গভর্নর্স আইল্যান্ড আর্টস-এর “অর্গানাইজেশনস ইন রেসিডেন্স” প্রোগ্রামে এবার যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশি আমেরিকান আর্টিস্ট ফোরাম।
প্রতি বছর মে থেকে অক্টোবর পর্যন্ত, ২০টিরও বেশি শিল্প ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গভর্নর্স আইল্যান্ডের পুরনো ঐতিহাসিক বাড়িগুলোতে এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ পায়। তারা এখানে ফ্রি প্রদর্শনী করে, সবার জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন করে, আর শিল্পীদের থাকার ও কাজ করার সুযোগ দেয়।
আগামী ১০ বছরে, নিউ ইয়র্ক সিটি ও গভর্নর্স আইল্যান্ড ট্রাস্টের লক্ষ্য এই মৌসুমি আয়োজনকে সারা বছর চালু থাকা একটি স্থায়ী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করা।
বাংলাদেশি আমেরিকান আর্টিস্ট ফোরামের (BAAF) এবারের মৌসুমি চিত্রপ্রয়াস – “নদী ও বন্দর এবং আমাদের প্রবাহিত জীবনের গল্প” (Between River and Harbor: Stories That Carry Us ) এই বিষয়কে উপজীব্য করে ছবি আঁকতে হবে শিল্পীদের, এরকম একটি গাইডলাইন পূর্বনির্ধারিত করেছেন নিউ ইয়র্ক সিটি ও আয়ল্যান্ড ট্রাষ্ট। তবে অংকন শৈলী ও ছবির ভাবধারাকে (বিমূর্ত অথবা বাস্তবানুগ) পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে। নদীমাতৃক দেশ থেকে আগত অভিবাসীদের স্মৃতিকাতরতা কে সম্মান জানানোর এই সিদ্ধান্ত অভূতপূর্ব নিঃসন্দেহে। শিল্পীদের ঐকান্তিক নিষ্ঠা বদলে দেবে এবারের আয়োজন। নদীর স্রোতের মত বয়ে আনবে আমাদের জীবনের স্বপ্ন, সাধ, মনন ও ঐতিহ্য। মিলেযাবে ভিন্ন গোলার্ধের সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে।
মূলধারায় আর্টিষ্ট ফোরামের এই অর্জনের কৃতিত্ব শিল্পী কাইজার কামাল জুয়েলের। নিউ ইয়র্ক সিটি ও গভর্নর্স আইল্যান্ড ট্রাস্ট এর পৃষ্ঠপোষকতায় এবারের আয়োজনের কিউরেটর তিনি। আর্টিষ্ট ফোরামের শিল্পীরাও বিপুল উৎসাহে ছবি এঁকেছেন। যাঁচাই বাছাইও হয়েছে। অর্থাৎ ছবির মান সমুন্নত রাখার বিষয়ে সচেতন রয়েছেন শিল্পীরা। আমাদের কমিউনিটির সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ছয় মাস ধরে চলবে এই চিত্র প্রদর্শনী। যে কোনো উইকএন্ডে সবান্ধবে, সপরিবারে চলে আসুন। ব্যাটারী পার্ক থেকে ফেরিতে চেপে স্ট্যাচু অব লিবার্টি ঘেঁসে পৌঁছে যাবেন গভর্নর্স আয়ল্যান্ডে। ট্যূরিষ্টদের জন্য জনপ্রিয় গন্তব্য এই দ্বীপে দিনভর নানা রকম উৎসব চলবে। ছোট বড় সকলের জন্যেই একটা আনন্দময় দিন কাটিয়ে যান।
৬ মে, ২০২৬

তাজুল ইমাম | হ্যারিমান, নিউইয়র্ক
দীর্ঘকাল প্রবাসে থাকলেও শেকড়-সন্ধানী এক সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব। চিত্রকলা তাঁর প্রধান পেশা, এবং প্রবাস জীবনে বহু একক ও দলীয় প্রদর্শনীতে তাঁর কাজ স্থান পেয়েছে। তাঁর শিল্পকর্মে মুক্তিযুদ্ধ, স্বদেশের স্মৃতি এবং মানবিক সংকট গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়।
