রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ চেতনা

আনিস আহমেদ
May 17, 2026
43 views
28 mins read

রবীন্দ্রনাথ মূলত প্রেমের কবি। তার সেই প্রেম ব্যক্তি থেকে সমষ্টি, সমষ্টি থেকে স্বদেশ, স্বদেশ থেকে বিশ্ব এবং বিশ্ব থেকে বিধাতা পর্যন্ত সম্প্রসারিত। সে জন্যই সম্ভবত রবীন্দ্রনাথের প্রেম, পূজা এবং প্রকৃতির গানের মধ্যে পার্থক্য যতখানি, তার চেয়ে অনেক বেশি সুক্ষ মিল লক্ষ্য করা যায়। রবীন্দ্রাথকে আমরা যখন বিশ্বকবি বলে সম্বোধন করি, তখন সে বিশ্ব আজকের বিশ্বায়িত পৃথিবী থেকে ভিন্ন। এখনকার পৃথিবীতে বিশ্বায়নের সংজ্ঞা নির্ধারিত হচ্ছে আর্থ-রাজনৈতিক পরিমাপে কিন্তু রবীন্দ্রনাথ যে অর্থে বিশ্বকবি সেখানে মানুষ ও প্রকৃতির প্রেম সম্প্রসারিত এক অব্যক্ত আধ্যাত্মিক অনুভূতিতে। রবীন্দ্রনাথের বিশ্ব, অতএব, জাগতিক সীমারেখাকে অতিক্রম করে যায় মহাজাগতিক ক্ষেত্রে। সুতরাং ইংরেজি শব্দ global রবীন্দ্রনাথের অভিধায় মানানসই নয়, universal শব্দটিই বরঞ্চ অধিকতর মানানসই।  গ্লোবাল শব্দটি ভূ-রাজনৈতিক ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে কিন্তু ইউনিভার্সাল শব্দটির একটি জগতাতীত সংজ্ঞাও রয়েছে। এখানে আরও একটি কথা বলা জরুরি যে রবীন্দ্রনাথ বিশ্ব কবি, কেবল স্থানিক অর্থে নয়, কালিক অর্থেও এবং বলাই বাহুল্য এই উভয় অর্থেই তার প্রেম প্রসারিত। রবীন্দ্রনাথ অতএব প্রকৃতি ও মানবের মধ্যে এক ধরণের অতিজাগতিক বন্ধন স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন তার সাহিত্যে অভিন্ন ভালোবাসা প্রকাশের মধ্য দিয়ে।

মানুষের প্রতি এই ভালোবাসার কারণেই বোধ করি রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ প্রেম, রাষ্ট্র-নির্ভর নয় ততটা যতটা সমাজ নির্ভর। রাষ্ট্র হচ্ছে রাজনৈতিক ভাবে সংগঠিত এমন একটি সত্বা যেখানে মানবিক কিংবা আত্মিক বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সত্যবটে রাষ্ট্রেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হচ্ছে মানুষ কিন্তু রাজনৈতিক কাঠামোর আড়ালে রাষ্ট্রের মানুষ অনেকটাই যেন গৌণ হয়ে পড়ে। তাঁর দেশপ্রেম ভারতের অগণিত মানুষের বিচিত্র জীবন ধারণকে একই খাতে বইয়ে দেওয়ার ভাবনা অথবা বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা। সেই সময় ব্রিটিশ রক্তচক্ষুর মাঝে দাঁড়িয়ে তাই অগণিত জনগণের জন্য লিখতে পারেন “রাশিয়ার চিঠি” যেখানে কার্ল মার্কসের দর্শন প্রতিফলিত হয়েছে সমাজতন্ত্রের পথ ধরে। তাঁর দেশপ্রেম কোথায় দাঁড়িয়ে আছে তার এক আশ্চর্য নমুনা যখন তিনি বলেন- “চিরকালই মানুষের সভ্যতায় একদল অখ্যাত লোক থাকে তাদেরই সংখ্যা বেশি, তারাই বাহন; তাদের মানুষ হওয়ার সময় নেই; দেশের সম্পদের উচ্ছিষ্টে তারা পালিত। সবচেয়ে কম খেয়ে, কম্ পরে, কম শিখে,বাকি সকলের পরিচর্যা করে; সকলের চেয়ে বেশি তাদের পরিশ্রম ,সকলের চেয়ে বেশি তাদের অসম্মান”। তিনি বলেন – “তারা সভ্যতার পিলসুজ, মাথায় প্রদীপ নিয়ে খাড়া দাঁড়িয়ে থাকে উপরের সবাই আলো পায়, তাদের গা দিয়ে তেল গড়িয়ে পড়ে”।

রবীন্দ্রনাথ তাই সমাজের দিকে নজর দিয়েছেন বড় বেশি করে। মানুষ হচ্ছে সমাজের সব চেয়ে মূখ্য উপাদান আর রবীন্দ্র সাহিত্যে এই মানব প্রেম, মানব ধর্মই প্রাধান্য পেয়েছে অনস্বীকার্য ভাবে। তাই রাজনৈতিক আন্দোলনের তুঙ্গেও রবীন্দ্রনাথ নিজেকে সম্পৃক্ত করেন স্বদেশী সমাজের সঙ্গে। রবীন্দ্রনাথ প্রচলিত অর্থে জাতীয়তাবাদ অথবা জাতি-রাষ্ট্রের সমর্থক ছিলেন না। তিনি মানবজাতিকে এক ও অভিন্ন ভাবে দেখার চেষ্টা করেছেন। বঙ্গ-ভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে তার যে স্বল্পদিনের সম্পৃক্ততা তার পেছনে বিভাজনের চেয়ে মিলনের প্রত্যাশাটাও ছিল বেশি। রবীন্দ্রনাথ যখন বলেন-

অন্ন চাই , প্রাণ চাই, আলো চাই, চাই মুক্ত বায়ূ

চাই বল , চাই স্বাস্থ্য, আনন্দ উজ্জ্বল পরমায়ু

সাহস বিস্তৃত বক্ষপট।…………

তখন তিনি রাষ্ট্রকাঠামোর ঊর্ধ্বে উঠে, সকল মানুষের কথাই বলেন। আবার পশ্চিমি সাহিত্য সমালোচকরা যখন রবীন্দ্রনাথকে কেবল মাত্র ঋষি-কবি হিসেবে আধ্যাত্মিকতার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখেন তখন তার বিপুল বিশাল সাহিত্যে মানুষের কথাকে যেন অগ্রাহ্য করেন। রবীন্দ্রনাথের জীবনদেবতা যে তাকে মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করেননি, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ প্রেমের পুর্ণ প্রকাশ আমরা লক্ষ্য করি বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫-১৯১১) বিরোধী স্বদেশী আন্দোলনের সময়ে। সেই সময়ে রবীন্দ্রনাথ যে  অনেকগুলো স্বদেশী গান রচনা করেন তার মধ্যে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতও অন্যতম। তবে এটাও সত্যি কথা যে রবীন্দ্রনাথ এই স্বদেশী আন্দোলন থেকে ক্রমশই নিজেকে সরিয়ে নেন যখন লক্ষ্য করেন যে এই আন্দোলনে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে একটি বিভেদ রচনার ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। আন্দোলনটি মিলন নয়, সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিষাক্ত বীজ বপন করছে এই উপলব্ধি রবীন্দ্রনাথকে এই আন্দোলন সম্পর্কে হতাশ করে তোলে।

রবীন্দ্রনাথের ঘরে বাইরে উপন্যাসে নিখিল ও সন্দ্বীপের মধ্যে দ্বন্দ্বের  মধ্যেই ফুটে উঠেছিলো স্বদেশী আন্দোলনের দূর্বলতার দিকগুলো। গরীব মুসলমান প্রজাদের দুঃখ, দূর্দশা ও দুভোর্গের কথা রবীন্দ্রনাথ বলিয়েছেন নিখিলের মুখে, সন্দ্বীপের বাক-সর্বস্ব স্বাদেশিকতা সেখানে বিপর্যস্ত। এ নয় যে রবীন্দ্রনাথ বাংলার ঐক্য চাননি, তিনি গেয়েছিলেন-

……. বাংলার যত ভাই ও বোন

এক হোক , এক হোক , এক হোক , হে ভগবান।

তবে সেই ঐক্য যখন স্থাপনের পথ অনেকটাই রুদ্ধ হলো, আন্দোলন যখন স্বতঃস্ফুর্ততা হারিয়ে ফেললো জোর-জবরদস্তির মধ্য দিয়ে, রবীন্দ্রনাথ তখন সরে আসলেন স্বদেশী আন্দোলন থেকে।

বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলন বা স্বদেশী আন্দোলন থেকে বেরিয়ে আসার কারণে রবীন্দ্রনাথ অনেকের কাছে সমালোচিত হন। সেই সময় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসুর স্ত্রী অবলা বসু রবীন্দ্রনাথের সমালোচনা করেন। জবাবে ১৯০৮ সালে রবীন্দ্রনাথ লেখেন, “Patriotism cannot be our final spiritual shelter; my refuge is humanity. I will not buy glass for the price of diamonds, and I will never allow patriotism to triumph over humanity as long as I live.”  অতএব লক্ষ্য করার বিষয়, যে রবীন্দ্রনাথের কাছে কোন সস্তা দেশপ্রেম নয়, মানবতাবোধই প্রধান বিষয় ছিল। মানবিক মূল্যবোধের এই অসাধারণ মূল্যায়ন রবীন্দ্রনাথকে বিশ্ব কবির মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছিল।স্বদেশপ্রেমকে তিনি তখনই স্বাগত জানিয়েছেন যখন তা মানবিক প্রেমে সঞ্জাত হয়েছে, বিভাজন নয় মিলনের সুত্র হয়ে উঠেছে। জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে তিনি মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গেও দ্বিমত প্রকাশ করেছেন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মধ্যে স্বদেশ প্রেম বা স্বাদেশিকতা ছিল না এমন ধারণ ঠিক নয়। স্বদেশ প্রেমকে যারা রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন তারা হয়ত সে রকমটি মনে করতেই পারেন। তবে রবীন্দ্রনাথের দৃষ্টিভঙ্গি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি স্বদেশকে রাজনৈতিক আন্দোলনের পরিমাপে মাপেননি কিংবা কেবল মাত্র একখন্ড ভূমি হিসেবে গণ্য করেননি, তিনি দেশকে কেবলমাত্র তার ভূ-রাজনৈতিক অস্তিত্বের আলোকে দেখতে চাননি, দেখতে চেয়েছিলেন মানবিক অনুভূতি দিয়ে। সে জন্যই রবীন্দ্রনাথের কাছে দেশ ভৌগলিক পরিমাপে আঁকা কোন স্থান বিশেষ নয়, দেশ হচ্ছে মানুষের সমন্বয়ে গড়া একটি ভূখন্ড যেখানে ভূখন্ডের চাইতে বড় হয়ে ওঠে সেই ভূখন্ডে বসবাসরত মানুষ।

সোনার বাংলার প্রতি তার ভালোবাসায় অবশ্যই রয়েছে বাংলার প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা কিন্তু এই ভালোবাসা ব্যক্ত হয়েছে একজন মানুষের মুখ দিয়ে। দেশপ্রেমের গভীরতা ও ব্যাপ্তি এতটাই বিস্তৃত যে সেখানে বহুবচন ‘আমরা’ নয়, একবচন ‘আমি’ গুরুত্ব পেয়েছে। আমাদের সোনার বাংলাকে তিনি আমার সোনার বাংলা করেছেন, বলতে পেরেছেন, “… তোমার বদনখানি মলিন হলে, আমি নয়নজলে ভাসি”। এ কেবল প্রেমিক ও প্রেমাস্পদের অনুভূতির সমতূল্য। সেখানে স্বদেশের সঙ্গে দেশবাসীর সম্পর্ক এতটাই আন্তরিক এবং অন্তরঙ্গও  বটে যে সেখানে বহুমুখী নয়, একক অনুভূতিটাই প্রাধান্য পায়। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতিটি শব্দপুঞ্জকে যদি আপনি বিশ্লেষণ করে দেখেন, তা হলেই দেখতে পাবেন দেশ ভূখন্ড নয়, যেন ব্যক্তি হয়ে উঠেছে। কাব্যিক ভাবে উৎপ্রেক্ষার ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি স্বদেশকে ব্যক্তিকরণ বা ইংরেজিতে যাকে ‘personification’ বলা হয় ঠিক সেটাই করেছেন আর এর ফলে দেশের সঙ্গে তার একটা আত্মিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে।

জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের দ্বিমত ছিল। গান্ধী জাতীয়তাবাদের সমর্থনে বলেন যে আন্তর্জাতিকতাবাদে পৌছুতে হলে জাতীয়তাবাদের পথ ধরেই এগুতে হবে। রবীন্দ্রনাথ গান্ধীকে সম্মান করতেন এ কথা যেমন সত্যি, তেমনি জাতীয়তাবাদের ব্যাপারে রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে গান্ধীর দ্বিমত ছিল; রবীন্দ্রনাথ প্রথাগত মতবাদের বিপক্ষে যুক্তির ভিত্তিতে দেশপ্রেমকে দেখেছেন এবং অবশিষ্ট বিশ্বের সঙ্গে মিলিয়ে তার দেশকে দেখেছেন। তিনি যখন বলেন-

বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো

সেই খানে যোগ তোমার সাথে আমারও……….

তখন সেই যোগসুত্রটি স্থাপিত হয়, ব্যক্তির সঙ্গে সমাজের, সমাজের সঙ্গে রাষ্ট্রের, রাষ্ট্রের সঙ্গে বিশ্বের এবং বিশ্বের সঙ্গে বিধাতার। সে জন্যেই বলছিলাম রবীন্দ্রনাথে প্রেমের সম্প্রসারণ জগতের এবং জগতাতীতেরও, মূর্তমান তথ্যের যেমন, তেমনি বিমূর্ত সত্যেরও। আর এর একেবারে প্রাথমিক স্তরেই থাকছে ব্যক্তি।

গান্ধীর মতো রবীন্দ্রনাথ পশ্চিমি সভ্যতার বিপক্ষে ছিলেন না কারণ তিনি মানুষের বিচ্ছিন্নতা নয়, প্রাচ্য-প্রতীচ্য নির্বিশেষে মানুষের ঐক্য কামনা করেছেন। উনিশ ও কুড়ি শতকে ইউরোপে, জাতিরাষ্ট্রের নামে মানুষের যে অখন্ডতা ব্যাহত হচ্ছিল রবীন্দ্রনাথ তাতে বিচলিত বোধ করেছেন। তদানীন্তন ভারতের অনেক জাতীয়তাবাদী নেতাই রবীন্দ্রনাথকে ভুল বুঝেছেন, কেউ কেউ তাকে ইংরেজ সমর্থক বলেও সমালোচনায় জর্জরিত করেছেন কিন্তু ইংরেজের প্রতি বিশেষ প্রীতি বশত নয়, বিভাজনের রাজনীতির বিরুদ্ধে দাড়ানোর  জন্যই রবীন্দ্রনাথের অবস্থান ছিলো একক ও অদ্বিতীয়।

স্মরণ করা যেতে পারে যে যখন তিনি দেখেছেন যে ইংরেজ সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে নির্যাতকের ভূমিকা নিয়েছে, তখন তিনি নির্দ্বিধায় ইংরেজের দেওয়া উপাধি প্রত্যাখান করেছেন। ১৯১৯ সালের ১৩ই এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকান্ডের পর, প্রতিবাদের প্রতীক স্বরূপ ব্রিটিশ সরকারের দেওয়া নাইট উপাধি তিনি ফেরত দেন। ৩০ শে এপ্রিল ১৯১৯ তারিখে ভাইসেরয় লর্ড চেম্সফোর্ডকে এক চিঠিতে তিনি লেখেন, “I wish to stand, shorn, of all special distinctions, by the side of those of my countrymen who, for their so called insignificance, are liable to suffer degradation not fit for human beings.”  লক্ষ্য করার বিষয় যে এখানেও তিনি মানুষের মর্যাদাহানির কথা বলেছেন, তাকে অকিঞ্চিৎকর হিসেবে গণ্য করার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। স্বদেশবাসী থেকে পৃথক হয়ে তিনি কোন সম্মান পেতে চাননি। রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ প্রেমকে অতএব মানবিক প্রেমের সঙ্গে একাত্ম করে দেখা দরকার।

গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেননি রবীন্দ্রনাথ, স্বাদেশিক অনুভূতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছেন তার মানবিক চেতনাকেও।


আনিস আহমেদ | ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র

গবেষক, লেখক এবং বিবিসি ও ভয়েস অফ আমেরিকার প্রাক্তন বেতার সাংবাদিক। স্বনামে ও ছদ্ম নামে দেশ বিদেশের পত্রপত্রিকায় অসংখ্য নিবন্ধ লিখেছেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published.

Previous Story

জাপান: হৃদয়ের শিক্ষায় ভরা এক যাত্রা

Next Story

সম্পাদকীয়: জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ / মে ২০২৬

Latest from নিয়মিত কলাম

সলঝেনিৎসিন, তাজউদ্দীন এবং নৈতিক রাষ্ট্রনায়কত্বের পথরেখা

মানুষের জীবনে সত্য, সৃষ্টিশীল চিন্তা, আত্মসংযম ও মানবিক কর্তব্য—এই চারটি মূল্যবোধই আমাদের অস্তিত্বকে অর্থবহ করে তোলে। - লিখেছেন শারমিন আহমদ।