচনার পরিধি বিস্তৃত রাখা হয়েছে।

 

  • অজয় দাশগুপ্ত: ইতিহাস, রবীন্দ্রনাথ ও বঙ্গবন্ধু
    “শোকের মাসে দু’জন মহীরুহ বাঙালির গল্প” লেখাটি “পড়শী”-র সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক চরিত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ নমুনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একই বর্ণনা-এর মধ্যে এনে লেখক বাঙালির সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আত্মপরিচয়ের প্রশ্ন তুলেছেন।
    এখানে লেখাটির একটি শক্তিশালী জায়গা হলো-
    মহান মানুষকে শুধু প্রতিকৃতিতে বন্দি না রেখে তাঁদের কাজের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।
    রবীন্দ্রনাথকে শুধু কবি হিসেবে না দেখে তাঁর কৃষি, শিক্ষা, গ্রামীণ উন্নয়ন, চিকিৎসা, প্রকৃতিপ্রেম ও জীবনযাপনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু এসবের সঙ্গে সুস্পষ্ট তথ্যসূত্র, hyperlink, source note বা reference ব্যবহার করা হলে লেখাটির বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বাড়ত।

 

  • মিজান রহমানের “গ্রীষ্মের ছুটি”: প্রবাসী জীবনের মিষ্টি মুখ
    “গ্রীষ্মের ছুটি: আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের আনন্দমুখর গ্রীষ্মকাল”-এই লেখাটি সম্পূর্ণ অন্য জগৎ খুলে দেয়। রাজনীতি নেই, তর্ক নেই, বড় কোনো মতাদর্শিক সংঘাত নেই।
    আছে- পিকনিক, লং আইল্যান্ড, সমুদ্রসৈকত, পারিবারিক ভ্রমণ, বাংলা মেলা, খাবার, ভ্রমণ, সামার ক্যাম্প, বাগান, কমিউনিটি কার্যক্রম, ইউরোপ, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, ক্রুজ এবং আমেরিকার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র।
    এই লেখার সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো এটি প্রবাসী বাঙালির দৈনন্দিন জীবন ধরতে চেয়েছে। তবে লেখাটি দীর্ঘ। ফলে শেষের দিকে পাঠকের মনোযোগ কিছুটা বিক্ষিপ্ত হতে পারে।

 

  • তনুজা বিশ্বাস: নারী ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতার প্রশ্ন
    “স্বনির্ভর নারী, সচেতন বিনিয়োগ, সুরক্ষিত পরিবার এবং সমৃদ্ধ আগামী” লেখাটি “পড়শী”-র ব্যবহারিক জীবনমুখী সাংবাদিকতা -এর একটি ভালো উদাহরণ।
    লেখাটির শুরুতেই একটি শক্তিশালী প্রশ্ন: “নারীর হাতে সংসারের চাবি থাকে, কিন্তু নিজের ভবিষ্যতের চাবিটা কি সবসময় তাঁর নিজের হাতে থাকে?” এটি একটি কার্যকর সূচনা। লেখক নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে দেখিয়েছেন কীভাবে তিনি নিজেও একসময় পরিবারের আর্থিক সিদ্ধান্তে তুলনামূলকভাবে দূরে ছিলেন এবং পরে আর্থিক সচেতনতার গুরুত্ব বুঝেছেন। এই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা লেখাটিকে মানবিক করেছে।

 

  • “অনলাইনে নেই, তাই কি হারিয়ে গেছি?”-এখানেই নতুন প্রজন্মের গন্ধ
    সাকির মোহাম্মদের লেখাটি এখন পর্যন্ত পাওয়া লেখাগুলোর মধ্যে অন্যতম contemporary piece।
    মায়ের একটি সাধারণ প্রশ্ন- “তোমাকে অনলাইনে দেখছি না, সব ঠিক আছে তো?”
    এই ছোট্ট ঘটনা থেকে লেখক পৌঁছে গেছেন “অ্যাভেইলেবিলিটি প্রেসার”, ইনফরমেশন ওভারলোড, ডিজিটাল ক্লান্তি এবং সোশ্যাল মিডিয়া বিহেভিয়ার -এর মতো বড় প্রশ্নে। এখানে “পড়শী”-র একটি সম্ভাবনাময় দিক স্পষ্ট – প্রবাসী বাঙালির জীবনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে বৈশ্বিক সমকালীন সমস্যার সঙ্গে যুক্ত করা।
    গবেষণা ও পরিসংখ্যান ব্যবহার লেখাটিকে আরও গুরুত্ব দিয়েছে। তবে এখানেও-source linking ব্যবহারের অনেক সুযোগ ছিলো।

 

শেষ কথা: আগামী দিনের “পড়শী”- এর জন্য কিছু শুভ প্রত্যাশাঃ

পুরোনো দিনের পত্রিকার ডিজিটাল সংস্করণ এ কিছু লেখা, কিছু ছবি, কিছু প্রবাসী সংবাদ এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি স্বকীয় পরিচয় তৈরি করার মতো একটি কঠিন কাজে সফলতা অর্জন।
বিশ্ববাঙালির মুখপত্র এই ম্যাগাজিনে সাহিত্য, সংস্কৃতি, প্রবাস জীবন, সমাজ, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, নারী, তরুণ প্রজন্ম, ভ্রমণ, ইতিহাস এবং ব্যক্তিগত মতামত বিষয়ে আরও সমৃদ্ধ এবং অন্তর্দৃষ্টিপূর্ণ লেখা প্রকাশিত হলে, ভবিষ্যৎ অনেক বেশি সম্ভাবনাময় হবে।
বিশ্ববাংলার অংশগ্রহণমূলক জ্ঞানচর্চার মাধ্যমঃ
এখানে “পড়শী” শুধু লেখা প্রকাশ করবে না, বরং বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাঙালির মধ্যে সংলাপ তৈরি করবে।
১। ভিন্ন দেশের বাঙালির অভিজ্ঞতা এক জায়গায় আনবে।
২। প্রথম প্রজন্ম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের মধ্যে কথোপকথন ঘটাবে।
৩। বাংলাদেশ, ও diaspora-র মধ্যে সাংস্কৃতিক সেতু তৈরি করবে।
৪। রাজনৈতিক মতভেদকে সংঘাতে নয়, আলোচনায় নিয়ে আসবে।
৫। তথ্যের সঙ্গে source link দেবে।
৬। ভুল হলে correction দেবে।
৭। যে মতটি নিজের ভালো লাগে না, তাকেও যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রকাশের জায়গা দেওয়া।
এখানেই “পড়শী” সত্যিকার অর্থে আলাদা হয়ে উঠতে পারে, এবং ধীরে ধীরে নিজেই একটি আর্কাইভ হয়ে উঠবে।

“ফিরে আসা হয়েছে, এবার জায়গা করে নেওয়ার পালা।”


ঢাকা, বাংলাদেশ

আগামী এডুকেশন ফাউন্ডেশন-এর হিসাব বিভাগে কাজ করছি। সময় পেলেই অনলাইন এবং অফলাইনে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা করতে ভালো লাগে।


Previous
Next

Leave a Reply

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

দীর্ঘ বিরতির পর আবার ফিরে এসেছে বিশ্ববাঙালির প্রিয় পত্রিকা ‘পড়শী’।
নব উদ্যমের এই যাত্রায় আপনার মতো গুণী মানুষের সৃজনশীল লেখা ও সাহচর্য আমাদের কাম্য।

প্রকাশিত সকল লেখা ও মতামতের দায়ভার সম্পূর্ণভাবে সংশ্লিষ্ট লেখকের,
এর জন্য ‘পড়শী’ কর্তৃপক্ষ দায়ী নয়।