পাঠবিমুখতা

“ওরা শুধু স্ক্রলই করে”

মিনার মনসুর
June 14, 2026
14 views
27 mins read

আজকাল খুব ভয়ে ভয়ে লিখি। ভাবি, কে পড়ে এসব লেখা! কার এতো সময় আছে! আগেও যে খুব বেশি লোক সংবাদপত্রের পাতায় নীরস প্রবন্ধ-কলাম পড়তেন তাও নয়। তবে গল্প-উপন্যাস পড়তেন প্রায় সব বয়সের মানুষ। কবিতার পাঠক বলতে ছিল মূলত তরুণরাই- বিশেষ করে যারা যুগপৎ প্রেমিক ও বিপ্লবী। শুধু প্রেমিক কিংবা শুধু বিপ্লবীরাও ছিলেন এ সংক্ষিপ্ত তালিকায়। সব মিলিয়ে সংখ্যায় বেশি না হলেও তারা ছিলেন একাই একশ! কোনো কিছুর পরোয়া করতেন না। শয়নে-স্বপনে মগ্ন হয়ে থাকতেন কবিতার অনির্বচনীয় এক সম্মোহনে। প্রেমে কবিতা, বিপ্লবেও কবিতা! আমি এমন কিছু তরুণ-তরুণীকে চিনতাম যারা তাদের প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে ভাবমিনিময়ও করতেন কবিতার মাধ্যমে। কবিতার এতো এতো পঙ্ক্তি তাদের ঠোঁটের ডগায় ঝুলে থাকতো যে অনেক সময় এসব কবিতার রচয়িতা কবিও বিস্ময়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়তেন। সেসব এখন সুদূরের স্মৃতি!

প্রাপ্ত তথ্যমতে, সংখ্যার বিচারে বাংলাদেশে প্রকাশকের সংখ্যা পাঁচ শতাধিক। কিন্তু গুণমান বিচারে তা পঞ্চাশের বেশি নয়। তাদের বড় অংশই এখন অস্তিত্ব সংকটে। কারণ বইয়ের বিক্রি তলানিতে এসে ঠেকেছে। বহু বছর আগে কবি শামসুর রাহমান আক্ষেপ করে আমাকে বলেছিলেন, ছয় বছরেও ছয়শ কপি বই বিক্রি হয় না। কবি কি হাওয়া খেয়ে বাঁচবে!’ অবস্থা এখন আরও খারাপ। সম্প্রতি ঢাকার নামজাদা একটি প্রকাশনা সংস্থার কর্মীদের চোখেমুখেও উদ্বেগের ঘন ছায়া দেখেছি। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের এই দেশে হাজার কপির বেশি বিক্রি হয় এমন বই হাতে গোনা। ফলে লেখক সম্মানী বা মুনাফা দূরে থাক, প্রকাশকের টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে। ঠেকা দেওয়ার চেষ্টা যে হয়নি তা নয়। কিন্তু কোনো চিকিৎসাই কাজে আসেনি। চাহিদা না থাকলে ব্যবসা লাটে উঠবে এটাই স্বাভাবিক। ঢাকা যে রাতারাতি রেস্টুরেন্ট আর রিসোর্টের শহরে পরিণত হয়েছে- তার মূলেও রয়েছে সেই চাহিদার সমীকরণ।

পাঠকের পাড়া প্রায় শূন্য হয়ে গেছে বহুদিন। ও পাড়া যে পরিত্যক্ত হতে চলেছে সে খবরও আজকাল আর কারো চিত্ত চঞ্চল করে না। ফলে পড়শী যখন লিখতে বললো- তখন জ্ঞানীদের পরামর্শ শিরোধার্য করে প্রত্যাশাশূন্য মনেই তাতে সম্মত হয়েছিলাম। নিখাদ ‘নিষ্কাম কর্ম’ যাকে বলে! তার সুফলও পেয়ে গেলাম সঙ্গে সঙ্গে। কী সৌভাগ্য, এমন ঘোর দুর্দিনে একজন পাঠক আমার হোয়াটসঅ্যাপে একটি পাঠ-প্রতিক্রিয়া পাঠিয়েছেন! গুরুত্বপূর্ণ পাঠকই বলা যায়। স্বনামখ্যাত কবি ও কথাসাহিত্যিক। অনুমতি না থাকায় নাম প্রকাশে বিরত থাকলাম। গত ২৩ মে পড়শীতে প্রকাশিত ‘জাদুর বাক্সের আগ্রাসনের যুগে একটি পত্রিকার বাঁচামরা’ শিরোনামের লেখাটি পড়ে তিনি লিখেছেন, Òআপনার লেখাটি ভালো। …তবে তরুণদের পড়ায় আগ্রহের জন্য আপনি যত পরিকল্পনাই করুন না কেন, ওরা পড়ে না। সে স্ক্রিনই হোক কি প্রিন্টই হোক। তরুণ প্রজন্মের পড়া ও লেখার মানসিকতাই নষ্ট হয়ে গেছে। ওরা এমনকি একটু বড় ফেসবুক স্ট্যাটাসও পড়তে চায় না। ওরা শুধু স্ক্রলই করে।”

প্রতিক্রিয়াটি তীব্র। একাধিকবার পড়তে হলো তার নির্যাসটুকু আত্মস্থ করার জন্য। কিছুটা ধাতস্থ হওয়ার পর তার উত্তরে আমি লিখলাম, “আপনার সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করার মতো কিছুটা অবলম্বন থাকলেও আমি খুশি হতাম। দ্রুত বদলে যাওয়া বাস্তবতাকে যত বোঝার চেষ্টা করছি, ততই আতঙ্কিত হচ্ছি। জানি না কী অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য।” এটুকু লিখে ক্ষুব্ধ পাঠককে বুঝ দেওয়া গেলেও নিজের মনকে কিছুতেই শান্ত করা যাচ্ছিল না। দায় কি কেবল তরুণদের? প্রবীণরা কি পড়েন? এখন যারা কিশোর বা তরুণ- তাদের পিতা-মাতার বড় অংশই কমবেশি শিক্ষিত। তাঁরা কি পড়েন?

আমার স্বশিক্ষিত মাকে দেখেছি বিশাল পরিবারের নানা ঝড়ঝাপ্টার ভেতরেও অবিরাম পড়ছেন। পড়ার তৃষ্ণা তাঁর এতই প্রবল যে হাতের কাছে যা পাচ্ছেন তাই গিলছেন গোগ্রাসে। মধ্যযুগের পুঁথিসাহিত্য থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথের গল্পগুচ্ছ- কী না পড়তেন তিনি! ব্যতিক্রম ছিলেন না আমার বদরাগী ব্যবসায়ী বাবাও। একবার তো এমন হয়েছে যে সৈয়দ শামসুল হকের সদ্য প্রকাশিত ‘খেলারাম খেলে যা’ পড়ছি লুকিয়ে লুকিয়ে। আমি তখন কলেজে উচ্চমাধ্যমিক প্রথমবর্ষের অকালপক্ক ছাত্র। বিছানায় বইটি রেখে ছাদে গেছি ধূমপান করার জন্য। ফিরে এসে দেখি বইটি নেই। খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে যা দেখলাম তাতে আমার হৃৎপিণ্ড থেমে যাওয়ার মতো অবস্থা। বইটি বাবার হাতে এবং তিনি খুব মনোযোগের সঙ্গে তা পড়ছেন! এরকম প্রায় হতো।

পাঠবিমুখতাকে যদি সংক্রামক ব্যাধির সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে এটি নিঃসন্দেহে তার একটি বড় কারণ হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে একমাত্র কারণ অবশ্যই নয়। আরও গুরুতর কিছু কারণ যে আছে তা ইতোমধ্যে অবিশেষজ্ঞ মানুষেরও জানা হয়ে গেছে। প্রায় সবারই অভিযোগের আঙুল ফ্র্যাঙ্ক ক্যানোভা উদ্ভাবিত জাদুর বাক্সটির দিকে- যার তুলনা চলে প্যান্ডোরার বাক্সের সঙ্গে। যেভাবেই হোক বাক্সটি খুলে গেছে এবং তার সুফল-কুফল দুটোই এখন হাতে হাতে ঘুরছে। তারা আর কখনোই আগের জায়গায় ফিরবে না। বাক্সটি যারা বানিয়েছেন তারা নিজেদের ‘অন্তর্যামী’ ভাবলেও ভাবতে পারেন। (পথ ভাবে আমি দেব রথ ভাবে আমি,/মূর্তি ভাবে আমি দেব- হাসে অন্তর্যামী।) কিন্তু কালপ্রবাহের সাধারণ শিক্ষাটি হলো, তারা চাইলেও সবকিছু আর পূর্বাবস্থায় ফিরবে না। তার চেয়েও কঠিন সত্যটি হলো, উদ্ভাবকের উদ্দেশ্য যত মহতই হোক- ডিনামাইট কি আলফ্রেড নোবেলের কথা শোনে?

কর্মসূত্রে আমার বই ও পাঠাগার নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল বেশ কিছুদিন। আমাদের দেশে বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত বেশকিছু ভালো পাঠাগার আছে। তার মধ্যে কয়েকটি শতাব্দীপ্রাচীন। পঞ্চাশোর্ধ বয়সি পাঠাগারের সংখ্যাও কম নয়। স্বাধীনতার পর সরকারি প্রণোদনার কারণেও (সহজ অর্থপ্রাপ্তির প্ররোচনাটাই সম্ভবত বেশি) ভালোমন্দ মিলিয়ে প্রচুর পাঠাগার গড়ে উঠেছে। প্রসঙ্গত বলা প্রয়োজন যে শৈশব থেকেই পাঠাগারের প্রতি আমার অন্যরকম এক দুর্বলতা আছে। প্রকৃত অর্থে পাঠাগারই বদলে দিয়েছিল আমার জীবন। দায়িত্বের পাশাপাশি অন্তর্গত সেই টানেও আমি দেশের আনাচেকানাচে ঘুরেছি। পাঠাগারগুলোকে খুব কাছে থেকে দেখার ও বোঝার চেষ্টা করেছি। কথা বলেছি গ্রন্থাগারিক, সমাজকর্মী, অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্রসহ নানা শ্রেণি ও পেশার মানুষের সঙ্গে। সামগ্রিকভাবে চিত্রটি মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়।

অধিকাংশ পাঠাগারেই পাঠক নেই। সরকারি পাঠাগারগুলোর পাঠকশূন্যতা পূরণ করছে চাকরিপ্রার্থী তরুণ-তরুণীদের ক্রমবর্ধমান কাফেলা। পিঠে নোট-গাইডের ভারী বোঝা নিয়ে নির্ঝঞ্ঝাট এ পরিসরটিকে তারা তাদের পরীক্ষা-প্রস্তুতির পাটাতন হিসেবে ব্যবহার করছেন বহুদিন ধরে। ঘরে ঘরে আলো জ্বালানোর প্রত্যয় নিয়ে একদা যারা ঘরের খেয়ে বনের মোষ চরাতেন সেই প্রজন্ম প্রায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। হাতেগোনা যে কজন দাঁতে দাঁত চেপে এখনো হাল ধরে আছেন তাদের হতাশা আকাশচুম্বী। কণ্ঠে হাহাকার। তাঁরা বলছেন, সমাজ উল্টোপথে হাঁটতে শুরু করেছে আগেই। যেটুকু আশা ছিল তাও শেষ করে দিয়েছে স্মার্টফোন! আমি সমস্যাটি আর একটু নিবিড়ভাবে বুঝতে চেষ্টা করি। এ লক্ষ্যে কিছু গবেষণা-উদ্যোগও গৃহীত হয়। ফলাফল অভিন্নই বলা চলে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি গবেষণা প্রতিবেদন এখন আমার সামনে। সেখানে দেখতে পাচ্ছি, ৫৪% তরুণ এবং ৭১% কর্মজীবী স্মার্টফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসকে পাঠবিমুখতার ‘প্রধান কারণ’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। (বাংলাদেশের কমিউনিটি পাঠাগারের ভবিষ্যৎ, ঢাকা: মার্চ ২০২৬)

অস্বীকার করার উপায় নেই যে জাতি হিসেবে আমরা একটা বড় ধরনের ফাঁকির মধ্যে পড়ে গেছি। নিজেদের অমার্জনীয় অঙ্গীকারহীনতা, ব্যর্থতা ও দায়িত্বহীনতার নির্মম ক্ষতগুলো আড়াল করার জন্য এখন আত্মপ্রবঞ্চনাই হয়ে উঠেছে আমাদের একমাত্র বর্ম। এ জন্যই সম্ভবত এত অজুহাত! আসলে ক্ষয় শুরু হয়েছিল স্মার্টফোন কিংবা সামাজিক মাধ্যমগুলোর মাঠ দখলের আগেই। সেই ক্ষয় থামানোর কোনো চেষ্টা রাষ্ট্র বা সমাজ করেনি। কেন করেনি সে এক জটিল আর্থসামাজিক-রাজনৈতিক প্রশ্ন। এ পরিসরে তার মীমাংসা সম্ভব নয়। সংক্ষেপে শুধু এটুকু বলা যায় যে এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা যারা রাখতে পারতো- সেই সমাজ ও শিক্ষাব্যবস্থায় ঘুণ ধরেছিল বহু আগেই। তারা দিশা হারিয়ে ফেলেছিল। হয়ত সজ্ঞানেই চেপে বসেছিল ‘উদ্ভট উটের পিঠে’। তাতে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছে জাদুর বাক্স!

যাবতীয় সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আগে শিশুদের শিক্ষা শুরু হতো পরিবার ও প্রকৃতিপাঠ দিয়ে। পরিবার থেকে তারা স্নেহ, মমতা ও দায়িত্বশীলতার মতো মানবিক গুণাবলি শিখতো, আর প্রকৃতি তার সঙ্গে জুড়ে দিত বিশাল এক ডানা- যার নাম কল্পনা। এই কল্পনার শক্তি দিয়েই বিপুলা পৃথিবীকে সে নিজের মধ্যে ধারণ করতো। বই-পত্রপত্রিকা তাতে নিরন্তর পুষ্টি জোগাতো। অকস্মাৎ জাদুর বাক্স এসে এক ঝটকায় সব তছনছ করে দিয়েছে। শিশুর শৈশব, কৈশোর ও তারুণ্য সবই সে কেড়ে নিয়েছে। বাক্সবন্দি হয়ে পড়েছে তার জীবন। গুরুতর চিড় ধরেছে তার মনোসংযোগে। ফলে এখন ‘ওরা শুধু স্ক্রলই করে’! বিভিন্ন গবেষণা বলছে, এটা কেবল তাদের মনোজগতেই নয়, দৈহিক স্বাস্থ্যের ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

তবে কি আমাদের যাত্রা পাঠকশূন্য ভাবুকশূন্য এক রোবটিক পৃথিবীর দিকে? এমন একটি ভয়ংকর ভাবনা মাথায় ঘুরপাক খায়। জ্যৈষ্ঠের কাঁঠালপাকা গরমে পুড়ছে ধূলি ও দূষণে দম বন্ধ করা শহর ঢাকা। ল্যাপটপের সামনে বসে দরদর করে ঘামছি। ঘাড়ের কাছে ক্লান্ত ফ্যানটি ঘরঘর আর্তনাদ করছে। চোখ জ্বলছে। মাথাI আর কাজ করছে না। ভাবছি চিত হয়ে শুয়ে পড়বো। হঠাৎ দরজা-জানালা সব একসঙ্গে কেঁপে ওঠে বিকট শব্দে। চেয়ার থেকে লাফিয়ে ওঠার আগেই ঝড়ো হাওয়ার ঝাপটা এসে লাগে নাকে-মুখে। মুহূর্তে উধাও সেই হাঁসফাঁস করা গরম। জলের সুঘ্রাণময় মধুর এক প্রশান্তি ছড়িয়ে পড়ে দেহ-মনে। এই-ই হয়। টানেলের অন্ধকারে আটকে পড়া মানুষেরা হয়তো ভাবছেন- সব শেষ। টানেলেরও তো শেষ আছে! মুদ্রার অন্য পিঠে হয়ত নিভৃতে চলছে ‘রাত্রির তপস্যা’। এ তপস্যা নিশ্চিতভাবে আলোর জন্য। আর তা ছিনিয়ে আনার জন্য প্রমিথিউসের পরিণতি বরণে প্রস্তুত- এমন মানুষেরও অভাব হয়নি কোনো কালে। মানুষের স্বভাবই এমন। কখনোই সে হাল ছাড়ে না। মানবজাতির দীর্ঘ যাত্রাপথে প্রতিটি সংকটে-দুর্বিপাকে তারা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সংকটকে পরিণত করেছে সম্ভাবনায়। ডুবতে ডুবতে তারা ভেসে ওঠে।

আপাতত আশার খড়কুটো এটকুই।


মিনার মনসুর | ঢাকা, বাংলাদেশ

একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি ও প্রাবন্ধিক।


2 Comments Leave a Reply

  1. একই ভাবনায় ভাবিত আমিও, ভাবছি আসলেই
    কি হবে সামনের দিনগুলো। সুন্দর ও চমৎকার ভাবে
    তুলে ধরেছেন বিশ্লেষণাত্মক ভঙ্গিতে সেই সংকট
    গুলিকে। ভালো থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

যুক্তির চাইতে বিশ্বাস সুন্দর
Previous Story

যুক্তির চাইতে বিশ্বাস সুন্দর: প্রসঙ্গ “অনন্ত”!

অদৃশ্য জীবাণু
Next Story

অদৃশ্য দানবের হাতে বধ হবে মানবজাতি

Latest from পড়শীর আরশি

যুক্তির চাইতে বিশ্বাস সুন্দর

যুক্তির চাইতে বিশ্বাস সুন্দর: প্রসঙ্গ “অনন্ত”!

মাহমুদ রেজা চৌধুরীর 'যুক্তির চাইতে বিশ্বাস সুন্দর' প্রবন্ধে দর্শন, বিজ্ঞান ও ধর্মের আলোকে মানুষের বিশ্বাস এবং অনন্তের নান্দনিক রূপ বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
নির্মাতা মানসিকতা

বিদ্রোহী চেতনা থেকে নির্মাতা মানসিকতা: বাংলাদেশের সামনে কি নতুন এক রূপান্তরের প্রয়োজন?

ড. মশিউর রহমানের প্রবন্ধে বিদ্রোহী চেতনার গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল ও আধুনিক 'নির্মাতা মানসিকতা' গড়ে তোলার সমাজতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ফুটে উঠেছে।

অনলাইন পত্রিকা “পড়শী” : প্রবাসে এক চিলতে বাংলাদেশ

অনলাইন পত্রিকা "পড়শী" এপ্রিল ২০২৬ এর সংখ্যাটি পড়ার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। ... পড়শী'র অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লিখেছেন মাকসুদা মাহতাব।

পার্শিয়ানরা টিকে থাকবে

একটা সুপার পাওয়ার তার সমস্ত শক্তি নিয়ে এবং তার সহযোগী রাষ্ট্রগুলির শক্তি নিয়ে যখন ছোট একটি দেশকে ... ইরানে বর্তমান মার্কিন আগ্রাসন নিয়ে লিখেছেন ড.

জাদুর বাক্সের আগ্রাসনের যুগে একটি পত্রিকার বাঁচামরা

সময় বদলে গেছে। এখন প্রায় প্রত্যেকের হাতেই একটি করে জাদুর বাক্স। সামাজিক মাধ্যমে ... পড়শী'র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে লিখেছেন মিনার মনসুর।