কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI ) ক্রমবর্ধমান বিস্তার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ অন্যান্য উন্নত দেশে এখন দৈনন্দিন জীবনে প্রতীয়মান। বেশীর ভাগ ব্যবসায়িক কর্ণধাররা এই প্রযুক্তির বিস্তার সর্বব্যাপী করার পক্ষে। তবে এই বিস্তার ব্যবসায়িক কর্ণধারদের মত অন্য সব মহলে যে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণযোগ্য নয়, সেটাও পরিলিক্ষিত এবং উপেক্ষিত নয়।
যখন একটি যন্ত্র অথবা সফটওয়ার কোনো শ্রমিকের বিকল্প হয়, তখন মজুরি বিলীন হয়, কিন্তু উৎপাদন বিলীন হয় না। যে উদ্বৃত্ত আগে মজুরির প্রতিনিধিত্ব করত, তা ধরে রাখে সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, যে যন্ত্র, সফটওয়্যার বিনিয়োগের মালিক। একথা মনে রাখা উচিৎ যে প্রযুক্তি কাজের মূল্য ধ্বংস করে না। এটি কেবল মূল্যকে ধারণ করে তা শ্রম থেকে মূলধনের দিকে সরিয়ে দেয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার শ্রম শক্তির উপর যে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে অনেকেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবাধ সম্প্রসারণের বিরোধিতা করছেন। এই বিরোধিতা মৃদু থেকে রীতিমত বিদ্রোহী কণ্ঠের রূপ নিয়েছে। প্রযুক্তি, বিশেষ করে তথ্য প্রযুক্তি এবং শ্রম বিষয়ে যারা গবেষণা করেন, তারা উন্নয়নশীল দেশগুলোর উপরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে তাদের বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছেন। আমি বাংলাদেশের উপরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে কিছু বিশ্লেষণ এবং মতামত নিয়ে এই প্রবন্ধে আলোকপাত করব।
প্রথমত, স্বল্পমূল্যের শ্রম বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের এবং বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের প্রধান উপাদান। স্বয়ংক্রিয়করণ (Automation) ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বৈশ্বিক উৎপাদন, সেবা ও কর্মসংস্থানের ধরন বদলাতে শুরু করায় শ্রমনির্ভর এই মডেলের কার্যকারিতা এখন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে, এমনকি প্রশ্নবিদ্ধ মনে করাও অতিরঞ্জিত হবে না। এই স্বল্পমূল্যের শ্রমকে মূলধন করে বাংলাদেশের যে শ্রমশক্তি দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে সরকারি কোষাগারকে সমৃদ্ধ করেন, তাদেরকে তিন ভাগ করা যায়। প্রথমত, পোশাকপণ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত শ্রম বাংলাদেশ রপ্তানি করে যা দেশের রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ। দ্বিতীয়ত, বিদেশে কর্মরত এবং দেশে অর্থ পাঠানো প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরাসরি শ্রম বিক্রি করে। তৃতীয়ত, দ্রুত সম্প্রসারিত ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল সেবা প্রতিষ্ঠানের ভিত্তির মাধ্যমে ক্রমবর্ধমানভাবে বাংলাদেশ ঘণ্টাভিত্তিক শ্রমও বিক্রি করে। গত কয়েক দশক ধরে এই তিন মডেল কার্যকর ছিল। কিন্তু এই তিন ধরনের কর্মজীবীরাই স্বয়ংক্রিয়করণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অবধারিত বিস্তারের ফলে অসহায় হয়ে পড়েছেন। এর কারন স্বয়ংক্রিয়করণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উভয় প্রযুক্তি, আয়কে শ্রম থেকে মূলধনের দিকে সরিয়ে দেয়; ফলে যারা যন্ত্রের মালিক তারা পুরস্কৃত হয়, আর যারা যন্ত্র পরিচালনা করে তারা নয়। বাংলাদেশের অর্থনীতি প্রায় পুরোপুরি এই বিনিময়ের শ্রমের দিকটিতে অবস্থান করছে এবং মূলধনের মালিকানা খুবই সামান্য। কিন্তু এই অসহায়ত্ব মেনে না নিয়ে বাংলাদেশ কিভাবে রপ্তানি আয় এবং বৈদেশিক উপার্জনের পথকে সমৃদ্ধ করবে বা করতে পারে? এই বিষয়ে কিছু বিশ্লেষণ প্রকাশিত হয়েছে।
যৌক্তিক ভিত্তির মাধ্যমে কয়েকটি বিশ্লেষিত প্রস্তাবকে আলকপাত করছি। প্রথম যে প্রস্তাবটি ফলপ্রসূ হতে পারে, সেটি হল- বাংলাদেশকে অ্যাপ্লিকেশন ও ডেটা স্তরের মালিক হতে উদ্যোগ নেয়া যেসব ক্ষেত্রে স্থানীয় ভাষা ও প্রেক্ষাপট প্রধান- যেমন সরকারি বাংলা ডেটাসেট, স্থানীয় স্টার্টআপগুলোর জন্য খরচের ভিত্তিতে ব্যবহারযোগ্য শেয়ার্ড প্রসেসসিং প্লাটফর্ম এবং আমদানিকৃত পণ্যের বদলে দেশীয় AI পণ্যকে সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার দেয়া। মোদ্দাকথা, সরকারসহ বৃহৎ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্বয়ংক্রিয়করণ যেন দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিকশিত হয়, সে ক্ষেত্রে অগ্রণী ভুমিকা নিতে হবে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ নাগরিক বাংলা ভাষায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে, তাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক সরকারী এবং ব্যবসা খাতে অ্যাপ্লিকেশনের প্রচলন বাংলায় হওয়া উচিৎ।
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশি অভিবাসীদের যারা দক্ষ পেশায় নিয়জিত, তাদের চেয়ে অদক্ষ কর্মজীবীদের সংখ্যা অনেক বেশী। দক্ষ পেশায় নিয়োজিত কর্মজীবীদের কর্মসংস্থান বা চাহিদা অটোমেশন সহজে পূর্ণ করতে পারে না। তবে এটাও ঠিক যে দক্ষ পেশাজীবীদের কর্মসংস্থান কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রসারণের ফলে সম্পূর্ণ সঙ্কা মুক্ত নয়। তথাপি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং স্বয়ংক্রিয়করণের বিস্তারের প্রভাব অদক্ষ কর্মীর কর্ম সংস্থান যে দক্ষ পেশাজীবীদের কর্মসংস্থানের তুলনায় অনেক বেশী সংকোচনের মুখামুখি সেই বাস্তবতা অনস্বীকার্য। এই বাস্তবতার সামনে, বাংলাদেশের প্রয়োজন বিদেশগামী কর্মজীবীদের সেইসব দক্ষতায় প্রশিক্ষণ দেয়া যার চাহিদা প্রমানিত। একটি বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে যে WHO ২০৩০ সালের মধ্যে ১ কোটি স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতির পূর্বাভাস দিয়েছে। উপসাগরীয় দেশ, জাপান, কোরিয়া ও জার্মানির বয়স্ক জনগোষ্ঠীর যত্নকর্মীর প্রয়োজন বাড়ছে। HVAC, সৌর প্যানেল স্থাপন এবং রোবোটিক্স রক্ষণাবেক্ষণের মতো কারিগরি পেশার চাহিদাও বাড়ছে। মূল কৌশল হলো গন্তব্য দেশের নিয়োগকর্তাদের চাহিদার সঙ্গে যুক্ত, স্বীকৃত সনদ দ্বারা সমর্থিত প্রশিক্ষণ দেয়া— যাতে কর্মীদের অটোমেশনযোগ্য নিম্নস্তর থেকে অটোমেশন-প্রতিরোধী মধ্যস্তরে উন্নীত করা যায়।
তৃতীয়ত, এই প্রস্তাবকে ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্সিং ও BPO খাতকে প্রস্তুত করতে হবে। বর্তমানে, বাংলাদেশের ফ্রিলান্সিং কর্মজীবীরা বেশিরভাগ রুটিন কাজ করে জীবিকা অর্জন করেন যেই কাজগুলি AI প্রথমে গ্রাস করবে। তাই এই কর্মশক্তিকে পরিণত করতে হবে এমন ধরনের কর্মদক্ষতায় যা কিনা AI-কে পরিপূরক করবে। উদাহরণ হিসেবে ডোমেইন সেবা, লোকালাইজেশন, AI ডেটা ও মডেলভিত্তিক কাজ। প্রাথমিক প্রশিক্ষণ ও স্বল্পমেয়াদি ভর্তুকিযুক্ত প্রবেশাধিকার AI-কে ফ্রিল্যান্সার প্রতিস্থাপনের উপকরণ থেকে একজনের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানোর চেষ্টায় পরিণত করতে পারে।
বাংলাদেশ সম্প্রতি World Artificial Intelligence Cooperation Organization (WAICO)-এ পর্যবেক্ষক হিসেবে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পদক্ষেপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বিষয়ক উদ্ভাবন, নিয়ন্ত্রণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল উন্নয়নের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে জোরদার করবে এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রে আমাদের শ্রমশক্তিকে সময়োপযোগী করতে সাহায্য করবে। এই সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী।
আরেক বিশ্লেষক প্রস্তাব করেছেন যে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ প্রতিষ্ঠানগুলিতে যেখানে প্রযুক্তির প্রসার নগণ্য, সেটা শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রেই সীমিত নয়, সেখানে প্রযুক্তির প্রসারে অগ্রসর ভুমিকা নেয়া। AI-এর বৃহত্তর সুযোগ হওয়া উচিত যেন এই প্রযুক্তির জ্ঞান ও সক্ষমতাকে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের অর্থ শুধু AI-তে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা নয়। একই সাথে এটা এমন নয় যে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোকে AI কোম্পানিতে পরিণত হতে হবে। বরং বাস্তব ব্যবসায়িক সমস্যার সমাধানে বিদ্যমান সরঞ্জামগুলো কীভাবে ব্যবহার করা যায় এবং কোন পদ্ধতিগুলো কার্যকর— তা প্রয়োগ ও ভাগ করে নেওয়ার জন্য খুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলোর সহায়তা দরকার। বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্প সমিতি এবং ব্যবসায় সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বাজার গবেষণা, নিয়মনীতি মেনে চলা, উৎপাদন পরিকল্পনা ও হিসাবরক্ষণে AI-এর ব্যবহার পরীক্ষা করতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা করতে পারে। একই সময়ে, সরকার উৎপাদনশীল ব্যবহারের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করতে পারে— যেমন ব্যবহারিক দক্ষতা, বাংলা ভাষার উপকরণ, সহজে ব্যবহারযোগ্য সরকারি তথ্য এবং গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধি।
AI একটি ভিন্ন প্রযুক্তি এবং ভিন্ন সময়ের সূচনা করছে, কিন্তু উন্নয়নের পরীক্ষাটি একই রকম। সস্তা ও কার্যকর জ্ঞান যদি সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোকে আরও শক্তিশালী করে তোলে, তাহলে বাংলাদেশ AI গ্রহণ করলেও অর্থনৈতিক সুযোগের পরিধি বিস্তৃত নাও হতে পারে। অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত কম সুবিধা নিয়ে শুরু করা শ্রমিক ও প্রতিষ্ঠানগুলো যদি AI ব্যবহার করে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে পারে, তাহলে উৎপাদনশীল অর্থনীতির ভিত্তি আরও বিস্তৃত হবে এবং উন্নততর কর্মসংস্থান ও প্রবৃদ্ধির পরবর্তী পর্যায়ের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হবে।
অবশেষে, অন্য এক বিশ্লেষক বাংলাদেশকে শ্রম রপ্তানি দেশ থেকে ডাটা রপ্তানির দেশে রুপান্তরিত হতে উৎসাহিত করেছেন। এই বিশ্লেষকের মতে শিল্পায়নকে সমর্থন করার জন্য বাংলাদেশ গত দুই দশকে বিদ্যুৎ অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। আজ সেই বিনিয়োগ একটি অপ্রত্যাশিত সুযোগ তৈরি করেছে। বাংলাদেশকে এই অব্যবহৃত বা কম ব্যবহৃত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতাকে বৈশ্বিক AI ও ডিজিটাল অর্থনীতির অবকাঠামোতে রূপান্তর করার প্রচেষ্টা করতে হবে। বাংলাদেশের হাতে সীমাহীন উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ নেই। তবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্রিড অবকাঠামোতে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে, যার একটি বড় অংশ বছরের বেশিরভাগ সময়ই অব্যবহৃত বা অল্প ব্যবহৃত থাকে। ডাটা সেন্টার এসব সম্পদের আরও কার্যকর ব্যবহারের একটি সুযোগ তৈরি করতে পারে।
একটি বাস্তবসম্মত প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে এমন সীমিতসংখ্যক ডিজিটাল অবকাঠামো অঞ্চল (Digital Infrastructure Zones) চিহ্নিত করা, যেখানে ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয়তাগুলো একত্রিত হয়েছে। এগুলি হচ্ছে প্রয়োজনীয় উল্লেখযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা, শক্তিশালী গ্রিড সংযোগ, নির্ভরযোগ্য গ্যাস বা LNG সরবরাহ, শীতলীকরণের উপযোগী সম্পদ এবং উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ফাইবার নেটওয়ার্ক। এরপর চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে বড় ডাটা-সেন্টার ক্যাম্পাস গড়ে তোলা যেতে পারে।
সরকারের প্রধান ভূমিকা সরাসরি বিনিয়োগকারী হওয়া জরুরি নয়। বরং সরকার যেসব উদ্যোগ নিতে পারে তা হচ্ছে- দীর্ঘমেয়াদি ও প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ, দ্রুত গ্রিড ও ফাইবার সংযোগ, এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ডাটা সেন্টার মানদণ্ড প্রয়োগ নিশ্চিত করা। এ ছাড়াও সরকারী প্রশাসন বিশেষায়িত যন্ত্রপাতি আমদানির কার্যকর প্রক্রিয়া এবং আন্তঃসীমান্ত ডিজিটাল সেবার জন্য স্থিতিশীল নিয়ন্ত্রক কাঠামো নিশ্চিত করতে পারে। এর ফলে, বেসরকারি ও বিদেশি মূলধনকে উৎসাহিত করার পরিবেশ তৈরি হবে।
এই সব বিশ্লেষণের মাধ্যমে যে পরামর্শগুলি উত্থাপন করা হয়েছে সেগুলি প্রমান করে যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারের ফলে বাংলাদেশের শ্রম শক্তির কর্ম সংস্থানের ঝুকি দৃশ্যমান ও স্পর্শযোগ্য। একই সাথে এটাও প্রতীয়মান যে এই ঝুকি মোকাবেলা করার জন্য বাংলাদেশের সরকার এবং বাবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশ্লেষণ ভিত্তিক পদক্ষেপ নিতে হবে। এবং সেই পদক্ষেপ নেয়া দরকার জরুরি ভিত্তিতে।
তথ্য সুত্রঃ
How Automation and AI Are Reshaping Bangladesh’s Economic Model

