মানসিক সুস্থতা

মানসিক সুস্থতা – আমাদের সবার কাম্য

রোমিনা লোদী জয়িতা
June 14, 2026
9 views
31 mins read

পৃথিবী জুড়ে চারিদিকে এতো অন্যায়, অপকর্ম, পাপাচার, ব্যাভিচার, ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ। এগুলো যারা করছে, তারা কি মানসিক ভাবে সুস্থ না অসুস্থ? যারা এগুলো দেখছে, সহ্য করছে, বা দেখেও না দেখার ভান করছে, তারা কতটা সুস্থ? অতি সম্প্রতি সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটিতে ঘটে যাওয়া নৃশংস জোড়া খুন আমাদের হৃদয়ের খুব গভীরে নাড়া দিয়েছে। প্রবাসী বাঙালি কম্যুনিটিতে সবাই হতবাক, বিমূঢ়। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে বলিষ্ঠ ও জোরালো বক্তব্য দিয়েছে, সুষ্ঠ বিচার চেয়েছে। আবার অনেকে এই অপ্রত্যাশিত খবরের নির্মমতা ও সহিংসতা হজমই করতে পারছেনা। এ ধরনের খবর সহ্য করার ক্ষমতা আমাদের একেকজনের একেক রকম। তাই আমাদের সবারই প্রতিক্রিয়া ভিন্ন।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মানসিক সুস্থতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু খানিকটা আপেক্ষিক একটা ব্যাপার। একজনের কাছে যেটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে আর একজনের কাছে তা পাগলামি মনে হতে পারে। অথবা একজন হয়তো অনেক কিছু হুটহাট করে থাকে, যেটা তার জন্য নিত্যদিনের বৈচিত্র্য নিয়ে আসে কিন্তু অন্যজন দেখলে সেটাকে নির্ঘাত পাগলামি মনে করে। তাই মানসিক ভাবে কে সুস্থ আর কে অসুস্থ সেই বিচারে যাওয়া খুবই কঠিন। একমাত্র মানসিক রোগের বিশেষজ্ঞরা সেটা নিশ্চিত বলতে পারে।

ছোটখাটো পাগলামি আমরা সবাই কমবেশি করে থাকি। আমাদের জীবন, আশেপাশের পরিবেশ ও পরিচিত সার্কেল নিত্য পরিবর্তীত হচ্ছে। এই পরিবর্তন এর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে আমরা ক্রমাগত বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছি, তাই নিজেদের চলার মত উপযোগী করে তোলার চেষ্টা করছি। আর সেটা করতে গিয়ে, গতানুগতিক এর বাইরে আমরা কিছু কাজ করে থাকি যা অন্যের চোখে পাগলামি হিসেবে ধরা পড়ে।

মে মাস, মানসিক স্বাস্থ্য দিবস মাস। ১৯৪৯ সালে প্রথম মে মাসকে, আমেরিকায় মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতার মাস হিসেবে পালন করা হয়। মানুষের জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য ও সুস্থতার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং কুসংস্কার হটিয়ে মানসিক অসুস্থতা থেকে উদ্ধার পেতে এটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়। সময়ের ধারাবাহিকতায় এই মাসে মানসিক সুস্থতার ব্যাপারে কম্যুনিটির সবাইকে যেমন আলোকিত করা হয় তেমনি যারা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন তাদের অবিলম্বে বিশেষজ্ঞের সাহায্য গ্রহণ করার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়। প্রতিটি মানুষেরই উচিত নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দেয়া, এই কথাটাই মে মাসে উপস্থাপন করা হয়। সারা মাসব্যাপি লোকাল মিডিয়া, বিভিন্ন কর্মসংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহ শিক্ষামূলক সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, ডকুমেন্টারি ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীসহ নানা রকম আয়োজনের ব্যবস্থা করে থাকে।

মে মাস জুড়ে দেখা যায় সবুজ রঙের ফিতার আধিক্য। কেউ কেউ সারা মাস ধরে জামার উপর সবুজ ফিতা লাগিয়ে রাখেন এবং এটির মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি তার সচেতনতার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার হল, আঠারোশো শতাব্দীতে এই সবুজ রংটি সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী একটা বার্তা বহন করতো এবং সেটি ছিলো মানসিক অসুস্থতা। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সবুজ রং এখন মানসিক সুস্থতা ও সচেতনতার সিম্বল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে সবুজ রং নতুন জীবন, সুস্থতা, সম্ভাবনা, সমৃদ্ধি ও অপার শক্তির প্রতিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

মানসিক রোগের কথা আমরা সচরাচর যেগুলো শুনে থাকি সেগুলো হল ডিপ্রেশন, অ্যানজায়িটি ডিসঅর্ডার, পিটিএসডি, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, এ ডি এইচ ডি, বর্ডার লাইন পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার, স্কিজোফ্রেনিয়া ও অবসেসিভ কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার। তবে এগুলোর মধ্যে ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা পৃথিবীর নাম্বার ওয়ান মানসিক সমস্যা। যেই তিনশো মিলিয়ন পৃথিবীবাসী বিষণ্ণতায় ভুগছে, তাদের মধ্যে নারীর সংখ্যা পুরুষের চাইতে বেশী। আমেরিকা ছাড়াও এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে এর আধিক্য বেশী।

বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্য সংগঠন ও সিডিসির হিসাব অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি পাঁচজন প্রাপ্ত বয়স্কের মধ্যে একজন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত। যা কিনা মার্কিন মোট জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ষাট মিলিয়ন আমেরিকানদের বোঝায়। চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানীরা চিকিৎসা দেয়ার পাশাপাশি মানসিক অসুস্থতা নিয়ে ক্রমাগত গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। তবুও এই দেশে মানসিক অসুস্থ লোকের সংখ্যা বাড়ছে বৈ কমছে না। তবে আমেরিকায় সাধারণ মানুষ যত সহজে সাহায্যের জন্য বিশেষজ্ঞের কাছে যায়, পৃথিবীর অনেক দেশেই তত সহজে যায়না।

যদিও আমেরিকান সমাজে ডিপ্রেশন বরাবরই বিদ্যমান ছিলো তবুও ডিপ্রেশনের কারন হিসেবে কোভিড-১৯ কে দায়ী করা হয়। প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঘরের ভিতর আটকা পড়া নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ, সবাই বিভিন্ন রকমের নেতিবাচক চিন্তাভাবনার বশবর্তী হয় এবং ক্রমাগত হতাশা ও বিষাদের সাগরে ডুবে যেতে থাকে। ফলশ্রুতিতে তারা নিজেদের উপর আত্মবিশ্বাস হারাতে থাকে। আবার কারো মতে, অতিরিক্ত প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ব্যস্ত জীবনযাপনে সামাজিকতার প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়া সাধারন মানুষকে ভীষণ ভাবে আত্মকেন্দ্রিক করে তুলছে এবং নিজেরদের ছোট্ট গণ্ডির মধ্যে আটকে ফেলছে। নিজেদের গন্ডির মধ্যে থাকতে থাকতে তারা প্রায়শই গুলিয়ে ফেলছে, কোনটা বাস্তব আর কোনটা মনগড়া। এই দুই পরিবেশের মধ্যে তারা নিত্য জীবনযাপনে তালগোল হারিয়ে ফেলছে, ফলে মানসিক ভারসাম্য হারাচ্ছে।

এছাড়াও ফেইসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ডিপ্রেশনের একটি বড় কারন হিসেবে ধরা হয়। মানুষ এর ফেইসবুক জীবন ও আসল জীবনের মাঝে আছে আকাশপাতাল ফারাক, এই কথাটা আমরা প্রায় সময় ভুলে যাই। বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মানুষ তার হাসিআনন্দ, বিনোদন ও সফলতার গল্প খুব নিখুঁতভাবে ও গর্বের সাথে পোস্ট করে। যাতে ফেইসবুক বন্ধুদের কাছ থেকে লাভ, লাইক ও কমেন্টস পায়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তাদের জীবনে কোন দুঃখ, বেদনা, হতাশা, ব্যর্থতা নেই। আমরা যারা মনের দিক থেকে দূর্বল বা খুব বেশী আত্মবিশ্বাসী নই, তারা খুব সহজেই অন্য মানুষের সফলতার গল্পের গভীরে তলিয়ে যাই। মনে মনে কষ্ট পাই এই ভেবে যে আমরা কেন ওদের মত ভাগ্যবান নই, আমাদের জীবনে কেন এতো সমস্যা অথচ তারা দিব্যি ভালো আছে। এই চিন্তাই ক্রমাগত আমাদের বিষণ্ণতার সাগরে ডুবিয়ে দেয়।

বাঙালি সমাজে শারীরিক অসুখ বা সমস্যা হলে যে কেউ নির্ধিদায় পরিবারের অন্যান্যদের সাথে আলাপ করে। কিন্তু কেউ যদি কোন মানসিক সমস্যায় ভোগেন তাহলে তিনি সেটা গোপন করতে বেশী স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তরুণতরুণী বা প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এই অভ্যাসটি প্রবল ভাবে বিরাজমান। তার একটি প্রধান কারন হল, মানসিক রোগের চিকিৎসার ব্যাপারে বাঙালি সমাজে যে কুসংস্কার বা অন্ধ ধারণা বিদ্যমান। অধিকাংশ সময় পরিবার পরিজন ও বন্ধুবান্ধবদের কঠিন সমালোচনার সম্মুখীন হতে হবে এই ভেবেই যে কেউ পিছিয়ে যায়, তার মানসিক সমস্যার কথা কারোর সাথে আলাপ করতে। আবার অনেক সময় কেউ হয়তো বুঝতেই পারেননা যে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।

আমাদের দেশে কাউন্সেলিং শব্দটা ইদানিং জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। দাম্পত্য জীবনে অসুখী হলে, বাবামা ভাইবোনে নিত্য কোন্দল হলে, সন্তান এর মধ্যে মানসিক অপরিপক্কতা প্রকাশ পেলে, অনেকে মানসিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছে। এছাড়াও কমবয়সী ছেলেমেয়েদের মধ্যে ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পারিবারিক অস্থিরতা বা চাপ, আর্থিক কষ্ট, কঠিন রোগ, কোনো ঘনিষ্টজনের কাছ থেকে মানসিক আঘাত পাওয়া, পড়াশোনা বা কর্মক্ষেত্রে বিফল হওয়া, প্রিয় মানুষকে হারানো, এমন বহুবিধ কারন তাদেরকে বিষণ্ণতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞের পাশাপাশি পিতামাতারও একটি সুদৃঢ় দায়িত্ব আছে তাদের ছেলেমেয়েদের উপর চোখ রাখা যাতে বিষণ্ণতা বা হতাশা খুব প্রাথমিক স্টেজেই ধরতে পারা যায়। বাবামা’র উচিত সন্তানের সাথে গঠনমূলক সময় যাপন করা ও বিভিন্ন ব্যাপারে তাদের সাথে খোলাখুলি কথোপকথন করা। বড়দের ক্ষেত্রে মানসিক সমস্যা হলে কাউন্সেলরের কাছে যাওয়ার আগে, কোন নির্ভরযোগ্য আত্মীয় বা বিশ্বাসী বন্ধু অবশ্যই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারে যার কাছে মানুষটি তার মনের কথা খুলে বলতে পারে।

আমাদের সবার মধ্যে কমবেশী কিছু পাগলামি স্বভাব আছে। তার মানে এই না যে আমরা সবাই পাগল। সাধারন বাংলা ভাষায় আমরা যেমন বলি, তিনি একটু ছিটগ্রস্ত অথবা তিনি একটু পাগলাটে। তার মানে এই না যে তিনি বদ্ধ উম্মাদ। কারো কারো ক্ষেত্রে ছোটখাটো পাগলামির বাইরেও মনের অসুস্থতা, আরও অধিক গভীরে যেতে পারে বা গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে। অল্পসল্প পাগলামি থেকে কখন সেটা ভয়াবহ উম্মাদনায় পরিণত হয়েছে, অনেকে নিজে সেটা বুঝতেই পারেনা। আবার কখনো কখনো পরিবারের অন্য কেউ এটা টের পেলে ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে। তবে উন্নত দেশে মানুষ খুব সহজেই এটা নিয়ে কথা বলতে পারে বা সাহায্য চাইতে পারে।

দুঃখের ব্যাপার, দুনিয়াতে মানসিক বিকারগ্রস্ত বা মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। মানসিক অসুস্থতা একটি অদৃশ্য কিন্তু খুব ভয়াবহ একটি অসুখ, যা তিলে তিলে মানুষের জীবনীশক্তি ও বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা শেষ করে দেয়। এটি মানুষকে তার বাস্তব জীবন থেকে সরিয়ে একটি পরিবর্তিত ও পরিকল্পিত জগতে নিয়ে যায়। যেই জগতের নিয়মকানুন ঠিক করে শুধু সেই অসুস্থ ব্যক্তিটিই, তবে তার মাথার ভেতরে। আর এই অশুভ শক্তিই নির্ধারণ করে অসুস্থ ব্যাক্তিটি কি করবে।

গতকালকে একটা খবর পড়লাম, ক্যালিফোর্নিয়া স্টেটের স্যান ডিয়েগো শহরে একটি মসজিদে ঢুকে দুজন কিশোর ছেলে তিনজনকে গুলি করে হত্যা করেছে। ঐ তিনজনের একজন ছিলো ঐ মসজিদের সিকিউরিটি গার্ড যে তার নিজের প্রাণের বিনিময়ে মসজিদের ভিতরে বাকিদের বাঁচানোর চেষ্টা করেছে। এখানে উল্লেখ্য বিষয়, কিশোর দুইজনের একজনের মা পুলিশকে আগেই রিপোর্ট করেছিলো যে তার ছেলে বাড়ি থেকে তার মায়ের লাইসেন্স করা অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে পালিয়েছে এবং সে ছদ্মবেশে আছে। মা বুঝতে পেরেছিলো যে তার ছেলে কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বেড়িয়েছে এবং এর ফল কখনো ভালো হতে পারেনা। তিনজনকে হত্যা করার পর ছেলে দুটি নিজেরা আত্মহত্যা করে। যদিও এই ঘটনাকে ধর্মবিদ্বেষী আখ্যা দেয়া হয়েছে তবুও এই গর্হিত কাজটি যেই কিশোর দুইজন করেছে, তারা কোনো দিক দিয়েই মানসিক ভাবে সুস্থ ছিলোনা। আমেরিকান সমাজে, মানুষ মৃত্যুর প্রধান তিন চারটি কারনের মধ্যে আছে মাদকাসক্তি এবং আত্মহত্যা।

মানসিক অসুস্থতার নিরাময় ও প্রতিকার সম্ভব যদি সেটা সঠিক সময়ে, সঠিক উপায়ে ধরতে পারা যায়। মানসিক রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে কোনো চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হয়ে, ওষুধ এবং রুটিন থেরাপির মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব। আর ছোটখাটো পাগলামিতো আমরা নিজেরাই নিজেদের মধ্যে সংশোধন করতে পারি। সেটা কিভাবে? আমাদের আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং স্বাস্থ্যকর ও বয়স উপযোগী কাজ ও মন্তব্য করার মাধ্যমে। সেই সাথে, যখন যেখানে যা দেখি বা শুনি সেটা অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে, নিজেদের বুদ্ধি ও যুক্তি দিয়ে ভালোভাবে যাচাইবাছাই ও পরখ করে তবেই তা নিজের মনের ভেতর ধারণ করতে পারি।

আজকের পৃথিবীতে অনেক বেশী সুস্থ মানুষের প্রয়োজন। আপনার পরিবার, বন্ধুবান্ধব বা পরিচিতদের মাঝে এমন কেউ কি আছে যাকে আপনি মানসিক বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হতে পরামর্শ দিতে পারেন? তাকে মানসিক সুস্থতার ব্যাপারে উৎসাহিত করতে পারেন এই বুঝিয়ে যে, সুস্থ থাকা প্রতিটি মানুষের ন্যায্য অধিকার। মানসিক সুস্থতা হওয়া উচিত আপনার, আমার একান্ত সঙ্গী। সুন্দর চিন্তা, ভালো কথা, সঠিক বুদ্ধি – এই দিয়েই তো আমরা শুরু করতে পারি।


রোমিনা লোদী জয়িতা | অস্টিন, টেক্সাস

প্রবাস জীবনের রোজনামচা নিয়ে তৈরি তার অনলাইন বাংলা ব্লগ- দূরে কোথাও। অমর একুশে বইমেলায় তার প্রকাশিত বই এর সংখ্যা তিন। নিউয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকার নিয়মিত কলামিস্ট ও লেখক। ২০২২ এ ঠিকানা সাহিত্য সম্মাননা পদকে ভূষিত। পেশায় শিক্ষকতা করেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published.

আইনস্টাইনের মহাবিশ্ব
Previous Story

আইনস্টাইনের মহাবিশ্ব

দুবাই বাংলা বইমেলা
Next Story

উন্মোচন করা হলো না বালির পাহাড়

Latest from স্বাস্থ্য কথা

বিশ্ব আ‍্যজমা দিবস – ২০২৬

৫ই মে (মঙ্গলবার) ২০২৬ হলো বিশ্ব অ্যাজমা (হাঁপানি) দিবস। এই বছরের প্রতিপাদ্য বা থিম হলো... লুখেছেন ড. জাকির হোসেন।