১৭ বছরের শাষণকে দানবীয় অপশক্তি অভিদায় অভিহিত করে লেখক তার মানসিক পরিচয়টাই তুলে ধরেছেন।
আজ দুই বছর পর নিরপেক্ষভাবে বিভিন্ন তথ্যানুসন্ধান করলে প্রায় পরিষ্কারই বুঝা যায়- দেশের কিছু মানুষ এক বুক আকাঙ্ক্ষা নিয়ে শেষ পর্যন্ত চরম গুজব ও অর্থের দ্বারা প্রতারিত হয়েছেন। টাকা দিয়ে এমন দৃশ্য আবার তৈরি করা যাবে কি না সেটা বিতর্কের বিষয়। তবে এবার এটা ছিল মূলত টাকার (ডলারের) খেলার বিশেষতঃ যেখানে অর্থদাতারা নিজেরাই ব্যাপারটা স্বীকার করেছেন।
জুলাই সত্যিই একটি আকাঙ্ক্ষার মাস, সেই আকাঙ্ক্ষা হলো প্রতিশোধের আকাঙ্ক্ষা- ১৯৭১ সনে পরাজয়ের প্রতিশোধ। এর সাথে যোগ হয়েছে বিভিন্ন স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্য নিয়ে বিভিন্ন মহলের উপস্থিতি। নানামুখি স্বার্থ একমুখি হয়েছে এই জুলাইয়ে। তবে ব্যাপকভাবে প্রকাশ পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় পট পরিবর্তনের পর যত রকমের নৈরাজ্য করা যায়- সবই হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি ধ্বংস করা এবং মুক্তিযোদ্ধাদেরকে চরম অপমান করার মধ্য দিয়ে সেটা আরো পরিষ্কার হয়েছে।
“একটি সমাজের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষা কখনো অনৈতিক হয় না”- কথাটি প্রায় ঠিক কিন্তু সমাজকে যখন লাগাতার মিথ্যা দিয়ে প্ররোচিত করা হয়, ভুল পথে পরিচালিত করা হয়, তখন তাদের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে প্রশ্ন থাকতেই পারে। আর ১৮ কোটি মানুষের সবাই যে এই নৈরাজ্যের সাথে গা ভাসিয়েছিল- তা কী করে বলা যায়?
যে কোনো গল্প বা উপন্যাস হলো লেখকের কল্পনার বহিঃপ্রকাশ, বাস্তবতা নয়। উল্লেখিত উপন্যাসও তাই। এছাড়াও একেক দেশের প্রেক্ষাপট, সংস্কৃতি, জনজীবন একেক রকমের। নরওয়ের জীবনবোধ আমাদের এখানে কতোটুকু প্রযোজ্য?

